• শুক্রবার   ০৭ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২২ ১৪২৯

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
দেশের বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য: রাষ্ট্রপতি সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পথে লন্ডনে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রা বিরতি কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্যের সূচনা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব: রাষ্ট্রপতি সোনার বাংলা গড়তে কৃষিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ‘শিশুদের শারীরিক-মানসিক বিকাশে সুস্থ বিনোদনের বিকল্প নেই’ ‘মুজিববর্ষে ১ লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে’ শিশুদের বুকে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়ে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী আগামী প্রজন্মের জন্য পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি ‘সেনাবাহিনীর হাজার হাজার অফিসার ও সৈনিক হত্যা করে জিয়া’ যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানিয়ে হামিদ-হাসিনার চিঠি প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অপরিহার্য: রাষ্ট্রপতি দেশে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে একযোগে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে করোনায় প্রবীণদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী

উপকূলের জেলেদের সুরক্ষায় চালু হচ্ছে মোবাইল নেটওয়ার্কিং

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০২২  

উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদের সুরক্ষার জন্য প্রথমবারের মতো চালু হতে যাচ্ছে গ্লোবাল সিস্টেম অব মোবাইল নেটওয়ার্ক (জিএসএম)। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুর্যোগের সময় সতর্কবার্তা, ঝড়ের পূর্বাভাস এবং আগাম সতর্ক করতে এ নেটওয়ার্কিং সিস্টেম চালু হতে যাচ্ছে। যারা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান, তারা এ সুযোগ পাচ্ছেন।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভোলা জেলার সাত উপজেলার ১৬২০টি সমুদ্রগামী ট্রলারে এ সুবিধা দেওয়া হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলার ১৭০টি, দৌলতখান উপজেলার ২৫০টি, বোরহানউদ্দিন উপজেলার ১০০টি, তজুমদ্দিন উপজেলার ৩০০টি, লালমোহন উপজেলার ১৩০টি, চরফ্যাশন উপজেলার ৪০০টি এবং মনপুরা উপজেলার ৩০০টি ট্রলারে নেটওয়ার্ক সুবিধা দেওয়া হবে।
 
সম্প্রতি চরফ্যাশনের বেশ কিছু ট্রলারে এ সুবিধা রয়েছে। খুব শিগগির অন্য উপজেলায় এ করর্যক্রম শুরু হবে।

জানা গেছে, ১৫ মার্চ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্যোগের মৌসুম। এসময়ে নদী ও সাগর উত্তাল থাকায় জন্য ডেঞ্জার জোন বা বিপজ্জনক মৌসুম হিসেবে চিহ্নিত করেছে নৌ পরিবহন অধিদপ্তর। প্রতি বছরই এ মৌসুমে ঝড়-জলোচ্ছ্বাস, সাগরে গভীর নিম্নচাপসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়। অনেক সময় দুর্যোগের সতর্কবার্তা পৌঁছায় না জেলেদের কাছে। যে কারণে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও জেলেরা নদী বা সমুদ্রে মাছ শিকারে যান। তখন ঝড়ের কবলে পড়ে তাদের প্রাণ হারাতে হয়। তাই উপকূলের সমুদ্রগামী জেলেদের সুরক্ষায় এবং তাদের কাছে সতর্কবার্তা পৌঁছাতে জিএসএম সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরও জানান, জিএসএম সিস্টেম চালু হলে আমরা জেলেদের পূর্বাভাস জানানো যাবে এবং তাদের অবস্থান নির্ণয় করা যাবে। এতে জেলেরা দুর্যোগের সময় নিরাপদে অবস্থান করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, জেলায় সমুদ্রগামী নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৬৫ হাজার। এছাড়া মেঘনা-তেঁতুলিয়ার নিবন্ধিত এক লাখ ৪৮ হাজার জেলে রয়েছেন। এর বাইরে আরও দুই লাখ জেলে সাগর ও নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন।