• শনিবার   ০৬ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ২১ ১৪২৭

  • || ২২ রজব ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
করোনার টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নে গবেষণা ও বিজ্ঞানের বিবর্তন অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে হত্যাকাণ্ড দুঃখজনক: জয়শঙ্কর ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬১৯ বিএনপি এখন মায়াকান্না করছে: কাদের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৬১৪ সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধ করতে হবে: বনমন্ত্রী ৪ কোটি ডোজ করোনার টিকা সংগ্রহ করা হবে: জাহিদ মালেক ১০ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী মানুষকে খাদ্য সরবরাহ-সময়মতো ভ্যাকসিন দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭, শনাক্ত ৫১৫ মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করেছে বিএনপি: সেতুমন্ত্রী ঢাবির ১২ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার দেশবিরোধী একটি মহল সরকার হটানোর ষড়যন্ত্র করছে: কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮, শনাক্ত ৫৮৫ মুশতাকের মৃত্যুর কারণ তদন্তে বেরিয়ে আসবে: তথ্যমন্ত্রী আজ থেকে ২ মাস ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ প্রেস ক্লাবে চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেসরকারি চিকিৎসা সেবা ব্যয় নির্ধারণ শিগগিরই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাটকা সংরক্ষণে কাল থেকে ৬ জেলায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০৯১ গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারি ২০২১  

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য খাস জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে সরকারি ঘর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার হিসেবে ১০৯১ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পাচ্ছে এসব পাকা ঘর।

‘আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ এই স্লোগান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় যাদের জমি নেই, ঘর নেই তাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারি খাস জমিতে এসব ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

এতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছেন এসব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার।  সদর উপজেলায় ৩২, বিজয়নগরে ১০০, সরাইলে ১০২, নবীনগরে ৪৮৫, নাসিরনগরে ৯১, বাঞ্ছারামপুরে ৬৪, আশুগঞ্জে ৬৮, কসবায় ১০৪ ও আখাউড়ায় ৪৫টি পরিবার পাবেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ঘরগুলো নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এডিসি (রাজস্ব) আশ্রাফ আহমেদ রাসেল জানান, ডিসির পক্ষ থেকে ঘর নির্মাণ কাজ ও নির্মাণের মান তদারকি করা হচ্ছে। আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে সব ঘর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে। শেষ পর্যায়ে বাকী কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

তিনি আরো জানান, জেলার প্রত্যেক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ জমি দিয়ে ঘর তৈরি করে দেয়া হচ্ছে। দুই কক্ষ বিশিষ্ট প্রতিটি আধা পাকা ঘরের নির্মাণ ব্যয় এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। সবগুলো ঘর একই নকশায় হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, প্রথম ধাপে জেলায় ১০৯১টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে ২ শতক জমি ও বসত বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে জেলার সব ভূমি ও গৃহহীনদের এ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে।