শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৪ ১৪২৬   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
বিপিএলে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেলো রাজশাহী আদালতে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা যাবে প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আমরা ক্রসফায়ারকে সাপোর্ট করতে পারি না : ওবায়দুল কাদের পোশাক রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যাবে আইসিটি : জয় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল তজুমদ্দিনে জলদস্যুদের হামলায় ৪ জেলে গুলিবিদ্ধ, আটক ৪ বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা : দুই আসামি জামিনে মুক্ত দুর্নীতি মামলা : বিএনপি প্রার্থী ইশরাকের বিচার শুরু কাদেরের বাইপাস পরবর্তী স্বাস্থ্যের উন্নতি, দেশে ফিরছেন রাতেই  এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী আবুধাবি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে: আইআরআই ওমানের সুলতানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা আবুধাবি থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী ভোলায় অপহৃত দুই জেলে উদ্ধার, দস্যু আটক রিট খারিজ, নির্ধারিত তারিখেই হচ্ছে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন
১৪০

স্ট্রোক হলে তাৎক্ষণিক করণীয়

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২০  

 

হঠাৎ করে শরীরের একাংশ অবশ বা দুর্বল হয়ে যাওয়া। মাথাব্যথা ও বমি হওয়া। হঠাৎ অজ্ঞান হওয়া। কথা জড়িয়ে যাওয়া বা একেবারেই কথা বলতে না পারা।

তাৎক্ষণিক করণীয়: কোনো রোগীর উপরের লক্ষণসমূহ দেখা দিলে বুঝতে হবে তার স্ট্রোক হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আতংকিত না হয়ে  জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া উচিত। সম্ভব হলে মস্তিষ্কের CT Scan  করে স্ট্রোকের ধরন বুঝতে হবে। মনে রাখতে হবে স্ট্রোক দুই ধরনের হয়। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল ব্যাহত হওয়ার জন্য অথবা মস্তিস্কে রক্তক্ষরণের জন এবং যার চিকিৎসা পদ্ধতিও ভিন্নতর।

জরুরি চিকিৎসা : অজ্ঞান রোগীর ক্ষেত্রে- শ্বাসনালি, শ্বাসপ্রশ্বাস ও রক্ত সঞ্চালন নিয়মিত রাখা। রোগী একদিকে কাত করে, বালিশ ছাড়া মাথা নিচু করে শোয়াতে হবে। চোখের যত্ন নিতে হবে। মূত্রথলির যত্ন (প্রয়োজনে ক্যাথেটার দিতে হবে)। খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। স্ট্রোকের সব রোগীর হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় না। তবে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, খিঁচুনি, রোগী অজ্ঞান হলে অথবা স্ট্রোকের সঙ্গে অন্যান্য রোগ যেমন- উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি থাকলে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন। চিকিৎসার প্রধান উদ্দেশ্য মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো, কর্মক্ষমতা ফিরিয়ে আনা এবং পরবর্তীতে যেন স্ট্রোক না হয় তার ব্যাবস্থা করা।
মুখ বেঁকে গেলে : বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা এবং ফিজিওথেরাপি করিতে হইবে।

প্রতিরোধ: স্ট্রোক অনেকাংশেই প্রতিরোধযোগ্য। স্ট্রোকের প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। যেমন - রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান পরিহার, রক্তের চর্বি নিয়ন্ত্রণ, শারীরিক ব্যায়াম নিয়মিত ও ওজন ঠিক রাখা, পর্যাপ্ত শাকসবজি, সতেজ ফলমূল খাওয়া। তাই এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

ডা. এমএস জহিরুল হক চৌধুরী

অধ্যাপক, ক্লিনিক্যাল নিউরোলজি বিভাগ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল।

এই বিভাগের আরো খবর