মঙ্গলবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৪ ১৪২৬   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
নেহা-আদিত্যর বিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি সোয়া ৯ কোটি টাকা আত্মসাতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা নৌকার গণজোয়ারে দিশেহারা বিএনপি প্রার্থী: তাপস এবার বিএনপি ছাড়ছেন কোষাধ্যক্ষ সিনহা! নারীর নিরাপত্তায় ৪৮ হাজার এলইডি লাইট লাগানোর প্রতিশ্রুতি আতিকের আতিকের নির্বাচনী কার্যালয়ে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক হাতিরঝিল—বনশ্রী হয়ে চট্টগ্রাম রোডে মিলবে পৃথক চারলেন ব্যাংককের ইমিগ্রেশন হচ্ছে শাহ আমানত বিমানবন্দরেও চীনে আটকে পড়াদের দেশে ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইট পাঠাবে সরকার বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান অর্জনের স্থান, র‌্যাগিং করার নয়- রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ-পাকিস্তানের টি টোয়েন্টি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত ব্যস্ত মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালাতে চালাতেই গোসল! ভিডিও ভাইরাল ক্যালিফোর্নিয়ায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় বাস্কেটবল তারকা নিহত হবিগঞ্জে বিশ্বের বড় কাঠবিড়াল সমালোচনা না করে দেশের সমস্যা সমাধানের আহ্বান তাজুলের বিদেশের মসজিদে আর অর্থ দেবে না সৌদি এত সুন্দরভাবে নির্বাচন হচ্ছে কীভাবে: ইসি সচিব জমাদিউস সানি শুরু আজ ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগালেন ব্র্যাড পিট ও জেনিফার অ্যানিস্টন বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে ৫ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
৪২

শিক্ষক নিয়োগের ই-রিকুইজিশন শুরু আজ

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া শুরু আজ। চলবে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। এতথ্য জানিয়েছেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন।

এর আগে এ বিষয়ে ৩টি চিঠি ও আদেশ জারি করেছে এনটিআরসিএ। চিঠিতে কার কি করণীয় তা বিস্তারিত বলা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করে এনটিআরসিএ। বাছাই করা প্রার্থীদের আর কোনও পরীক্ষা দিতে হয় না।

এদিকে শূন্যপদের ভুল তথ্যের ভোগান্তিতে রুখতে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

সম্প্রতি এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন বলেছেন, ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগে মহিলা কোটা কম্পিউটার নির্ধারণ করতো। এ নিয়ে অনেক প্রার্থী জটিলতায় পরেছেন। তাই, এ বছর প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সুস্পষ্টভাবে শূন্যপদটি মহিলা কোটা বা মেধাভিত্তিক সে বিষয়টি প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ঘোষণা করবেন। এছাড়া এ বছর প্রতিষ্ঠান প্রধানরা সুস্পষ্টভাবে শূন্য পদের তথ্য দিতে পারবেন। ভুল তথ্যে যাতে কেউ ভোগান্তিতে না পরে সে বিষয়টি মাথায় রেখেই তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আগে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দেয়া তথ্য তদারকির দায়িত্ব ছিল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের। কিন্তু যখন পদগুলোতে প্রার্থী সুপারিশ করা হয় ও ভুল তথ্যের কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয় তখন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন এ তথ্য তারা পাঠাননি। এ জটিলতা নিরসনেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এবার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নয় জেলা শিক্ষ কর্মকর্তাদের শূন্যপদের তথ্য তদারকির দায়িত্ব দেয়া হবে।

‘এছাড়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শুধু সফটওয়ারেই তথ্য পাঠাবেন তা নয়। একই সাথে রিপোর্ট আকারে এসব তথ্য আনা হবে। যাতে কর্মকর্তারা অস্বীকার না করতে পারেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা স্বাক্ষর করে রিপোর্ট পাঠাবেন যাতে পরে জটিলতা সৃষ্টি না হয়।’

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বলেছেন, শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া পরিচালনায় প্রতিষ্ঠান প্রধান ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিস্তারিত করণীয় উল্লেখ করে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে।

এই বিভাগের আরো খবর