মঙ্গলবার   ৩১ মার্চ ২০২০   চৈত্র ১৭ ১৪২৬   ০৬ শা'বান ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
করোনায় খাদ্য ঘাটতি হবে না : কৃষিমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখ‌ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কনফারেন্স পিপিই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় সরকার জনগণের পাশে আছে -প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন করোনা সংকটকালে জনগণের পাশে থাকবে আ.লীগ: কাদের আমি করোনায় আক্রান্ত হইনি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত নেই : আইইডিসিআর পদ্মা সেতু‌তে বসলো ২৭তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৫০ মিটার সব পোশাক কারখানা বন্ধের নির্দেশ ভোলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে নৌ-বাহিনীর টহল পবিত্র শবে বরাত ৯ এপ্রিল অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবেন না : প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নিষেধাজ্ঞা অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই খালেদা জিয়াকে মুক্তির সিদ্ধান্ত করোনা ছোঁয়াচে, এক মিটার দূরত্বে থাকার পরামর্শ
৪৪

পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে, ভর্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিয়মে

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

 

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রথমবর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির জন্য এখন থেকে আর পৃথক ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে না। তবে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বতন্ত্রতা বজায় রেখে নির্ধারিত শর্তে শিক্ষার্থী ভর্তি করাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এ বিষয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ১২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্তের পর এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহর সভাপতিত্ব করেন।
কমিশনের খসড়া প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখায় তিন দিন আলাদাভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রচলিত পদ্ধতিতে নিজ নিজ প্রয়োজনীয় শর্ত সংযোজন করে আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় পাওয়া স্কোর বিবেচনায় নিয়ে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করবে।
বৈঠক শেষে জানানো হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আগে যেভাবে প্রথমবর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে, তার প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রেখেই ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বৈঠক শেষে আরও জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পঠন-পাঠন প্রক্রিয়ার ভিন্নতা সত্ত্বেও তাদের ভর্তি পরীক্ষা কেবল এইচএসসি পরীক্ষায় পঠিত বিষয়ের ভিত্তিতেই হয়। বিষয়টি বিবেচনায় রেখে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পরপরই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির দেওয়া সময় অনুযায়ী তাদের নিজ নিজ ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করবে।
ইউজিসি জানায়, কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীদের একটি স্কোর করে দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অভিজ্ঞ ও সিনিয়র শিক্ষকদের নিয়ে কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখার জন্য আলাদাভাবে তিনটি কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি গঠন করা হবে। এই তিন শাখায় তিন দিন আলাদা ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।
পরে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রচলিত পদ্ধতিতে (কিংবা যেভাবে তারা উপযুক্ত মনে করে) তাদের নিজ নিজ প্রয়োজনীয় শর্ত সংযোজন করে আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এবং নতুন করে আর পরীক্ষা না নিয়ে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় পাওয়া স্কোর বিবেচনা করেই ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করবে। তবে এক্ষেত্রে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের বেঁধে দেওয়া স্কোর পাওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে।
প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র থাকবে। ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী অভিন্ন প্রশ্নে পছন্দ করা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে। কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি তাদের পরীক্ষা নেওয়ার সামর্থ্যের অতিরিক্ত আবেদন পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে মেধাক্রমানুযায়ী নিকটতম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক কাউন্সিল বা ভর্তি কমিটি ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় শর্তারোপ করার সুযোগ পাবে। বিশেষায়িত বিভাগগুলো (যেমন— স্থাপত্য, চারুকলা ও সংগীত) তাদের প্রয়োজনমতো শুধু ব্যবহারিক পরীক্ষা নিতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার স্কোর সংযুক্ত করেই মেধা তালিকা তৈরি করবে।
সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)-সহ ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ইউজিসি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর