রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০   চৈত্র ১৪ ১৪২৬   ০৪ শা'বান ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ ভোলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে নৌ-বাহিনীর টহল পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না : প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই খালেদা জিয়াকে মুক্তির সিদ্ধান্ত করোনা ছোঁয়াচে, এক মিটার দূরত্বে থাকার পরামর্শ টিসিবি-ভোক্তা অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে ১০ দিন গণপরিবহন বন্ধ সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও বন্ধের নির্দেশ সরকারি অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করোনায় আরেকজনের মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ৩৩ ২৫ মার্চ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী সতর্কীকরণে বাংলাদেশ সুনাম অর্জন করেছে: প্রধানমন্ত্রী করোনা আতঙ্কে কলম্বিয়ার কারাগারে সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২৩
২৩৬

আজানের সময় নারীদের মাথায় কাপড় দেয়া: ইসলাম যা বলে

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

অনেকেই আছেন সবসময় মাথায় কাপড় দেন না। কিন্তু আজানের সময় মাথায় কাপড় দেন। আজান শেষ হলে মাথার কাপড় নামিয়ে ফেলেন। 

জিজ্ঞেস করলে বলেন আজানের সময় মাথায় কাপড় না দিলে শয়তান চুলের ফাঁকে এসে আশ্রয় নেই। এ কথা কতটুকু সত্য; এ সম্পর্কে ইসলামের বক্তব্য নিচে তুলে করা হলো-

নারীদের মাথা ঢেকে রাখা এবং মাথায় কাপড় দেয়া আজান সংশ্লিষ্ট বিষয় নয়। বরং নারীদের মাথায় কাপড় সব সময় থাকা উচিত। কেননা মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘তারা যেন তাদের জিলবাবের কিয়দংশ নিজেদের ওপর টেনে দেয়।‘জিলবার অর্থ হাত, পা, মাথা,সমস্ত শরীর ডেকে রাখার মতো কাপড়। (সূরা : আহজাব, আয়াত : ৫৯)।

পবিত্র কোরআনের দৃষ্টিতে নারীদের পর্দা বা হিজাবের বিধান বর্ণনা করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, শুধুমাত্র লম্বা চাদর বা আবরণ যথেষ্ট নয় বরং মুমিন কন্যা ও নারীরা এমন পোশাক পরিধান করবে যাতে চুলসহ তাদের সমস্ত শরীর ঢেকে থাকে। শরীর বা চুলের কোনো অংশ বাইরে বের করে রাখা যাবে না।  পোশাক পরিধান করলে তোমরা পবিত্র আত্মার নারী হিসেবে চিহ্নিত হবে এবং দুষ্ট লোকদের দ্বারা নিপীড়ন বা উত্যক্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। কোনো খারাপ লোক পুরো শরীর আবৃত কোনো নারীর সম্মানহানি করতে যাবে না।

(১) হিজাবের উদ্দেশ্য হচ্ছে কুদৃষ্টি, ইভটিজিং ও মর্যাদা হানিকর আচরণ থেকে নারীকে রক্ষা করা। কাজেই হিজাব নারীর জন্য কিছুটা সীমাবদ্ধতা তৈরি করলেও এটি তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

(২) আল্লাহ তায়ালা ও তার রাসূলের নির্দেশ হচ্ছে  ইসলামি সমাজে সবার পবিত্রতা ও সম্মান রক্ষা করা। এই নির্দেশ পালনের জন্যই নারীকে ঘর থেকে বাইরে বের হলে উপযুক্ত পোশাক পরিধান করতে হবে। 

(৩) ইসলাম নারীকে ঘরের মধ্যে পুরোপুরি আটকে থাকতে বলেনি। বরং হিজাব পরিধান করে তারা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন।

আর নারীরা আজানের সময় যেভাবে মাথা ঢেকে নেন, এটা মূলত আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। যদি কোনো নারীর বাসা-বাড়িতে অসতর্কাবস্থায় মাথায় কাপড় না থাকে। তবে আজানের সময় সে যদি সতর্ক হয় এবং মাথায় কাপড় টেনে নেয়। তাহলে এটা ঈমান ও আল্লাহভীতির পরিচায়ক। 

কেননা আজান আল্লাহ তায়ালার বড়ত্ব ও মহত্ত্বসংবলিত কিছু বাক্যের সমষ্টি। যা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ‘শিআর’ তথা প্রতীক। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘কেউ আল্লাহর প্রতীকে সম্মান প্রদর্শন করলে সেটা তো তার হৃদয়ের খোদাভীতিপ্রসূত।’ (সূরা : হজ, আয়াত : ৩২)।

এই বিভাগের আরো খবর