• সোমবার   ২১ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ৭ ১৪২৮

  • || ১০ জ্বিলকদ ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
মঙ্গলবার থেকে সাত জেলায় লকডাউন, বন্ধ গণপরিবহন সেনাবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে ঘর পেল ৫৩ হাজার অসহায় পরিবার, বিশ্বে নজিরবিহীন বিশ্ব শান্তি সূচকে সাত ধাপ এগোলো বাংলাদেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি বিধিনিষেধ বাড়লো আরো এক মাস দেশের উন্নয়নে যেন কোনোভাবেই সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় রাষ্ট্রপতি কাজাখ রাজধানীতে ওআইসি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিবেন এসএসএফের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী একটা করে বনজ, ফলজ ও ভেষজ গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী করোনায় কোনো রকম রিস্ক না নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী এয়ার মার্শাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরলেন নতুন বিমানবাহিনী প্রধান স্কুল-কলেজে ছুটি আবার বাড়ল গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস ১১ জুন মডেল মসজিদের মাধ্যমে ইসলামের মর্মবাণী বুঝবে মানুষ ইসলাম আমাদের মানবতার শিক্ষা দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী খুন করে কি বেহেশতে যাওয়া যায়, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন ‘লেবাস নয়, ইনসাফের ইসলামে বিশ্বাস করি’ একযোগে ৫০ মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী করোনা থেকে রক্ষা পেতে সকল রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে

দক্ষিণ কোরিয়ার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৮ মে ২০২১  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী কিম বু-কিয়ামকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার এক অভিনন্দন বার্তায় বলেন, তিনি আশাবাদী যে, কিম তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সফলভাবে তার দেশকে বৃহত্তর শান্তি ও সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পারস্পরিক বিশ্বাস, শান্তির প্রতি দৃঢ় প্রত্যয়, সুরক্ষা এবং সকলের জন্য সমৃদ্ধি দ্বারা প্রকাশিত। তিনি কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সাথে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমুখী সম্পর্কের গভীরতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও জোরদার হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি আমাদের বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতার যে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে তাকে বৃহত্তর বাণিজ্য, বিনিয়োগ, মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং কারিগরি সহযোগিতার জন্য দুই দেশের জনগণের স্বার্থে কাজে লাগনো যেতে পারে।’

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অবকাঠামো এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে কোরিয়ার বিনিয়োগকে উৎসাহিত করেন। তিনি জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষিণ কোরীয় সরকারের সহযোগিতায় গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি বিভিন্ন আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিষয়ে কোরিয়া সরকারের সঙ্গে তাঁর সরকারের নিবিড়ভাবে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে দ্রুত, নিরাপদ এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করে এই অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার জন্যই এটি জরুরী বলে উল্লেখ করেন। 

শেখ হাসিনা বলেন, ঝুলে থাকা সমস্যাটি এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের কারণ হতে পারে। তিনি বিভিন্ন ফোরামে বিশেষ করে জাতিসংঘে কোরিয়ার অব্যাহত সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তিনি সুবিধাজনক সময়ে কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান।