• সোমবার   ২৫ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪২৭

  • || ০২ শাওয়াল ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জীবন বাঁচাতে জীবিকাও সচল রাখতে হবে: কাদের ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৭৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু আরও ২০ জনের মমতাকে সহমর্মিতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোন মোংলা ও পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত মহাবিপদ সংকেত জারি সকালে, রাতের মধ্যে আসতে হবে আশ্রয় কেন্দ্রে ২ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন আম্পানের আঘাতে ১০ ফুটের অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা আরও ১২৫১ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ২১ জনের আরও ৭ হাজার কওমি মাদ্রাসাকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা পায়রা-মংলায় ৭, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেশে একদিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর নতুন রেকর্ড সমুদ্রসীমায় অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধ করতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী পাঁচ হাজার টেকনোলজিস্ট নিয়োগের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর করোনা সংক্রমণে বাংলাদেশ কিছুটা ভালো অবস্থানে আছে: কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১৪ মৃত্যু, শনাক্ত ১২৭৩ আম্ফান : সমুদ্রবন্দরে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’, সাগরে ২ নম্বর সংকেত আজ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ত্রাণ নিয়ে অনিয়ম করলে দলীয় পরিচয় দিলেও ছাড় হবে না : কাদের স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করলে ঘোর অমানিশা নেমে আসবে : সেতুমন্ত্রী
৮০

বাড়ছে সমুদ্র উপরিভাগের তাপমাত্রা, বিপদের মুখে বাংলাদেশ

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২০  

বঙ্গোপসাগর উপকূলে গত ৬০ বছরে প্রায় ৪ গুণ বেড়েছে সাইক্লোনের সংখ্যা। প্রতিটি ঘূর্ণিঝড় ভয়াবহতায় যোগ করছে নতুন নতুন মাত্রা। কোনোটি এগিয়ে থাকছে ব্যাপকত্বে, কোনোটি আবার গতি বা জলোচ্ছ্বাসে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্রমেই বাড়ছে সমুদ্র উপরিভাগের তাপমাত্রা। এতে দুর্যোগের সংখ্যা ও মাত্রা বাড়ায় বার বার ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৭১ সাল থেকে এ বছরের আম্পান পর্যন্ত গত ৫০ বছরে দেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে ছোটবড় ৩৩টি ঘূর্ণিঝড়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা বলছে, ১৭৯৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত ২২৩ বছরে বঙ্গোপসাগর উপকূলে আঘাত হেনেছে ৭৮টি ঘূর্ণিঝড়।

বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ১৯৬০ সাল পর্যন্ত ১৮১ বছরে যেখানে ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল ৩০টি, সেখানে ১৯৬১ থেকে ২০২০ পর্যন্ত ৬০ বছরে হয়েছে ৪৮টি। এর মধ্যে ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে গত এক বছরেই আঘাত হেনেছে ৩টি ঘূর্ণিঝড়। সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি যার শক্তিও পৌছেঁছে ভয়াবহ মাত্রায়। সমুদ্রের তাপমাত্রা, চাপ ও বায়ুপ্রবাহ স্বাভাবিক মাত্রা অতিক্রম করায় এ ধারা আরো বাড়বে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ গবেষক ড. বিশ্বজিৎ নাথ বলেন, ২.৭ সেন্টি গ্রেড এভারেজে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে বঙ্গোপসাগরে। এটা একটা এলার্মিং বিষয়। আমাদের জন্য ভয়ঙ্কর বিষয়। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও বনায়নের হার কমায় এ ক্ষতি প্রকট হচ্ছে বলে মনে করছেন জলবায়ুবিদরা।

জলবায়ুবিদ ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে এরকম সুপার সাইক্লোন আরো দেখবো। জলবায়ুবিদ ড. আইনুন নিশাত বলেন, উপকূল অঞ্চলে বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, শিলা বৃষ্টি বাড়তে পারে। এসব আমরা ২০ বছর ধরে বলবো। আগামীতে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতির সময়ও কমে যাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করে, উপকূলে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলারও পারামর্শ গবেষকদের।

 

 

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর