মঙ্গলবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১২ ১৪২৬   ০১ রজব ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
রিফাত হত্যা মামলার আসামি সিফাতের বাবা গ্রেফতার কুষ্টিয়ায় জগো বাহিনীর প্রধানের ফাঁসি, ১১ জনের যাবজ্জীবন এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ করোনামুক্ত: আইইডিসিআর লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালন করতে বললেন রাষ্ট্রপতি নাঈমুল আবরার হত্যা : ৪ আসামিকে গ্রেফতারের নির্দেশ আইন মেনেই বিদেশি কম্পানিকে এদেশে ব্যবসা করতে হবে- প্রধান বিচারপতি অপ্রাপ্তবয়স্ক চার কোটি নাগরিককে এনআইডি দেবে ইসি বাকি এক হাজার কোটি টাকা তিন মাসের মধ্যে দিতে গ্রামীণফোনকে নির্দেশ পতাকার মর্যাদা ধরে রাখতে সেনা সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান জুয়ার আসর থেকে আটক ২৬ দুই ইউনিভার্সিটিকে ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা দৃশ্যমান পদ্মা সেতুর পৌনে চার কিলোমিটার সারা দেশে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ইংরেজি উচ্চারণে বাংলা বলার সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর উন্নত দেশ গড়তে বেসরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুজিববর্ষে বিএনপিকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে: কাদের ভণ্ডপীরসহ ৯ জনের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রী সব সময় শিক্ষাকে গুরুত্ব দেন: পরিকল্পনামন্ত্রী মুজিব বর্ষে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে: শিল্প প্রতিমন্ত্রী আসন্ন সেচ মৌসুমে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা নেই : বিদ্যুৎ বিভাগ
৮৭৫

কোরবানির কিছু জরুরি বিধান

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০১৯  

প্রত্যেক মুসলমানদের উপর কোরবানির কিছু জরুরি বিধান রয়েছে ঃ

(১) কোনো ব্যক্তি যদি পশু কেনার করার সময় শরিক না নেয়ার ইচ্ছা থাকে, পরবর্তীতে শরিক নিতে চায়, তাহলে ক্রেতা গরিব হলে শরিক নিতে পারবে না, ধনী হলে পারবে।

(২) যার সব উপার্জন বা অধিকাংশ উপার্জন হারাম, তাকে শরিক হিসেবে নিলে অন্যদের কোরবানিও নষ্ট হয়ে যাবে।

(৩) যদি কোরবানির পশু কেনার সময় সব অংশীদারের ওয়াজিব কোরবানি আদায় করার নিয়ত থাকে, তাহলে পশু খরিদ করার পর ৭ জন পর্যন্ত নতুন অংশীদার নেয়া যাবে। কিন্তু যদি তাদের মধ্য থেকে একজন নফল কোরবানি করার ইচ্ছা করেন, তাহলে আর অতিরিক্ত শরিক নেয়া যাবে না।

তাই শরিক নেয়ার বিষয়টি পশু খরিদ করার আগেই চূড়ান্ত করে নেয়া উচিত।

ঋণ করে কোরবানি করা

কোনো ব্যক্তির ওপর সম্পদের হিসাবে কোরবানি করা ওয়াজিব। কিন্তু তার কাছে নগদ অর্থ নেই, আবার সে কোরবানির জন্য সম্পদ বিক্রিও করতে চায় না, তাহলে সে প্রয়োজনে ঋণ করে হলেও কোরবানি করবে। যেমন সে তার অন্য প্রয়োজনে ঋণ করে থাকে।

মৃত ব্যক্তির নামে কোরবানি

মৃত ব্যক্তির নামে কোরবানি করা জায়েজ আছে। এটি হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তি সওয়াবের অধিকারী হবেন এবং এ কোরবানির গোশত সাধারণ কোরবানির মতো যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারবে- খেতেও পারবে আবার দানও করতে পারবে।

তবে কোরবানি যদি মৃত ব্যক্তির ওসিয়তের ভিত্তিতে হয়, তাহলে সে কোরবানির গোশত কোরবানিদাতার ওপর খাওয়া জায়েজ নয়, বরং তা সদকা করে দিতে হবে।

জীবিত মানুষের নামে কোরবানি

জীবিত মানুষ একজন অপরজনের পক্ষ থেকে কোরবানি করলে কোরবানি শুদ্ধ হয় এবং যার পক্ষ থেকে করা হয়েছে, সে তার সওয়াব পেয়ে যায়। আর যদি তার নির্দেশক্রমে হয়, তাহলে তার ওয়াজিব কোরবানি আদায় হয়ে যায়।

এই বিভাগের আরো খবর