• বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১৪ ১৪২৭

  • || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
কারিগরি-জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা হবে : শিক্ষামন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৮১ ১২ বছরে ৪৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত: কাদের রায়হান হত্যা: এএসআই আশেক এলাহী গ্রেফতার করোনার কারণে ২০২১ সালে হবে না বই উৎসব: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত ব্লকচেইন আগামী প্রযুক্তির নিরাপদ ভিত্তি: পলক করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১৪৯৩ স্কুল বাস সার্ভিসে নারী চালক সম্পৃক্ত করা জরুরি: সেতুমন্ত্রী দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক সেনাবাহিনী: প্রধানমন্ত্রী ৩ দিনের রিমান্ডে ইরফান ও সহযোগী জাহিদ প্রকল্পের বিরুদ্ধে মামলা হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ জনের ১০ বছরের কারাদণ্ড হাজী সেলিমের ছেলের ১ বছরের কারাদণ্ড করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৫, শনাক্ত ১৪৩৬ সাংসদ হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান গ্রেপ্তার কেউ অপরাধ করলে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীরাই গণতন্ত্রের মুখোশপড়া ফেরিওয়ালা: কাদের মিল মালিক, পাইকার ও ফড়িয়ারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: কৃষিমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১৩০৮

শচীনের বিদায়ী ম্যাচে সানগ্লাসের আড়ালে কেঁদেছিলেন গেইল

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২০  

শচীন টেন্ডুলকারের অবসর মানে ক্রিকেটের একটি যুগের অবসান। সমর্থকদের কাঁদিয়ে ২০১৩ সালের ১৫ নভেম্বর শেষবারের মতো ব্যাট হাতে ২২ গজে নেমেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে করেছিলেন ৭৬ রান। আউট হন প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো ড্যারেন স্যামির হাতে ক্যাচ দিয়ে। শচীন যখন ফিরছিলেন, প্রতিপক্ষ দলের এক বিখ্যাত ক্রিকেটার সানগ্লাসের আড়ালে চোখের জল লুকিয়েছিলেন। তিনি ক্রিস গেইল।

ড্যারেন স্যামি ক্যাচটি তালুবন্দি করে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না যে, শচীনের ২৪ বছরের ক্যারিয়ার তার হাত দিয়ে শেষ হয়ে গেল। বিষাদ ছুঁয়ে গিয়েছিল তাদের। ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানের বিদায় দেখে চোখ ভিজে গিয়েছিল ভয়ংকর ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইলের।  তার চোখে ছিল সানগ্লাস, তাই কান্নাভেজা চোখ দেখা যায়নি ক্যামেরায়। এতদিন পর সেই স্মৃতিচারণ করলেন গেইলের সতীর্থ কার্ক এডওয়ার্ডস।

ক্রিকট্র্যাকারকে এডওয়ার্ডস বলেছেন, 'শচীনের ২০০তম ম্যাচটিতে আমিও ছিলাম। তার বিদায়ী মুহূর্তে আমিও আবেগাক্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম। ভাগ্যিস আমার চোখে চশমা ছিল। আমার পাশে গেইলও ছিল। আমরা দুজনই কান্না আটকে রেখেছিলাম। এটা সত্যিই খুব আবেগের মুহূর্ত ছিল। এমন একজন খেলোয়াড়কে আর কখনও খেলতে দেখা যাবে না, এই বিষয়টাই মানতে পারছিল না কেউ। সবাই খুব আপসেট হয়ে পড়েছিল।'