শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
সভাপতির পদ ছাড়া যেকোনো পদে পরিবর্তন হতে পারে : কাদের ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক চিরকালীন: রীভা গাঙ্গুলী সৌম্যের ফিফটিতে ভুটানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ বিএনপি বিশৃঙ্খলা করলে আওয়ামী লীগও প্রস্তুত: কাদের চাল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : কৃষিমন্ত্রী দেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলছে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপিপন্থিদের হট্টগোল কলঙ্কজনক-আদালত অবমাননা অন-অ্যারাইভাল ভিসাসহ বাংলাদেশ-ভারতের নৌপথে খুলছে অনেক জট ‘বিশ্বসুন্দরী’র রোমান্টিক গান নিয়ে হাজির সিয়াম-পরী মেয়েদের রৌপ্য, বাকী জিতেছেন ব্রোঞ্জ আইনজীবী তালিকাভুক্তি নিবন্ধন পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি পদক পাচ্ছেন ডিজিসহ বিজিবির ৬০ সদস্য আখেরাতের জীবন চিরস্থায়ী ডাক ও টেলিযোগাযোগের নতুন সচিব নূর-উর রহমান মানুষের রক্ত চুষে বড় লোক হবেন না: রাষ্ট্রপতি অপরাধীদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই: ওবায়দুল কাদের ২০২৫ সালের মধ্যে ভোলা-বরিশাল ব্রীজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা সরকারিভাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন ফ্রি পাবে মেয়েরা হ‌লি আ‌র্টিজান মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ
৫১

স্মার্ট বাঁদর দম্পতি!

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০১৯  

সম্প্রতি ইন্টারনেটে অনেকেরই চোখে পড়েছে এক বাঁদর দম্পতির মানুষের মতো বসবাসের ঘটনা। পুরুষ বাঁদরটির নাম কান্দ আর তার স্ত্রী সাকি। মালয়েশিয়ায় বসবাস করা এই বাঁদর দম্পতি আর পাঁচজন বিবাহিত স্বামী-স্ত্রীর মতোই জীবনযাপন করে। 

এই বাঁদর দম্পতির মালিক কুয়ালালামপুরের পশুপ্রেমী জামিল ইসমাইল। তিনি জানান,  কান্দ আর তার স্ত্রী সাকি একসঙ্গে রেস্তোরাঁয় খেতে যায়। বিছানায় শুয়েও পড়ে একসঙ্গে।

জামিল জানিয়েছেন, পুরুষ বাঁদরটি যেখানে ছিল, সেই নার্সারিটি দেউলিয়া হয়ে যায়। ফলে সমস্ত প্রাণীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তখনই মাত্র একবছর বয়সী কান্দকে বাড়ি নিয়ে আসেন জামিল। 

এরপর কান্দের জন্য স্ত্রী খোঁজার কাজ শুরু করেন তিনি, পেয়েও যান কান্দের মনের মতো সঙ্গী সাকিকে। এরপর দীর্ঘ ৯ বছর জামিলের বাড়িতে দম্পতির মতোই থাকে কান্দ–সাকি।
 
বাঁদর দম্পতিকে সমাজের আদবকায়দাও শিখিয়েছেন জামিল। তবে এজন্য চার বছর সময় লেগেছে। প্রথম প্রথম দু’জনেই বাড়ি নোংরা করে রাখত। ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে খেয়ে নিত। ঘরের জিনিসপত্র ভেঙে ফেলত। 

প্রতিবেশীদের কাছেও বকাঝকা শুনতে হয়েছে জামিলকে এই কান্দ–সাকির জন্য। তবে তিনি হাল ছাড়েননি। জামিলের পরিশ্রম কাজে দিয়েছে, এখন কান্দ–সাকি নিজেদের অনেক কাজ করতে পারে। কাপড় ধোয়া, ঘর গোছানো বা রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেটও চালাতে জানে এই স্মার্ট বাঁদর দম্পতি।