শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
সভাপতির পদ ছাড়া যেকোনো পদে পরিবর্তন হতে পারে : কাদের ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক চিরকালীন: রীভা গাঙ্গুলী সৌম্যের ফিফটিতে ভুটানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ বিএনপি বিশৃঙ্খলা করলে আওয়ামী লীগও প্রস্তুত: কাদের চাল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : কৃষিমন্ত্রী দেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলছে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপিপন্থিদের হট্টগোল কলঙ্কজনক-আদালত অবমাননা অন-অ্যারাইভাল ভিসাসহ বাংলাদেশ-ভারতের নৌপথে খুলছে অনেক জট ‘বিশ্বসুন্দরী’র রোমান্টিক গান নিয়ে হাজির সিয়াম-পরী মেয়েদের রৌপ্য, বাকী জিতেছেন ব্রোঞ্জ আইনজীবী তালিকাভুক্তি নিবন্ধন পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি পদক পাচ্ছেন ডিজিসহ বিজিবির ৬০ সদস্য আখেরাতের জীবন চিরস্থায়ী ডাক ও টেলিযোগাযোগের নতুন সচিব নূর-উর রহমান মানুষের রক্ত চুষে বড় লোক হবেন না: রাষ্ট্রপতি অপরাধীদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই: ওবায়দুল কাদের ২০২৫ সালের মধ্যে ভোলা-বরিশাল ব্রীজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা সরকারিভাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন ফ্রি পাবে মেয়েরা হ‌লি আ‌র্টিজান মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ
১৮৪

সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার ফজিলত

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০১৯  

 

 

প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সপ্তাহের দু’টি দিন সোমবার ও বৃহস্পতিবারে রোজা রাখতেন।

এ ব্যাপারে তিনি (সা.) বলেছেন, ‘সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন দু’টি এমন, যে দিন দু’টিতে বান্দার আমলসমূহ মহান আল্লাহর সামনে হাজির করা হয়। আর আমি রোজা থাকা অবস্থায় আমার আমল আল্লাহর সামনে পেশ করা হোক- এটাই আমি পছন্দ করি। (মুসলিম)। 

এ দু'দিনে রোজা রাখার ৭টি ফজিলত উল্লেখ করা হলো- 

(১) আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। হাদিসে কুদসীতে মহান রাব্বুল আলামিন বলেছেন, রোজা আমার এবং আমিই এর প্রতিদান দেব।

(২) রাসূল (সা.) এর অনুসরণ। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) সোমবার এবং বৃহস্পতিবারের রোজার অপেক্ষা করতেন। (ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, নাসাঈ)।

(৩) আল্লাহ তায়ালা বান্দা থেকে জাহান্নামকে ১০০ বছরের দূরত্বে সরিয়ে রাখবেন। রাসূল (সা.) এরশাদ করেছেন, যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একদিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামকে তার থেকে ১০০ বছরের দূরত্বে সরিয়ে রাখবেন। (আস সিলসিলাতুস সহিহাহ: খন্ড-৬, হাদিস নম্বর: ২৫৬৫)।

(৪) আল্লাহ তায়ালা বান্দা এবং জাহান্নামের মাঝে আসমান ও জমীনের দূরত্ব সমান খন্দক তৈরি করে রাখেন। রাসূল (সা.) বলেছেন, যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একদিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তায়ালা তার এবং জাহান্নামের মাঝে আসমান ও জমীনের দূরত্ব সমপরিমাণ খন্দক তৈরি করে দেবেন। (আস সিলসিলাতুস সহিহাহ: খন্ড-২, হাদিস নম্বর: ৫৬৩)।

(৫) রোজা কেয়ামতের দিন বান্দার মুক্তির জন্য সুপারিশ করবে। রাসূল (সা.) বলেছেন, রোজা এবং কোরআন কেয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোজা আল্লাহ তায়ালাকে বলবে, হে আমার রব! আমি তাকে আহার এবং স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত রেখেছিলাম সুতরাং তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল কর। কোরআন বলবে, আমি তাকে রাতে ঘুম থেকে জাগিয়ে রেখেছিলাম, এজন্য তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল কর। রাসূল (সা.) বলেন, তখন উভয়ের সুপারিশ কবুল করা হবে। (আহমদ: খন্ড-২, হাদিস নম্বর: ১৭৪)।

(৬) কেয়ামতের দিন বাবুর রাইয়ান দিয়ে প্রবেশের সুযোগ লাভ করবে। রাসূল (সা.) বলেন, নিশ্চয় জান্নাতের রাইয়ান নামের একটি দরজা আছে, কেয়ামতের দিন সেখান দিয়ে রোজাদারগণ প্রবেশ করবে। (বুখারী: হাদিস নম্বর: ১৮৯৬, মুসলিম: হাদদি নম্বর: ১১৫২)।

(৭) রোজা অবস্থায় ইন্তেকাল করার সম্ভাবনা এবং জান্নাত লাভ। রাসূল (সা.) এরশাদ করেছেন, যে রোজা অবস্থায় ইন্তেকাল করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।(সহিহ আল জামে: হাদিস নম্বর: ৬২২৪)। 

এই বিভাগের আরো খবর