• বৃহস্পতিবার   ২২ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৭

  • || ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
বিপদে নিজেদের একা ভাববেন না: আইনমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৪, শনাক্ত ১৫৪৫ মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল ১২ বছরের ব্যর্থতার জন্য বিএনপির নেতৃত্বের পদত্যাগ করা উচিত বিদেশে পালালেও এসআই আকবরকে ফিরিয়ে আনা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিপত্র জারি : ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২১, শনাক্ত ১৬৩৭ জনগণের ভাষা বুঝে না বলেই বিএনপি ব্যর্থ: কাদের ৭ কার্যদিবসেই শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, আসামির যাবজ্জীবন ২৫ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করবে টিসিবি: বাণিজ্যমন্ত্রী পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ৩০ অক্টোবর সরকারের আশ্বাসে ইন্টারনেট-ডিশ সংযোগ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত স্থগিত ইন্টারনেট-ক্যাবল টিভি বন্ধের সিদ্ধান্ত স্থগিত করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১২০৯ ৬০ মিশনে দূতাবাস অ্যাপ চালু করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সঠিক পথেই হাঁটছে: তাজুল ইসলাম করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬০০ টাঙ্গাইলে গণধর্ষণ মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ভূমিহীনদের ২ শতাংশ জমি দেয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে সমুদ্র থেকে বাংলাদেশি ৭ জেলে উদ্ধার

ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির দায়ে দর্জির ৭ বছরের কারাদণ্ড

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২০  

ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মামলায় পিরোজপুরে সুজন দে নামের এক দর্জির সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আশ-শামস জগলুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। 

এর আগে আসামি সুজন দে-কে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামিম আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি সুজন দে'র বাড়ি পিরোজপুর জেলায়। তিনি টেইলারের দোকানে দর্জির কাজ করতেন। ২০১৭ সালের ২০ মে আসামি সুজন তার ফেইসবুক আইডি থেকে রাসূল (সা.), ইসলাম ও ইসলাম ধর্মকে নিয়ে কটূক্তি করে স্ট্যাটাস দেন, যা ধর্ম অনুভূতিতে আঘাত হানে। ওই ঘটনায় রাঙ্গামাটির জেলার লংগদু থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক সালাউদ্দিন সেলিম মামলাটি দায়ের করেন। 

২০১৭ সালের ৩০ আগস্ট সুজন দে'র বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ওই বছরের ২৬ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। মামলায় বিচার চলাকালে বিভিন্ন সময়ে সাতজন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।