• বৃহস্পতিবার   ২৪ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ১০ ১৪২৮

  • || ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জনগণের ভাগ্য নিয়ে যেন কেউ না খেলে: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে ফের বিশ্ব নেতাদের সহযোগিতা কামনা আজ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৪ জুন শর্তসাপেক্ষে কক্সবাজারে খুলছে হোটেল পরিকল্পিতভাবেই এগোচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী আগামী মাস থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ২০ হাজার টাকা: মন্ত্রী মঙ্গলবার থেকে সাত জেলায় লকডাউন, বন্ধ গণপরিবহন সেনাবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে ঘর পেল ৫৩ হাজার অসহায় পরিবার, বিশ্বে নজিরবিহীন বিশ্ব শান্তি সূচকে সাত ধাপ এগোলো বাংলাদেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি বিধিনিষেধ বাড়লো আরো এক মাস দেশের উন্নয়নে যেন কোনোভাবেই সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় রাষ্ট্রপতি কাজাখ রাজধানীতে ওআইসি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিবেন এসএসএফের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী একটা করে বনজ, ফলজ ও ভেষজ গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী করোনায় কোনো রকম রিস্ক না নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী এয়ার মার্শাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরলেন নতুন বিমানবাহিনী প্রধান স্কুল-কলেজে ছুটি আবার বাড়ল গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস ১১ জুন

দেশে তৈরি মোবাইলে মিটবে চাহিদা, কারখানা আনছে নকিয়া

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৮ মে ২০২১  

দেশে বর্তমানে মোবাইল ফোনের যা চাহিদা তার ৮২ শতাংশের বেশি দেশেই তৈরি হচ্ছে। এরমধ্যে হাইএন্ডের ফোনও আছে।  এমনকি দেশে এখন ফাইভ-জি ফোনও তৈরি হচ্ছে।  অবশিষ্ট ১৮ শতাংশ মোবাইল ফোন আমদানি হলেও উৎপাদক, আমদানিকারক, নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্টরা দেশে তৈরি মোবাইলের ওপরই আস্থা রাখতে চাইছেন।  সরকার আশা করছে, কম্পিউটারের মতো কর সুবিধা মোবাইল ফোনকে দিলে আগামী ২ বছরের মধ্যে এই শিল্প শক্ত ভিত পাবে।  কোনও ফোনই তখন আর আমদানি করতে হবে না। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশে এখন মোট চাহিদার ৮২ ভাগেরও বেশি মোবাইল ফোন দেশেই তৈরি হচ্ছে।  স্থানীয় মোবাইলের মার্কেট শেয়ার ৬২ শতাংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন।  তিনি বলেন, ওয়ালটন যুক্তরাষ্ট্রে মোবাইল রফতানি করছে। নেপালেও বাংলাদেশি মোবাইলের চাহিদা বেশ।

দেশে মোবাইল তৈরি কারখানার লাইসেন্স ১৩টি প্রতিষ্ঠান পেয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৯ থেকে ১০টি প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে আছে।  নকিয়া লাইসেন্স পেয়েছে, অপোও চলে আসবে।  আশা করি, শাওমি এবং মটোরোলাও এ বছরের মধ্যে দেশে কারখানা স্থাপন করবে।  যতদূর জেনেছি, এই ব্র্যান্ড দুটি কারাখানা স্থাপনের অনুমতির জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছে।  তাদের মাঠ পর্যায়ের কাজ চলছে এখন।

কম্পিউটারের ওপর শুল্ক ও কর নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) যদি এই মোবাইলের ক্ষেত্রে এই চেঞ্জ করতে পারে তাহলে আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে দেশের মোবাইল শিল্প কম্পিউটারের জায়গা দখল করে নেবে।  দেশে এখনও ফিচার ফোনের ব্যবহারকারী কম উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষ এখনও স্মার্ট ফোন ব্যবহার করাটা শিখে উঠতে পারেনি।  এজন্য দেশে স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা কম।

এদিকে দেশে মোবাইল তৈরির কারখানা স্থাপনের সনদ পেয়েছে ১৩টি প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে উৎপাদনে আছে ৯টি কারখানা। সর্বশেষ সনদ পেয়েছে নকিয়া।  এরমধ্যে ওয়ালটন দেশের বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিশ্বের ৫টি দেশে মোবাইল ফোন রফতানি করছে।  সিম্ফনি ২০২২ সালে রফতানিতে যাবে বলে জানা গেছে।  রফতানিতে সিম্ফনির প্রথম পছন্দ শ্রীলঙ্কা ও ভিয়েতনাম। 

জানা গেছে, ২০২০ সালে দেশে মোবাইল ফোন বিক্রি হয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ ইউনিট।  এরমধ্যে স্মার্ট ফোন ছিল ৯০ লাখ।  সংশ্লিষ্টদের ২০২১ সালেও দেশে ৩ কোটি ২০ লাখ মোবাইল বিক্রি হবে।  এরমধ্যে স্মার্ট ফোনে টার্গেট ধরা হয়েছিলো ১ কোটি ২০ লাখ। এ বছর ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা স্মার্ট ফোন বিক্রির পরিমাণ ১ কোটি ইউনিট হলেই খুশি।  

দেশের মোবাইল কারখানা ও উৎপাদনের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন বলেন, এ বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) দেশে মোবাইল ফোন বিক্রি হয়েছে ৭৫ লাখ।  এর মধ্যে ২০ লাখ হলো স্মার্ট ফোন।  তিনি জানান, দেশে তৈরি ফোনের মধ্যে স্যামসাংয়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।  স্যামসাং ফাইভ-জি ফোনও বাংলাদেশের কারখানায় তৈরি হচ্ছে।  ভিভো ও রিয়েলমি সাশ্রয়ী ক্যাটাগরিতে ভালো করছে।  মোবাইল ফোন রফতানির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রফতানি শুরু হয়নি।  সুষ্ঠু প্রণোদনা ও বন্দর কাঠামো উন্নয়ন ও বৈদেশিক কার্গো পরিবহণ সুবিধা বাড়ালে রফতানি হবে বলে আমরা আশাবাদী।

ওয়ালটন সূত্রে জানা গেছে, ওয়ালটন বর্তমানে বিশ্বের ৫টি দেশে স্মার্ট ও ফিচার ফোন রফতানি করে।  রফতানির শীর্ষে আছে মধ্যম সারির ফোন।

জুনে চালু হচ্ছে নকিয়ার কারখানা?

বহুল প্রত্যাশিত ব্র্যান্ড নকিয়া দেশে কারখানা চালু করতে যাচ্ছে।  এরই মধ্যে কারখানা স্থাপনের জন্য ভাইব্র্যান্ট সফটওয়্যার (বিডি) লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান বিটিআরসি থেকে প্রভিশনাল অ্যাপ্রুভাল পেয়েছে।  প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান রাকিবুল কবির জানান, একই সঙ্গে ভাইব্র্যান্ট সফটওয়্যার (বিডি) লিমিটেড অনুমতি পেয়েছে নকিয়া ব্র্যান্ডের ফোন অ্যাসেম্বিলিং বা উৎপাদনের।  প্রতিষ্ঠানটির টার্গেট জুন মাসের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়া।

জানা যায়, স্মার্ট ফোন তৈরির মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানটি এ দেশে উৎপাদক হিসেবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।  এরইমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি-১ -এ ভবন নির্মাণের কাজ শেষ করেছে।  নকিয়া সূত্রে জানা গেছে, নকিয়া এখনও এনবিআরের অনুমোদন পায়নি।  শিগগিরই পাবে বলে অপেক্ষায় আছে প্রতিষ্ঠানটি।