• মঙ্গলবার   ১১ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭

  • || ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯০৭ পদ্মা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ মামলায় সাহেদ ৭ দিনের রিমান্ডে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৪৮৭ দলীয় পরিচয় কোনো অপরাধীকে রক্ষা করতে পারেনি: কাদের লাইসেন্স নবায়ন না করলেই বেসরকারি হাসপাতাল বন্ধ দেশে করোনায় আরও ৩২ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬১১ কাল অনলাইনে শুরু একাদশের ভর্তি, যেভাবে আবেদন করবেন সুযোগ আছে, করোনা সংকটেও বিনিয়োগ আনতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবের ফোন করোনায় আরও ৩৩ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৫৪ কামাল বেঁচে থাকলে সমাজকে অনেক কিছু দিতে পারতো: শেখ হাসিনা সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহার মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৫০ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯১৮ করোনায় আরও ৪৮ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৯৫ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অসচ্ছল গর্ভবতী নারীরা পাবে চার হাজার টাকা ট্রাফিক পুলিশ বক্সে বিস্ফোরণ, ‘নব্য জেএমবির সদস্য’ আটক করোনায় আরও ৩৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৩০০৯ ১২ কোটি টাকা আত্মসাত করে গ্রেফতার যমুনা ব্যাংকের ম্যানেজার থানায় বিস্ফোরণে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা নেই : পুলিশ ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ২৯৬০, মৃত্যু ৩৫
২৫৯

২০ মাস ধরে বাবরের খোঁজ নেয়নি পরিবার

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৮ জুন ২০২০  

এক যুগের বেশি সময় ধরে কারাগারে বিএনপির নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর। কেরাণীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে নিঃসঙ্গ জীবন কাটছে এক সময়ের প্রভাবশালী এই নেতার। ২০১৮ সালের নভেম্বরের পর থেকে এখন পর্যন্ত তার পরিবাবের সদস্য বা আইনজীবীরা কেউ কারাগারে দেখতে যাননি তাকে।

জানা গেছে, গত একাদশ সংসদ নির্বাচনের পরে বেশ কয়েকটি জেলা কারাগারে তাকে স্থানান্তর করা হয়েছিল। বর্তমানে তার ঠাঁই কেরাণীগঞ্জ কারাগারে।নানা কারণে আলোচিত-সমালোচিত সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কারাগারে থেকেই শোনেন তোলপাড় করা দুই মামলায় তার মৃত্যুদণ্ডের রায়। 

নানা রোগে আক্রান্ত বাবর ১৩ বছর ধরে কারাগারে। এই সময়ে আরও বেশি শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে গেছেন। দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরুর আগে ঢাকার সিএমএম কোর্টে এক মামলায় হাজিরা দিতে এসেছিলেন বাবর। আদালতে ঢোকা এবং বের হওয়ার সময় উপস্থিত তার আইনজীবী ও কর্মীদের চোখ বিষয়টি ধরা পড়েছে।

কারাগারের সূত্র বলছে, দুটি আলোচিত মামলায় ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে কারাগারে বাবর স্বাভাবিকই আছেন। কনডেম সেলে থাকছেন বলে আগের মতো তেমন দাপট নেই।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম বলেন, ‘লুৎফুজ্জামান বাবর ভালো আছেন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামির মতো তিনিও কনডেম সেলে আছেন।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত এপ্রিলে সারা দেশের ৬৮ কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ করে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ। গত ঈদের সময়ও এটি বন্ধ ছিল। তবে নতুন নিয়মে টেলিফোনে কথা বলার সুযোগ আছে। সেখানে বন্দিরা কথা বলতে পারছেন পরিবারের সঙ্গে।

বিএনপির সরকারের সময়ের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাবর ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের সাত বছর পর ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি আলোচিত দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় তার মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়। এর চার বছর পর ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে বাবরসহ ১৯ জনের ফাঁসির রায় দেয় আদালত।

রায়ের দিনে আদালত চত্বরে উচ্চস্বরে এসবের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেন বাবর।

বাবরের মামলাসহ সার্বিক বিষয় পরিবারের পক্ষ থেকে দেখভাল করেন শামসুল হক বকুল। তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত নির্বাচনে নেত্রকোনায় বাবরের আসন থেকে তার স্ত্রী তাহমিনা জামান ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছিলেন। সে কারণে নির্বাচনের আগে কারাগারে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত কেউ তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাননি।

সাক্ষাৎ করতে পরিবারের কেউ যাননি, নাকি সাক্ষাতের সুযোগ পায়নি, তা পরিষ্কার করেননি শামসুল হক।

জানা গেছে, বাবরের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে গুলশানের বাসায় থাকেন। তার বড় ছেলে আগে দেশের বাইরে থাকলেও এখন দেশে আছেন। তিনিই পরিবারের দেখভাল করেন।

দলীয় একটি সূত্র বলছে, যে দুই মামলায় বাবরের মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে, তা থেকে তার মুক্তির আশা তারা একরকম ছেড়ে দিয়েছেন। এ ছাড়া শারীরিকভাবে এবং বয়সের কারণে বেশ কাবু হয়ে পড়েছেন তিনি।

রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর