রোববার   ১৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৫ ১৪২৬   ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
ফাইভজির স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হবে শিগগির: অর্থমন্ত্রী ঢাকা সিটি ভোট পিছিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি করার সিদ্ধান্ত ইসির এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সোমবার মান্নানের জানাজা এমপি আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে গভীর শোক রাষ্ট্রপতির পদ্মা সেতুর ২২তম স্প্যান বসছে এ মাসেই আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে ওবায়দুল কাদেরের শোক এমপি মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বয়ানে চলছে দ্বিতীয় দিনের ইজতেমা,কাল আখেরী মোনাজাত বিপিএলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেলো রাজশাহী আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা যাবে প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আমরা ক্রসফায়ারকে সাপোর্ট করতে পারি না : ওবায়দুল কাদের পোশাক রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যাবে আইসিটি : জয় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল তজুমদ্দিনে জলদস্যুদের হামলায় ৪ জেলে গুলিবিদ্ধ, আটক ৪ বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : দুই আসামি জামিনে মুক্ত
৭১

অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২০  

প্রেসক্রিপশন ছাড়াই বছরে বিক্রি হচ্ছে অন্তত ৫০ কোটি পিস অ্যান্টিবায়োটিক। নিয়ম না মেনে মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে জীবাণু ধ্বংস করার সামর্থ্য হারাচ্ছে জীবন-রক্ষাকারী এ ম্যাজিক ড্রাগ। গবেষণায় উঠে এসেছে, আইসিইউতে মৃত্যু হওয়া ৮০ ভাগ রোগীর শরীরে পাওয়া জীবাণুগুলো সব অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভয়ঙ্কর এ পরিস্থিতি মোকাবিলার অন্যতম প্রধান পথ যে কোনো মূল্যে অ্যান্টিবায়োটিকের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে ভর্তি শুভজিত এবং অমিত। বয়স ৩০ না পেরুলেও দুজনের শরীরেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিঃশ্বেষ প্রায়। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যায়, ২০টি অ্যান্টিবায়োটিকের কেবল একটি কাজ করছে দুজনের শরীরে। প্রয়োজনে- অপ্রয়োজনে নিময় না মেনে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ায় তাদের শরীরে ওষুধের চেয়েও শক্তিশালী এখন জীবাণু।

এক চিকিৎসক বলেন, একটি অ্যান্টিবায়োটিক যখন আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে অকার্যকর হয়ে যাবে, তখন এ ধরনের রোগীদের শরীরে জীবাণু আক্রান্ত হলে, তাদের আর অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করানো যাবে না। ফলে তারা মৃত্যুর ঝুঁকিতে পাড়বে।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ও ছোটখাট সমস্যায় অ্যান্টিবায়োটিক সেবন ও নিয়ম মেনে কোর্স পূরণ না করায় শরীরে জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক।

অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়েও প্রকৃতি ও পরিবেশে থাকা এসব ড্রাগ রেজিস্টেন্স জীবাণু শরীরে প্রবেশ করায় মৃত্যুর কাছে হার মানছে অনেক শিশুও।

এক চিকিৎসক বলেন, আমার কাছে প্রমাণ আছে তিনটা রোগীর, তারা তিনজনই অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতো। এবং এ তিনজনই শরীরে এখন অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না।

এক ফার্মাসিস্ট বলেন, এখানে আমরা ১শ’ প্রেসক্রিপশন পেলে তার মধ্যে ৭০টা তেই অ্যান্টিবায়োটিক থাকে। আমার কাছে তিনটি শিশু রোগী আসছে।

প্রকোপ কমাতে জ্বর, সর্দি, হাঁচি কাশির মতো সাধারণ অসুখে রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক না দেবার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

এক ফার্মাকোলোজিস্ট বলেন, ধরেন যোগ্য চিকিৎসক সাধারণ কারণেও একজন রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দিচ্ছে, সেই অ্যান্টিবায়োটিকটি তিনি নিময় মেনে গ্রহণ করছেন না। তবে সব সমস্যার সমাধান হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো।

সম্প্রতি ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, ফার্মেসিগুলো ধীরে ধীরে একটি স্টান্ড্যান্ট ফার্মেসিতে রূপান্তরিত করা হবে। মানসম্পন্ন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি হচ্ছে কি না। উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ম্যানুফ্যাক্সিং সঠিকভাবে নিশ্চিত করছে কি না। তা কিন্ত নিময়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

হাত বাড়ালেই অ্যান্টিবায়োটিক, স্বেচ্ছায় হাতুড়ে ডাক্তার এমনকি দোকানির পরামর্শে ভোগাসে অ্যান্টিবায়োটিক গিলছে সাধারণ মানুষ। রেজিস্ট্রার চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটি সম্পূর্ণরূপে ফার্মাসিতে বিক্রি বন্ধ করা না গেলে, আগামীতে সাধারণ হাঁচি কাশিতেও মৃত্যুর ঘটনা বাড়বে বলে আশঙ্কা ওষুধ বিশেষজ্ঞদের।

এই বিভাগের আরো খবর