• রোববার   ০৬ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৭

  • || ২০ রবিউস সানি ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক নীতিমালা তৈরি করা হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ১০ জেলায় করোনার অ্যান্টিজেন টেস্ট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: তথ্যমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৩১৬ বিদ্রোহী প্রার্থীদের পরবর্তীতে আর মনোনয়ন নয়: ওবায়দুল কাদের ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণ: ছাত্র অধিকার পরিষদের তিন নেতা রিমান্ডে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২১৯৮ বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড ফাইজারের ভ্যাকসিন অনুমোদন দিলো যুক্তরাজ্য করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩১, শনাক্ত ২২৯৩ ঘরোয়া অনুষ্ঠানের কথাও পুলিশকে জানাতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৭ জানুয়ারি ভাস্কর্য নিয়ে উস্কানি ছড়ালে সরকার বসে থাকবে না: তথ্যমন্ত্রী চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, ২৮ প্রতারক আটক করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৯, শনাক্ত ১৭৮৮ ঢাকা থেকে পায়রাবন্দর পর্যন্ত রেললাইন নিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত ওস্তাদ শাহাদাত হোসেন খান আর নেই করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৬, শনাক্ত ১৯০৮ ভ্যাকসিনের জন্য ৫০ শতাংশ টাকা ছাড়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৭, শনাক্ত ২২৯২

সরকারি ওয়েবসাইট হালনাগাদ রাখার নির্দেশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২০  

সরকারি অনেক দফতরের ওয়েবসাইট হালনাগাদ নয়। তাই মন্ত্রণালয়-বিভাগ এবং অধীনস্ত দফতর ও সংস্থার ওয়েবসাইট হালনাগাদ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সম্প্রতি এই নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সকল মন্ত্রণালয়-বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, বর্তমান সরকার ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতীয় তথ্য বাতায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে মন্ত্রণালয় থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত মোট ৩৩ হাজার ৫২টি তথ্য বাতায়নে (পোর্টাল/ওয়েবসাইট) ৫০ হাজার ৯০৯টি সরকারি অফিস যুক্ত রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, নাগরিকরা তথ্য ও অন্যান্য সেবার জন্য তথ্য বাতায়নগুলো ব্যবহার করে থাকেন। গড়ে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ লোক ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করেন। সহসা আরও বিপুলসংখ্যক সরকারি সেবা ওয়েবসাইটের যুক্ত করা হচ্ছে বিধায় ভবিষ্যতে পোর্টাল ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।

‘তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯’ এর ৪ ধারা অনুযায়ী তথ্য পাওয়া নাগরিকদের অধিকার। সেজন্য আইনের ৬ ধারায় তথ্য প্রকাশের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং তথ্য কমিশনের ‘স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ নির্দেশিকা, ২০১৪’ তে স্ব-স্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশযোগ্য সকল হালনাগাদ তথ্য প্রদানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০১৪’ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০১৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর এবং ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারির স্মারকে ওয়েবসাইট প্রস্তুত ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অনুশাসন এবং ২০১৯ সালের ৪ জুলাই এর স্মারকে সরকারি দফতরের ওয়েবসাইটগুলোর অধিকতর উন্নয়ন ও হালনাগাদকরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ‘কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, অনেক দফতরের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ তথ্য-উপাত্ত নেই। ফলে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেয়ার চলমান প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও শুদ্ধাচার চর্চা ব্যাহত হচ্ছে।’

এমতাবস্থায় নিজ নিজ অফিসসহ অধীন সংযুক্ত অফিসের ওয়েবসাইট হালনাগাদ রাখার নির্দেশনা দিয়ে চিঠিতে বলা হয়, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।