শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১২ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
কোন সিপাহির বাঁশির হুইসেলে এদেশ স্বাধীন হয়নি - শ.ম রেজাউল করিম নাসিরুদ্দিন শাহ ও অনুপম খেরের বাকযুদ্ধ আকাশ থেকে মোবাইলে পদ্মাসেতুর ছবি তুললেন প্রধানমন্ত্রী চীনের রহস্যময় ভাইরাস বাদুড় ও সাপ হয়ে মানবদেহে! `শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি` এত গুণ পুদিনা পাতার? হাঁসের মাংসের কালিয়া দেশ গঠনে ক্যাডেটদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে-সেনাপ্রধান মুজিববর্ষ ঘিরে বিদেশিদের মধ্যেও আগ্রহ বাড়ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পাখি মেলা শিগগিরই মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরকে পেছনে ফেলবো: অর্থমন্ত্রী শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য মানবসম্পদ তৈরি: শিক্ষা সচিব মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই আ’লীগ কাজ করে যাবে-শেখ হাসিনা সোলেইমানি হত্যার নিন্দা জানানোয় কসোভোতে নারীর কারাদণ্ড বরিশাল বোর্ডে এসএসসিতে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ২১ শতাংশ টুঙ্গিপাড়া যাত্রায় টোল পরিশোধ করলো আওয়ামী লীগ বিক্ষোভে জনসমুদ্র বাগদাদ, স্লোগানে কাঁপছে রাজপথ বিএনপি ভোট কারচুপির রাজত্ব সৃষ্টি করেছিল বলেই ইভিএম আনা হয়েছে পাকিস্তানকে ১৪২ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ বৈশ্বিক স্বাস্থ্যে এখনো ঝুঁকি নয় করোনা ভাইরাস: ডব্লিউএইচও
৭৪

আখেরাতের জীবন চিরস্থায়ী

প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর ২০১৯  

 

দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী। দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবন একই সঙ্গে মানুষের পরীক্ষার কালও। এ জীবনে যারা আল্লাহ ও রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশিত পথে চলবে তাদের আখেরাতের অফুরন্ত জীবনে জান্নাতদ্বারা পুরস্কৃত করা হবে। পক্ষান্তরে যারা ব্যর্থ হবে তাদের পেতে হবে জাহান্নামের শাস্তি। ইসলামী শরিয়তের পরিভাষা- মানুষের মৃত্যুর পরমুহূর্ত যে অনন্ত জীবনের শুরু, যার কোনো শেষ নেই তাকেই আখেরাত বলে। আখেরাতের দুটি পর্যায়। ‘আলমে বরজখ’ অর্থাৎ মানুষের মৃত্যুর পর থেকে কেয়ামত পর্যন্ত লোকচক্ষুর অন্তরালে যে মধ্যবর্তী সময় রয়েছে তাকে ‘আলমে বরজখ’ বলা হয়।

আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে ‘কেয়ামত’ বা পুনরুত্থান বা বিচার দিবস। কেয়ামতের আরও একটি স্তর হচ্ছে বিচারের পর শেষ আবাসস্থল। পৃথিবী লয়ের মাধ্যমে আল্লাহ ছাড়া আর সবকিছুই ধ্বংস হয়ে যাবে। অতঃপর আল্লাহরই নির্দেশে এক নতুন জগৎ তৈরি হবে। প্রতিটি মানুষ পুনর্জীবন লাভ করে আল্লাহর দরবারে হাজির হবে। দুনিয়ার জীবনে সে ভালো-মন্দ যা কিছুই করেছে, তার হিসাব-নিকাশ সেদিন তাকে দিতে হবে আল্লাহর দরবারে। একে বলা হয়েছে বিচার দিবস। এ দিবসের একচ্ছত্র মালিক ও বিচারক স্বয়ং আল্লাহ। তাঁর সঙ্গে কেউ কথা বলার সাহস করবে না। তিনি যাকে অনুমতি দেবেন কেবল তিনিই সেদিন কঠিন মুহূর্তে সুপারিশ করতে পারবেন। আলমে বরজখ, কবর, হাশর, বিচারব্যবস্থা, পুলসিরাত পর্যায়ক্রমে শেষ হওয়ার পর সর্বশেষ পরিণতি জান্নাত বা জাহান্নাম। আর এটাই শেষ ঠিকানা। আখেরাতের জীবন সম্পর্কে আল কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, ‘আর তোমরা সেদিনের ভয় কর যেদিন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোনো সুপারিশও কবুল হবে না, কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেওয়া হবে না আর তারা কোনোরকম সাহায্যও পাবে না।’ সূরা বাকারা, আয়াত ৪৮।

আখেরাতের জীবনে প্রতিটি বান্দাকে তার স্রষ্টা আল্লাহর কাছে দুনিয়ার জীবনের জন্য জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হবে। এ জবাবদিহিতে তারাই উতরে যাবে যারা দুনিয়ার জীবনে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য প্রদর্শন করেছে। যারা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশিত পথে চলে আখেরাতের জীবনের মূলধন সঞ্চয় করেছে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে আখেরাতের জীবনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার তৌফিক দান করুন।

এই বিভাগের আরো খবর