শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
সভাপতির পদ ছাড়া যেকোনো পদে পরিবর্তন হতে পারে : কাদের ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক চিরকালীন: রীভা গাঙ্গুলী সৌম্যের ফিফটিতে ভুটানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ বিএনপি বিশৃঙ্খলা করলে আওয়ামী লীগও প্রস্তুত: কাদের চাল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : কৃষিমন্ত্রী দেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলছে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপিপন্থিদের হট্টগোল কলঙ্কজনক-আদালত অবমাননা অন-অ্যারাইভাল ভিসাসহ বাংলাদেশ-ভারতের নৌপথে খুলছে অনেক জট ‘বিশ্বসুন্দরী’র রোমান্টিক গান নিয়ে হাজির সিয়াম-পরী মেয়েদের রৌপ্য, বাকী জিতেছেন ব্রোঞ্জ আইনজীবী তালিকাভুক্তি নিবন্ধন পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি পদক পাচ্ছেন ডিজিসহ বিজিবির ৬০ সদস্য আখেরাতের জীবন চিরস্থায়ী ডাক ও টেলিযোগাযোগের নতুন সচিব নূর-উর রহমান মানুষের রক্ত চুষে বড় লোক হবেন না: রাষ্ট্রপতি অপরাধীদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই: ওবায়দুল কাদের ২০২৫ সালের মধ্যে ভোলা-বরিশাল ব্রীজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা সরকারিভাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন ফ্রি পাবে মেয়েরা হ‌লি আ‌র্টিজান মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ
৬৩

সন্তানের বয়ঃসন্ধিতে বন্ধু হওয়াটা জরুরি

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০১৯  

বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে বাবা-মায়েদের পক্ষে সন্তানদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা প্রায় অসম্ভব! এই কারণেই সন্তানের সঙ্গে বেড়ে যায় দূরত্ব, তৈরি হয় বিরাট গ্যাপ। তাই মনোবিদদের পরামর্শ হল, অভিভাবক হওয়ার চেয়ে তাদের বন্ধু হওয়াটা জরুরি। যতটুকু সময় পাওয়া যায়, সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো মেলামেশা করা উচিত। তাতে সন্তানের মন বোঝা সহজ হবে। 

এবার জেনে নেওয়া যাক বয়ঃসন্ধিতে সন্তানের মন বুঝতে তার বন্ধু হয়ে উঠার উপায় সম্পর্কে...

* কর্ম ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিদিন কিছুটা সময় দিন সন্তানকে। নিজের সারাদিনের অভিজ্ঞতাও সন্তানের সঙ্গে শেয়ার করুন। তারপর সন্তানের সারাদিনের খুঁটিনাটি, কোথায় গেল, কী করল, কী ভাবে কাটল— এসব জানার চেষ্টা করুন।

* সন্তানের কী ভাল লাগে, কী পছন্দ, কিসের শখ এবং তার কী স্বপ্ন জানার চেষ্টা করুন। ওর যেন মনে হয়, এগুলো আপনার কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানের পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তব প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলুন। 

* সন্তানের প্রিয় বন্ধু কে, কাদের সঙ্গে ও মেলামেশা করে, কী বিষয়ে ওদের মধ্যে আলোচনা হয় তা গল্পের ছলে জানার চেষ্টা করুন সময় নিয়ে। এক্ষেত্রে আপনার ছোটবেলার বন্ধুদের কথা বলতে পারেন। 

* ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ বা ডিনার— আপনার সুবিধা মতো সন্তানের সঙ্গে সময় ভাগ করে নিন। চেষ্টা করুন, খাওয়ার সময়টুকু সন্তানকে সঙ্গ দিতে। কাজের চাপে সারাদিনে সম্ভব না হলেও যে কোন একটা নির্দিষ্ট সময় বাড়ির সকলে একসঙ্গে বসে খাওয়ার চেষ্টা করুন। সেটা সকালের কিংবা রাতের খাবার হতে পারে।

* সপ্তাহে বা মাসে অন্তত একবার সন্তানকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যান। সারাটা দিন ওর সঙ্গে কাটান। ওর ছোট ছোট প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন সহজ সরল ব্যাখ্যায়।

* সন্তানের কোন আবদার বা বায়না মেটানোর জন্য পাল্টা কোন শর্ত চাপিয়ে দেবেন না। এতে ভবিষ্যতে সন্তানও আপনাদের ওপর নানা রকম শর্ত চাপিয়ে নিজেদের দাবি বা জেদ পূরণ করতে চাইবে।

* সন্তানকে সময় দেওয়ার সময় কোন ভাবেই যেন টেলিভিশন বা ফোন ওই সময়ের অংশ না হয়ে ওঠে তা লক্ষ্য রাখবেন। সন্তানকে সময় দিতে না পারলেও ওর হাতে ভুলেও বিকল্প হিসাবে টিভির রিমোর্ট বা স্মার্টফোন তুলে দেবেন না। এর ফলে সন্তানের ক্ষতিই হবে।