• মঙ্গলবার   ০৭ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২২ ১৪২৭

  • || ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
চলে গেলেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর করোনায় আরও ৪৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২০১ ভিসার মেয়াদ বাড়ালো সৌদি আরব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ২৭৩৮, মৃত্যু ৫৫ কাউকেই ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে না: বিদ্যুৎ সচিব আজ থেকে অধস্তন আদালতে আত্মসমর্পণ করা যাবে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২৯ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২৮৮ পাটকল শ্রমিকরা দুই ধাপে সব পাওনা পাবে: পাটমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ৪০১৯, মৃত্যু ৩৮ চালের বাজার অস্থিতিশীল করলে কঠোর ব্যবস্থা : খাদ্যমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ৩৭৭৫, মৃত্যু ৪১ যত্রতত্র পশুরহাটের অনুমতি দেওয়া যাবে না- ওবায়দুল কাদের জঙ্গিবাদ দমনে সফলতা ধরে রাখতে কাজ করে যাচ্ছি: র‌্যাব ডিজি ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৬৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৬৮৩ শিগগিরই আরও ৪ হাজার নার্স নিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৪০১৪ অর্ধশত যাত্রী নিয়ে বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি, উদ্ধার কাজ চলছে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৮০৯ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন পাচ্ছে ৪ বিদেশি এয়ারলাইন্স
১০৪

হাঁটা শেখার আগেই মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধে জয়ী তারা

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৫ মার্চ ২০২০  

জন্মের পর থেকেই যুদ্ধ চলছিল মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে। এই যুদ্ধ যতোটা না বাবা-মায়ের ছিল তারচেয়ে বেশি ছিল ছোট্ট শিশুটির জন্য। একের পর এক কেমোথেরাপির পর প্রাপ্তবয়স্করাও অনেকসময় হার মেনে যায়। সেখানে জন্মের পরই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তা জয় করে ফিরে এসেছে তারা।

 

 

হাঁটা শেখার আগেই ক্যান্সার জয় করা ক্ষুদে বিজয়ীদের ছবি বিভিন্ন সময় সামাজিক মাধ্যমে উঠে এসেছে। নিচে ভাইরাল হওয়া কয়েকজন ক্ষুদে ক্যান্সারজয়ীর পরিচিতি তুলে ধরা হলো-

 

 

আমেরিকার নিউ জার্সির বাসিন্দা লিজেট-ক্যাথরিন দম্পতির সন্তান এভারেট পেপিন। দুই সপ্তাহ বয়সে এক ধরনের চোখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। ১৬ দিন বয়স থেকে তাকে কেমোথেরাপি দেয়া শুরু হয়। পাঁচমাস পর্যন্ত ছয়বার তাকে ফেলাডেলফিয়া শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। চিকিৎসকের মতে মতে এভারেট ক্যান্সার রোগীদের জন্য 'রোল মডেল'। 

 

 

টেক্সাসের বাসিন্দা সোফিয়া সান্দোভাল। দুই বছর বয়স থেকে তার ব্রেইন টিউমার অপসারণের জন্য একটি অপারেশন হয়। এরপর প্রায় একমাস সোফিয়া হাঁটতে পারছিল না এবং দীর্ঘ আটমাস তার কেমোথেরাপি চলে। আটমাস পর ফের চলতে শুরু করে সোফিয়া। এমনকি তার ভাইবোনদের সঙ্গে খেলাধুলাও করছে সে। কেমোর শেষদিন ওয়ান্ডার ওমেনের পোশাকে ক্যান্সারজয়ের দিনটি উদযাপন করে সোফিয়া।

 

 

লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত টেসা। ছয়বার কেমো দিতে হয় ছোট্ট শিশুটিকে। এই পুরোটা সময় জুড়ে বাবা-মায়ের পাশাপাশি আঠার মতোই লেগে ছিলেন ডাক্তার-নার্সরাও। শেষ কেমোর দিন টেসার সব রিপোর্ট তাদের একের পর এক সুখবর দিচ্ছিলো। যুদ্ধে জয়ী হয়ে গিয়েছিলো ছোট্ট টেসা। 

 

 

যেখানে ক্যান্সার মরণব্যাধি। জীবনের হাসি কেড়ে নেয়ার মতো একটি নাম সেখানে জয়ী হয়ে ফিরে আসা ছোট্ট হাসিমুখগুলো যেন সত্যিই নতুন করে বাঁচার প্রেরণা যোগায়।

ইত্যাদি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর