• শুক্রবার   ০৫ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪২৭

  • || ২১ রজব ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
করোনার টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নে গবেষণা ও বিজ্ঞানের বিবর্তন অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে হত্যাকাণ্ড দুঃখজনক: জয়শঙ্কর ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬১৯ বিএনপি এখন মায়াকান্না করছে: কাদের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৬১৪ সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধ করতে হবে: বনমন্ত্রী ৪ কোটি ডোজ করোনার টিকা সংগ্রহ করা হবে: জাহিদ মালেক ১০ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী মানুষকে খাদ্য সরবরাহ-সময়মতো ভ্যাকসিন দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭, শনাক্ত ৫১৫ মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করেছে বিএনপি: সেতুমন্ত্রী ঢাবির ১২ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার দেশবিরোধী একটি মহল সরকার হটানোর ষড়যন্ত্র করছে: কাদের করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৮, শনাক্ত ৫৮৫ মুশতাকের মৃত্যুর কারণ তদন্তে বেরিয়ে আসবে: তথ্যমন্ত্রী আজ থেকে ২ মাস ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ প্রেস ক্লাবে চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেসরকারি চিকিৎসা সেবা ব্যয় নির্ধারণ শিগগিরই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাটকা সংরক্ষণে কাল থেকে ৬ জেলায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ

মঙ্গলগ্রহের যেসব স্থানে বাড়ি তৈরি করা যাবে

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা জানিয়েছে, মঙ্গলগ্রহের কোন কোন জায়গায় ভবিষ্যতে মানুষ ঘর-বাড়ি তৈরি করে থাকতে পারবে। জানা গেছে, নাসা এরই মধ্যে বসবাসের জায়গাগুলো নিয়ে একটি মানচিত্রও তৈরি করেছে।

মানুষের বসতি গড়ে তোলার প্রথম শর্ত হলো পানির পর্যাপ্ত জোগান। নাসা দাবি করছে, ওইসব জায়গায় বসতি গড়ে তুললে পানির কোনো অভাব হবে না। এই প্রথম মঙ্গলগ্রহে বসবাসযোগ্য জায়গাগুলোর সন্ধান দিয়েছে নাসা।

নেচার অ্যাস্ট্রোনমি নামের একটি বিজ্ঞানবিষয়ক জার্নালে নাসার প্রকাশিত মানচিত্র জায়গা পেয়েছে। সেই সব জায়গাগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছে তারা।

লাল গ্রহের উত্তর গোলার্ধের মেরু এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি রয়েছে বলে জানিয়েছে নাসা। ওইসব এলাকায় পানি ভূপৃষ্ঠের অনেকটা নিচে নেই। ফলে সেই পানি তুলে আনার কাজটাও সহজ হবে।

পানি বললে অবশ্য ভুল হবে। সেই সব এলাকায় পানি রয়েছে বরফ আকারে। বহু এলাকায় তাপমাত্রার তারতম্যের জন্য পানি মাটির উপরেও বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে নাসা।

নাসার তিনটি মহাকাশযান ‘মার্স ওডিসি’, ‘মার্স রিকনাইস্যান্স অরবিটার' ও ‘মার্স গ্লোবাল সার্ভেয়ার' (এমজিএস) ওইসব এলাকায় পানির সন্ধান দিয়েছে। এই তিন মহাকাশযানের পাঠানো তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই মানচিত্র তৈরি করেছে নাসা।

প্রায় ২০ বছর ধরে এ জায়গাগুলো খুঁজে নেয়ার চেষ্টা করছিল নাসা। ২০১৫ সালের পর থেকে বেশকিছু জায়গা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য হাতে আসে তাদের।

মঙ্গলের উত্তর মেরুর বিস্তীর্ণ এলাকার পানি দিয়ে চাষবাস করাও যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে। সেই পানি থেকে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাস বের করে রকেটের জ্বালানি হিসেবেও কাজে লাগানো যেতে পারে।