• বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১৪ ১৪২৭

  • || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
কারিগরি-জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা হবে : শিক্ষামন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৮১ ১২ বছরে ৪৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত: কাদের রায়হান হত্যা: এএসআই আশেক এলাহী গ্রেফতার করোনার কারণে ২০২১ সালে হবে না বই উৎসব: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত ব্লকচেইন আগামী প্রযুক্তির নিরাপদ ভিত্তি: পলক করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১৪৯৩ স্কুল বাস সার্ভিসে নারী চালক সম্পৃক্ত করা জরুরি: সেতুমন্ত্রী দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক সেনাবাহিনী: প্রধানমন্ত্রী ৩ দিনের রিমান্ডে ইরফান ও সহযোগী জাহিদ প্রকল্পের বিরুদ্ধে মামলা হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড হাজী সেলিমের ছেলের ১ বছরের কারাদণ্ড করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৫, শনাক্ত ১৪৩৬ সাংসদ হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান গ্রেপ্তার কেউ অপরাধ করলে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীরাই গণতন্ত্রের মুখোশপড়া ফেরিওয়ালা: কাদের মিল মালিক, পাইকার ও ফড়িয়ারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: কৃষিমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১৩০৮

অধ্যাপক বি. চৌধুরীকে অসম্মান ও বিএনপির মুখ থুবড়ে পড়ার ইতিহাস

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২১ জুন ২০২০  

কারচুপি ও অঘটন ঘটিয়ে ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। ক্ষমতায় আসার পর সেই বছরের নভেম্বর মাসে দলটির প্রবীণ রাজনীতিবিদ একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। কিন্তু এর কিছু দিন না যেতেই ২০০২ সালের ২০ জুন তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে দলটির হাইকমান্ড। বলা হয়, বিএনপির অপশাসন ও দুর্নীতিপরায়ণ নীতির বলি হন বি. চৌধুরী।

তথ্যসূত্র বলছে, দলীয় শৃঙ্খলার নামে নিজেদের অশুভ ও অনৈতিক দাবি পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় পদচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে বি. চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য করায় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। যা বিএনপির রাজনৈতিক অপশাসনের সাক্ষী হয়ে থাকবে। উপযুক্ত ও পরীক্ষিত নেতাদের সম্মানহানী করার কারণে পর দলটিতে পরবর্তীতে বিপর্যয় নেমে আসে। ফলে বি. চৌধুরী ও কর্নেল অলিদের মতো পোড় খাওয়া নেতারা সম্মান রক্ষার্থে বিএনপি ছাড়তে বাধ্য হন। এতে করে বিএনপির প্রতি জনমনে অনাস্থা সৃষ্টি হয় যার ফলে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়ে দলটি।

২০০২ সালে যখন বি. চৌধুরী রাষ্ট্রপতির পদ ছেড়েছিলেন তার আগে দলের বিশ্বাস হারানোর বিষয়টি সামলে এসেছিল। খবরের কাগজে বড় বড় করে লেখা হয়েছিল যে, রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ওপর আস্থা নেই খোদ তার দল বিএনপির সংসদ সদস্যদের। পদত্যাগ না করলে ইমপিচমেন্ট করার হুমকি দেয়ায় সেদিন সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। জানা গেছে, ২০০২ সালের ১৯ জুন বিএনপি সংসদীয় দলের সভা শুরু হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সভায় বিএনপির নবীন সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতির ওপর প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রপতি হওয়ায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে স্বৈরশাসক জিয়ার মাজার জিয়ারত করতে অস্বীকৃতি জানানো, জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক মানতে রাজি না হওয়ায় এবং রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন বক্তব্যে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ ব্যবহার না করা, কারণ ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বিষয়টি বিএনপি রাজনৈতিকভাবে ধারণ করে। এসব কারণে মূলত কপাল পোড়ে বি. চৌধুরীর। ফলশ্রুতিতে সম্মান বাঁচাতে ছাড়তে হয় রাষ্ট্রপতির পদ।

এদিকে বি. চৌধুরীকে অসম্মান ও পদচ্যুত করে নিজেদের পতনের পথ নিজেরাই সম্প্রসারিত করেছিল বিএনপি, এমনটাই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, বি. চৌধুরীকে সরিয়ে দেয়ার ফলে দলটিতে বিভক্তি ও অনাস্থা প্রকাশ্য রূপ লাভ করে। যার দরুন পরবর্তী অলির মতো বহু পরীক্ষিত নেতা বিএনপি ছাড়েন। এতে করে জনগণের মাঝে ভুল তথ্য যায়। মানুষ বুঝতে পারে যে, বিএনপির মূর্খ ও ক্ষমতালোভীদের সংগঠন। যার কারণে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়ে দলটি। জনগণের সমর্থন কমে আসে। সেই ভুলের মাসুল আজও দিতে হচ্ছে দলটিকে।