• রোববার   ০৯ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৫ ১৪২৮

  • || ২৫ রমজান ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
২৪ ঘণ্টায় করোনায় দেশে ৪৫ মৃত্যু খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেয়ার প্রয়োজন নেই : হানিফ তাণ্ডবকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইনে পরীক্ষা নিতে পারবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আজই ফিরছেন সাকিব-মুস্তাফিজ খালেদা জিয়ার আবেদন পেয়েছি, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২০ মিলিয়ন টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ: আব্দুল মোমেন গ্রামে বাড়ি নির্মাণে ইউনিয়ন পরিষদের অনুমতি লাগবে: তাজুল করোনা প্রাণ নিল আরও ৫০ জনের, নতুন শনাক্ত ১৭৪২ শপিংমল খোলা রাত ৮টা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনায় আরো ১০ জন গ্রেফতার করোনায় একদিনে আরও ৬১ জনের মৃত্যু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা হবে: আ`লীগ জুনায়েদ আল হাবিব আরও ৪ দিনের রিমান্ডে নাশকতার মামলায় ফের ৫ দিনের রিমান্ডে মামুনুল হক জামায়াত-শিবিরের ৮ নেতাকর্মী আটক করোনায় প্রাণ গেল আরও ৬৫ জনের, শনাক্ত ১৭৩৯ ‘লকডাউন’ বাড়লো ১৬ মে পর্যন্ত অর্থবিত্তে বড় হলেও সত্য সংবাদ পরিবেশন হওয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী জনস্বার্থে মামলার নামে জনমনে ভীতি ছড়াবেন না: হাইকোর্ট

স্পেসএক্সের আকাশযানে চাঁদে যাবে নাসার বিজ্ঞানীরা

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২১  

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা তাদের আগামী চন্দ্রাভিযানের আকাশযান নির্মাণ করার দায়িত্ব দিয়েছে স্পেসএক্স-কে।

বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এ দশকের শেষ দিকে আর্টেমিস নামে এক অভিযানের অংশ হিসেবে চাঁদে মানুষ পাঠাবে নাসা। সেই অভিযানের পুরুষ এবং নারী নভোচারী স্পেসএক্স-এর আকাশযানে করে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে।

স্পেসএক্স হচ্ছে ধনকুবের ব্যবসায়ী ইলন মাস্কের রকেট নির্মাতা কোম্পানি। আকাশযানের মুন ল্যান্ডারটি স্পেসএক্স এর স্টারশিপ ক্রাপ্টের আদলে তৈরি করা হবে, এটি দক্ষিণ টেক্সাসের একটি সাইটে পরীক্ষা করা হচ্ছে। নতুন আকাশযানটি হিউম্যান ল্যান্ডিং সিস্টেম (এইচএলএস) নামে পরিচিতি পাবে।

এ যানটি মূলত চাঁদের কক্ষপথে থাকা মূল মহাকাশযান থেকে নভোচারীদের চাঁদের মাটিতে নামানো এবং সেখান থেকে আবার মূল যানে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার কাজটি করবে। এতে থাকবে একটি কেবিন-আর দুটি 'এয়ার লক', যার মাধ্যমে নভোচারীরা চাঁদের মাটিতে হাঁটাচলার জন্য বেরুতে পারবেন।

নাসার এই প্রজেক্ট পেতে ইলন মাস্ককে জেফ বেজোসের অ্যামাজনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়েছে। নাসা ও স্পেসএক্স-এর মধ্যে ২.৮৯ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়েছে।

নাসা বিবৃতিতে বলেছে, এই প্রজেক্টের মাধ্যমে নাসা এবং আমাদের অংশীদাররা ২১ শতকের প্রথম ক্রুদের চাঁদে অবতরণ করাবে।

ইলন মাস্কের স্পেসএক্স বহুদিন ধরেই স্টারশিপ নামে মহাকাশগামী রকেট-যান তৈরির কর্মসূচি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। কল্পবিজ্ঞান কাহিনিগুলোতে যে ধরনের গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে ঘুরে বেড়ানো মহাকাশযানের কথা বলা হয়-সেই ভাবনা থেকেই এই স্টারশিপ তৈরি হচ্ছে। এর দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য মঙ্গলগ্রহে মানুষের আবাস প্রতিষ্ঠা। তবে নাসার জন্য যে চন্দ্রযানটি স্পেসএক্স তৈরি করবে তার কাজ হবে ভিন্ন ধরনের। নাসা মনে করছে তার অভিজ্ঞতাই এক্ষেত্রে সফলতা এনে দেবে।

নাসা এই মিশনে নামছে  আর্টেমিস প্রোগ্রামের অধীনে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে এটি শুরু হয়েছিল। ২০২৪ সালের মধ্যে সংস্থাটি চাঁদে আবার মানুষ পাঠাতে চায়।