• সোমবার   ০২ আগস্ট ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ১৮ ১৪২৮

  • || ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
‘বঙ্গবন্ধু হত্যায় ষড়যন্ত্রকারী কারা, ঠিকই আবিষ্কার হবে’ ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে খালেদা জিয়া’ দেশের নাম বদলে দিতে চেয়েছিল পঁচাত্তরের খুনি চক্র: প্রধানমন্ত্রী এক সময় নিজেই রক্তদান করতাম: প্রধানমন্ত্রী হত্যার বিচার করেছি, ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা এখনও আবিষ্কার হয়নি শোকের মাস আগস্ট শুরু একনেক বৈঠক শুরু, অনুমোদন হতে পারে ১০ প্রকল্প করোনা টেস্টে গ্রামীণ জনগণের ভীতি নিরসনে কাজ করতে হবে জয়ের কাছ থেকেই আমি কম্পিউটার শিখেছি : প্রধানমন্ত্রী মানুষকে ব্যাপকভাবে ভ্যাকসিন দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদন হবে দেশেই: শেখ হাসিনা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ করোনা মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীসহ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান ফকির আলমগীরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনী গণতন্ত্র সুসংহত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ৩২০০ কোটি টাকার প্রণোদনা ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট মানতে হবে যেসব বিধিনিষেধ কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস রোধে প্রস্তুতির নির্দেশনা বিএসএমএমইউ ভিসির

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৪ মে ২০২১  

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিসের সম্ভাব্য সংক্রমণ, প্রতিরোধ, ব্যবস্থাপনাসহ এ রোগের চিকিৎসার সামগ্রিক বিষয়ে প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

সোমবার (২৪ মে) তার কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিসের সম্ভাব্য সংক্রমণ, প্রতিরোধ ও ম্যানেজমেন্ট’ সম্পর্কিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের বর্তমান অবস্থার পর্যালোচনা, ডায়াগনোসিস, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসাবিষয়ক গাইডলাইন তৈরি করা, প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা রাখা, ঝুঁকিসমূহ চিহ্নিত করা, জনসচেতনা সৃষ্টিতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, ‘মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বিশেষ ধরনের অনুবীক্ষণিক ছত্রাকের সংক্রমণজনিত বিভিন্ন রোগকে বোঝায়। এই ছত্রাক সর্বব্যাপী- মাটি, পানি ও বাতাসে ছড়িয়ে থাকলেও সংক্রমণ ক্ষমতা এতই কম যে ১ লাখ মানুষের মধ্যে মাত্র এক থেকে দুজনের এ জীবাণু সংক্রমণ হতে পারে। কোনো কারণে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেই কেবল এ সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে- যেটা ১ লাখে ২০ থেকে ৩০ জন হতে পারে।’

অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রোগী, বিশেষত কিটো অ্যাসিডোসিস আক্রান্তরা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকে। তাছাড়া ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী, অতিরিক্ত ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার, অন্তঃসত্ত্বা নারী, অত্যধিক স্টেরয়েড গ্রহণ করা, কিডনি বা অন্য অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা রোগী এবং চরম অপুষ্টিজনিত রোগীদের ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ হতে পারে। চামড়ার গভীর ক্ষত ও পোড়া ঘায়েও এই রোগ হতে দেখা যায়।’

তিনি বলেন, ‘ইদানীং ভারতের কোনো কোনো স্থানে করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে আশঙ্কাজনক হারে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশে এখনো এই রোগের প্রাদুর্ভাবের খবর পাওয়া যায়নি। এই দেশে হোয়াইট ফাঙ্গাসে কোনো রোগীর আক্রান্ত হওয়ার খবরও পাওয়া যায়নি। মিউকরমাইকোসিস আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে দ্রুত এবং সঠিক চিকিৎসা না করতে পারলে ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ রোগী মৃত্যুবরণ করে। অভ্যন্তরীণ সংক্রমণের মৃত্যুর হার শতভাগের কাছাকাছি।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক পরিকল্পনা ও বিএসএমএমইউসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় আমরা কোভিড-১৯ এর বৈশ্বিক মহামারিকে যথাসাধ্য নিয়ন্ত্রণ করতে সফল হয়েছি। সতর্কতা অবলম্বন করলে এই রোগ থেকে সবাই নিরাপদ থাকা সম্ভব। যদি সংক্রমণ ঘটে যথাযথ ওষুধ সঠিকভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে রোগীর আরোগ্য নিশ্চিত করা সম্ভব। সুতরাং আতঙ্ক নয়, সাবধানতা দরকার।’

গুরুত্বপূর্ণ এ সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানেসথেসিয়া, অ্যানালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান, অটোল্যারিংগোলজি হেড অ্যান্ড নেক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন সিদ্দিকী, চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. জাফর খালেদ, ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ আরাফাত, ভাইরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাইফ উলাহ মুন্সী, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড ইমিউনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আহমেদ আবু সালেহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।