• রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৯ ১৪২৭

  • || ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৯, শনাক্ত ১০৯৪ ব্যারিস্টার রফিক-উল হক মারা গেছেন সারা দেশের নৌ ধর্মঘট প্রত্যাহার করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৯৬ বিপদে নিজেদের একা ভাববেন না: আইনমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৪, শনাক্ত ১৫৪৫ মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল ১২ বছরের ব্যর্থতার জন্য বিএনপির নেতৃত্বের পদত্যাগ করা উচিত বিদেশে পালালেও এসআই আকবরকে ফিরিয়ে আনা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিপত্র জারি : ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২১, শনাক্ত ১৬৩৭ জনগণের ভাষা বুঝে না বলেই বিএনপি ব্যর্থ: কাদের ৭ কার্যদিবসেই শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, আসামির যাবজ্জীবন ২৫ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করবে টিসিবি: বাণিজ্যমন্ত্রী পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ৩০ অক্টোবর সরকারের আশ্বাসে ইন্টারনেট-ডিশ সংযোগ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত স্থগিত ইন্টারনেট-ক্যাবল টিভি বন্ধের সিদ্ধান্ত স্থগিত করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১২০৯ ৬০ মিশনে দূতাবাস অ্যাপ চালু করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

গুগল ডুডলে স্মরণ প্রথম বাঙালি মুসলিম নারী চিকিৎসককে

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২০  

বিশেষ দিন এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে গুগল সার্চের মূল পাতায় ডুডল প্রকাশ করে আসছে গুগল। আজ গুগলে প্রবেশ করলেই দেখা যাচ্ছে বিশেষ একটি ডুডল। এতে গুগলের অক্ষরগুলোকে সাজানো হয়েছে বিশেষভাবে। যেখানে দেখা যাচ্ছে গায়ে জড়ানো হলুদ রংয়ের একটি পোশাক, গলায় স্টেথসস্কোপ এবং মাথার উপর গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে আছেন একজন নারী। 

এই নারী হলেন প্রথম বাঙালি মুসলিম নারী চিকিৎ‍সক জোহরা বেগম কাজী। তার জন্মদিন আজ। ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর অবিভক্ত ভারতের মধ্য প্রদেশের রাজনান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার স্মরণেই ডুডল করলো গুগল। 

ডা. জোহরা বেগম কাজীর বাবার নাম ডাক্তার কাজী আব্দুস সাত্তার ও মায়ের নাম মোসাম্মদ আঞ্জুমান নেসা। তার আদি পৈত্রিক নিবাস বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানার গোপালপুর গ্রামে।

১৯৩৫ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করার পর জোহরা বেগম কাজী কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর ঢাকা এসে ১৯৪৮ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে যোগ দেন।  ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় অবসর সময়ে তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে অনারারি কর্ণেল হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন। মিডফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি গাইনোকোলজি বিভাগের প্রধান ও অনারারি প্রফেসর ছিলেন। 

১৯৭৩ সালে চাকরি থেকে অবসর নেবার পর বেশকিছু বছর হলিফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে কনসালটেন্ট হিসাবে চিকিৎ‍সা সেবা প্রদান করেন। পরবর্তীকালে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেলে অনারারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক এবং তখমা-ই-পাকিস্তানী অর্জন করেন।

২০০৭ সালের ৭ নভেম্বর মৃত্যু্বরণ করেন ডাক্তার জোহরা বেগম কাজী।