• বুধবার   ০৮ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৪ ১৪২৬

  • || ১৪ শা'বান ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
যারা সাহায্য চাইতে পারবে না তাদের তালিকা করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী দেশে করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ১৬৪ কারাগারে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদ বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদ আদালতে বঙ্গবন্ধু হত্যা: আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদ গ্রেফতার চিকিৎসকরা কেন চিকিৎসা দেবে না, এটা খুব দুঃখজনক : প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন জেলখাটা আসামিদের মুক্তির নীতিমালা করার নির্দেশ রমজানে সরকারি অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন হলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: অর্থমন্ত্রী করোনা: ৭৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা না দিলেই ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতি উপজেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আজ থেকে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সেনাবাহিনী মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনা করছে বিএনপি : কাদের দেশে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২৬ জন সুস্থ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে সরকার বিবেচনা করবে: সেনাপ্রধান করোনায় খাদ্য ঘাটতি হবে না : কৃষিমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখ‌ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কনফারেন্স পিপিই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১২২

গভীর সাগরে ছোট দ্বীপে পাখি আর লাল কাঁকড়ার সৌন্দর্য‌্য

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০১৯  

চারদিকে সাগরের অথৈ জলরাশি। পশ্চিম দিকে নানা রঙের হাজারো অতিথি পাখি আর পানকৌড়ির কলতানে মুখরিত, নেই মানুষের কোলাহল। পূর্ব দিকে হাজার হাজার লাল কাকড়ার মহাসমাবেশ। কোথাও শুধু ধু ধু বালুচর।

জায়গাটি পটুয়াখালীর কলাপাড়ার চরবিজয়ের। এই সেদিন, ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকের গভীর সমুদ্রে এ চরের সন্ধান পায় পর্যটন ব্যবসায়িরা।

প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি লোকালয়ের অনেকটা দূরে বঙ্গোপসাগারের গভীরে বুকের ভেতরে। ছোট ভূখণ্ডে পর্যটক আর মৎস‌্যজীবী ছাড়া মানুষ নেই, বসতি নেই,নেই বাড়ি-ঘর, এমনকি নেই গাছও। সমুদ্রের মাঝে সূর্যের আলোর চিকচিক দৃশ্যের সাথে ঢেউয়ের খেলা। রয়েছে এই একই স্থানে দাড়িয়ে সুর্য উদয় ও অস্ত যাওয়া দৃশ‌্য দেখার সুযোগ।

প্রায় ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও দেড় কিলোমিটার প্রস্থ এ চরটি। তখন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন পর্যটকদের কাছে চরটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে বাগান তৈরি করতে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২ হাজার চারা রোপন করেন। এসময় জাতীয় পতাকা ও সাইনবোর্ড টানিয়ে চরের নামকরণ করেন ‘চর বিজয়’।

 

তবে জেলেসহ স্থানীয়দের কাছে এ চরটি হাইরের চর নামেও পরিচিত। কুয়াকাটা সৈকত থেকে ট্যুরিস্ট বোট নিয়ে মাত্র দেড় ঘণ্টায় পৌঁছানো যায় এ চরটিতে।

জেলেরা জানান, বর্ষা মৌসুমের ছয় মাস চরটি সাগরের পানিতে হাঁটু পরিমাণ ঢাকা থাকে। আবার শীত মৌসুমে উঁকি দেয়। এসময় ছোট ছোট ডেরা তৈরি করে শুঁটকি করার জন্য দুই তিন মাস এ চরে অবস্থান নেয় জেলেরা।

 জেলেদের জাল দিয়ে চরে মাছ শিকার। সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের সময় চরটিতে অপরূপ দৃশ্য আর ঢেউয়ের শব্দ, অগণিত অতিথি পাখির কিচির মিচির ও লাল কাঁকড়াদের বর্ণিল আলপনা অসাধারন। ’

চর বিজয়ের নামকরণকারীদের একজন ট্যুরিজম ব্যবসায়ি হোসাইন আমির বলেন, ‘সমুদ্রের মাঝে জেগে ওঠা চরটি ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর বিজয়ের এই মাসে আবিষ্কার হয়েছে। তাই এ চরটির নামকরন করা হয় চর বিজয়। ’

 সম্ভাবনাময় এই চরটি ইতোমধ্যে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের দৃষ্টি কেড়েছে। দিন দিন বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা।

কুয়াকাটা পৌর মেয়র আ. বারেক মোল্লা বলেন, এ চরটিতে শৌচাগার, পিকনিক স্পট, সুপেয় পানির ব্যবস্থাসহ ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করা প্রয়োজন। কিন্তু পৌরসভার বাইরে হওয়ায় এসব কাজ করা যাচ্ছেনা। তবে এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। ‘

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমান জানান, চর বিজয় অতিথি পাখিদের অভয়ারণ‌্য একটি দ্বীপ। এটি রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপ রয়েছে।