• রোববার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৫ ১৪২৭

  • || ০২ সফর ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৩৩ আহমদ শফী কওমি শিক্ষার আধুনিকায়নে ভূমিকা রেখেছেন: প্রধানমন্ত্রী না.গঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৬, শনাক্ত ১৫৯৩ পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক কমানোর চিন্তা: অর্থমন্ত্রী সরকার ওজোনস্তর রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে: পরিবেশ মন্ত্রী শামুকের পাশাপাশি ঝিনুকও সংরক্ষণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪৩, শনাক্ত ১৭২৪ পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম শুরু তুরস্কে বাংলাদেশ চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৬, শনাক্ত ১৮১২ এবার দুদকের মামলায় ওসি প্রদীপ গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রী কাল আঙ্কারায় বাংলাদেশ চ্যান্সেরির উদ্বোধন করবেন ২০২২ সালের মধ্যে ঢাকা-কক্সবাজার সরাসরি ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৪, শনাক্ত ১২৮২ শিক্ষার্থীদের আমরা এক হাজার করে টাকা দেব: প্রধানমন্ত্রী সিনহা হত্যা: জবানবন্দি শেষে কারাগারে চার পুলিশ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৬, শনাক্ত ১৮৯২ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামালের মা আর নেই মসজিদে বিস্ফোরণ: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭
৫৫

পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম শুরু

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০  

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিজেএমসি’র বন্ধ ঘোষিত পাট মিলের শ্রমিকদের পাওনা নগদ ও সঞ্চয়পত্রে পরিশোধের কার্যক্রম সূচনা করেছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

মঙ্গলবার রাজধানীর ডেমরায় করিম জুটমিলে ৩০ জনের হাতে পাওনার চেক ও সঞ্চয়পত্র তুলে দিয়ে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি। 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, করিম জুট মিলের অবসানকৃত এক হাজার ৭৫৯ জন শ্রমিকের পাওনা ১৯২ কোটি টাকা, ৬১২ জন অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকের বকেয়া পাওনা ৩৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, দুই হাজার ৬২৫ জন বদলি শ্রমিকের পাওনা ২৫ কোটি ১১ লাখ টাকাসহ মোট ২৫১ কোটি ৫৮ লাখ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, বিজেএমসির নিয়ন্ত্রণাধীন ২৫টি চালু মিলে কর্মরত সব স্থায়ী শ্রমিকের প্রাচ্যুইটি, পিএফ ও ছুটি নগদায়নসহ গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধার মাধ্যমে চাকরি অবসায়ন করে উৎপাদন কার্যক্রম চলতি বছর ১ জুলাই থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। 

বন্ধ ঘোষিত ২৫টি পাটকলের ২৪ হাজার ৬০৯ জন স্থায়ী কর্মরত শ্রমিকদের পাওনা বাবদ প্রায় চার হাজার কোটি টাকা এবং ২০১৩ সালের পরে অবসরপ্রাপ্ত ১০ হাজার ১০৭ জন শ্রমিকের গ্রাচ্যুইটি, পিএফ ও ছুটি নগদায়ন বাবদ পাওনা প্রায় এক হাজার কোটি টাকাসহ মোট প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা পর্যায়ক্রমে তিনটি অর্থবছরে পরিশোধের প্রস্তাব করা হয়। পরে শ্রমিকদের আর্থিক দুরবস্থার কথা বিবেচনা করে পুরো পাওনা চলতি অর্থবছরে এককালীন পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন-শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর