শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
সভাপতির পদ ছাড়া যেকোনো পদে পরিবর্তন হতে পারে : কাদের ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক চিরকালীন: রীভা গাঙ্গুলী সৌম্যের ফিফটিতে ভুটানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ বিএনপি বিশৃঙ্খলা করলে আওয়ামী লীগও প্রস্তুত: কাদের চাল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : কৃষিমন্ত্রী দেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলছে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপিপন্থিদের হট্টগোল কলঙ্কজনক-আদালত অবমাননা অন-অ্যারাইভাল ভিসাসহ বাংলাদেশ-ভারতের নৌপথে খুলছে অনেক জট ‘বিশ্বসুন্দরী’র রোমান্টিক গান নিয়ে হাজির সিয়াম-পরী মেয়েদের রৌপ্য, বাকী জিতেছেন ব্রোঞ্জ আইনজীবী তালিকাভুক্তি নিবন্ধন পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি পদক পাচ্ছেন ডিজিসহ বিজিবির ৬০ সদস্য আখেরাতের জীবন চিরস্থায়ী ডাক ও টেলিযোগাযোগের নতুন সচিব নূর-উর রহমান মানুষের রক্ত চুষে বড় লোক হবেন না: রাষ্ট্রপতি অপরাধীদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই: ওবায়দুল কাদের ২০২৫ সালের মধ্যে ভোলা-বরিশাল ব্রীজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা সরকারিভাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন ফ্রি পাবে মেয়েরা হ‌লি আ‌র্টিজান মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ
৬২

উপকূলে বাংলাদেশের হাতে থাকবে রাডারের নিয়ন্ত্রণ

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০১৯  

 

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় রাডার স্থাপন নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানো হয়েছে। কিছু মানুষ এতে বিভ্রান্তও হয়েছে। এর কারণ হলো বেশিরভাগ মানুষ বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ঘোষণাটি পড়েই দেখেনি। 

বেশিরভাগ মানুষ এই বিষয় নিয়ে অপপ্রচারমূলক লেখা এবং খবরগুলো বেশি দেখেছে। এর কারণ হলো বাংলাদেশ বিরোধী একটি গোষ্ঠী এবং কিছু জ্ঞানপাপীরা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্যই পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দিয়ে সবার কাছে সুনিপুণভাবে মিথ্যা তথ্য পৌঁছে দিয়েছে।

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় রাডার স্থাপন নিয়ে Joint Statement বা বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ঘোষণায় কী বলা আছে? চলুন দেখে নিই :

(Both Prime Ministers welcomed the initiatives for development of closer Maritime Security Partnership, and noted the progress made in finalization of an MoU on Establishment of Coastal Surveillance Radar System in Bangladesh and encouraged both sides for early signing of the MoU.)

এর অর্থ হলো- আমরা মূলত ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় স্থাপনের জন্য রাডার কিনব এবং মজার ব্যাপার হলো আমরা ভারতের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে এই রাডারগুলো কিনব এবং স্থাপন করব। আমাদের এককালীন পুরো টাকাও দিতে হবে না। আমরা কিস্তিতে এই টাকা পরিশোধ করব। পুরো Surveillance Radar System বাংলাদেশেই বসবে এবং বাংলাদেশের হাতেই থাকবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী এই রাডারের মাধ্যমে আমাদের উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি করবে।

আমরা যেমন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট তৈরি করতে ফ্রান্সের সহযোগিতা নিয়েছি এবং উৎক্ষেপণ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা নিয়েছি কিন্তু স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ এবং মালিকানা আমাদের হাতেই আছে। একইভাবে মেট্রো রেল তৈরি করতে জাপানের ঋণ নিচ্ছি এবং তাদের প্রযুক্তি কিনছি কিন্তু মেট্রোরেল তো আমরাই ব্যবহার করব। চীনের কাছ থেকে সাবমেরিন কিনেছি এবং সাবমেরিন পরিচালনায় চীনের সহযোগিতা নিয়েছি কিন্তু সাবমেরিনের মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশেরই আছে। বাংলাদেশের নৌবাহিনী নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহার করছে এই সাবমেরিনগুলো। একইভাবে ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় স্থাপনের জন্য আমরা রাডার কিনব এবং এগুলো স্থাপনে তাদের সহযোগিতা নিব।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বা মেট্রো রেল বা চীনা সাবমেরিনের মতো বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় স্থাপিত রাডারগুলো বাংলাদেশই নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ব্যবহার করবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী এই রাডারগুলো দিয়ে নজরদারির মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকায় আমাদের নিরাপত্তা সুরক্ষার করবে।

লেখক :
অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত
চেয়ারম্যান, সুচিন্তা ফাউন্ডেশন