• রোববার   ৩১ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪২৭

  • || ০৮ শাওয়াল ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
আগামীকাল ১২টার পরিবর্তে ১১টায় প্রকাশ হবে এসএসসির ফল করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৬৪ পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কি.মি. দৃশ্যমান, বসল ৩০তম স্প্যান পদ্মা সেতুর ৩০তম স্প্যান বসছে আজ একদিনে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার শনাক্ত, মৃত্যু ২৩ জনের বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে দোকান-শপিংমল দেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৫ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত দেশে একদিনে নতুন শনাক্ত ১৫৪১, মৃত্যু ২২ জীবন বাঁচাতে জীবিকাও সচল রাখতে হবে: কাদের ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৭৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু আরও ২০ জনের মমতাকে সহমর্মিতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফোন মোংলা ও পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত মহাবিপদ সংকেত জারি সকালে, রাতের মধ্যে আসতে হবে আশ্রয় কেন্দ্রে ২ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন আম্পানের আঘাতে ১০ ফুটের অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা আরও ১২৫১ করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ২১ জনের আরও ৭ হাজার কওমি মাদ্রাসাকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা পায়রা-মংলায় ৭, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেশে একদিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর নতুন রেকর্ড
৩৮৫

রাজনীতিকে ‘গুডবাই’জানাচ্ছেন খালেদা জিয়া!

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০২০  

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন প্রমাণিত দুর্নীতি মামলায় কারান্তরীণ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এরই অংশ হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে বোন সেলিমা ইসলামের মাধ্যমে কৌশলে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দকে নির্দেশনা দেন সরকারপক্ষ বরাবর তার মুক্তির আবেদন করতে।

বেগম জিয়ার কথানুযায়ী, ১০ মার্চ (মঙ্গলবার) সকালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মানবিক কারণে খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ ও কারাগার থেকে মুক্তি চেয়ে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন ওই আইনজীবী। এরপর থেকেই গুঞ্জন উঠেছে, খালেদা তার অতীত সব অপকর্ম স্বীকার করে রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন। কারণ তার দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে কারামুক্তির ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। যার কারণে অনেকটা অভিমান থেকেই বিএনপির রাজনীতি থেকে নীরবে সরে দাঁড়াতে চান বেগম জিয়া।

দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, দুই বছরেরও অধিক সময় ধরে দুর্নীতি মামলায় কারান্তরীণ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। অথচ এই দীর্ঘসময়েও তার মুক্তি কিংবা দল পুনর্গঠনে মনোনিবেশ করেননি দলের দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উপরন্তু মজেছেন মোটা উৎকোচের বিনিময়ে পদ-মনোনয়ন বাণিজ্যে। এতে দলের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে বিভক্তি ও কোন্দল। এ কারণে খালেদার মুক্তি নিয়ে ডাকা কোন কর্মসূচিতেই উপস্থিত হন না দলীয় নেতাকর্মীরা। আগ্রহ হারিয়েছেন তার আইনজীবীরাও। হতাশ হয়ে ছেড়ে দিয়েছেন আইনি লড়াইও। বিএনপির নেতাসহ তার পরিবারের বাগাড়ম্বরে আস্থা হারিয়ে তাই খালেদা জিয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিজের সব অপকর্মের দায় স্বীকার করে নিতে। এজন্য তিনি ইতোমধ্যে নতিস্বীকার করে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর আইনজীবীর মাধ্যমে দণ্ড মওকুফ ও কারামুক্তির আবেদন করেছেন। তার আবেদনের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

বিএনপির একটি বৃহৎ অংশ বলছে, খালেদা জিয়ার কারামুক্তিতে তারা তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছেন। নিজেদের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছেন দলীয় নেত্রীকে মুক্ত করতে। সে অনুযায়ী দলীয় কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় কেউ সেসব কর্মসূচিতে সাড়া দেয়নি। এজন্য হয়তো দল ও পরিবারের উপর অভিমান করে ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) তার বিরুদ্ধে আনা সব অপরাধের দায় স্বীকার করে রাষ্ট্রপক্ষের কাছে মুক্তির আবেদন করেছেন। তবে রাজনীতি থেকে বিদায় নেবেন কিনা সে ব্যাপারে দলের কাছে কোন তথ্য নেই।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশিষ্টজনরা বলছেন, রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য যে রকম কাঠখড় পোড়াতে হয়, তা করতে হয়নি খালেদাকে। তিনি জিয়ার মৃত্যুর পর বিধবা স্ত্রী হিসেবে দলের ঐক্য বজায় রাখার জন্য এবং পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মধ্যস্থতায় বিএনপির শীর্ষ পদে আসীন হন। এ কারণে তিনি পদ ও দলের মর্ম না বুঝে লিপ্ত হয়েছিলেন সীমাহীন দুর্নীতিতে। যার চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে এখন তিনি কারান্তরীণ। কারাবাসকালে খালেদার উপলব্ধি হয়েছে, দল কিংবা পরিবার তার মুক্তির ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেবে না। তাই বাধ্য হয়ে নিজের সব অপকর্ম স্বীকার করে তিনি সরকারের দ্বারস্থ হয়েছেন। একইসঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজনীতি ছাড়ার।

রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর