• বৃহস্পতিবার   ০৫ আগস্ট ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ২১ ১৪২৮

  • || ২৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
আব্বার মতো আমরাও ত্যাগ স্বীকার করেছি: প্রধানমন্ত্রী জাতি গঠনে শিক্ষা-ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক চর্চা অপরিহার্য শেখ কামালের ৭২তম জন্মদিন আজ দোকানপাট খুলবে ১১ আগস্ট কিছু বেইমান-মুনাফেকের জন্য তার দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠন সম্ভব হয়নি নিম্ন আয়ের মানুষও আমাদের প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী মুজিবের দেশে প্রতিটি মানুষ সুন্দর ও উন্নত জীবন পাবে জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বস্তিবাসীদের আধুনিক ফ্ল্যাট দিলেন প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু হত্যায় ষড়যন্ত্রকারী কারা, ঠিকই আবিষ্কার হবে’ ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে খালেদা জিয়া’ দেশের নাম বদলে দিতে চেয়েছিল পঁচাত্তরের খুনি চক্র: প্রধানমন্ত্রী এক সময় নিজেই রক্তদান করতাম: প্রধানমন্ত্রী হত্যার বিচার করেছি, ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা এখনও আবিষ্কার হয়নি শোকের মাস আগস্ট শুরু একনেক বৈঠক শুরু, অনুমোদন হতে পারে ১০ প্রকল্প করোনা টেস্টে গ্রামীণ জনগণের ভীতি নিরসনে কাজ করতে হবে জয়ের কাছ থেকেই আমি কম্পিউটার শিখেছি : প্রধানমন্ত্রী মানুষকে ব্যাপকভাবে ভ্যাকসিন দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদন হবে দেশেই: শেখ হাসিনা

‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার পর খালেদাকে ঘরে নিতে চাননি’

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৪ জুলাই ২০২১  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার পর বেগম জিয়াকে ঘরে নিতে চাননি। কারণ তার আরেকটি ঘটনা আছে, সেটি আমি জানি। শনিবার (৩ জুলাই) বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

সংসদ নেতা বলেন, ‘ওই সময় জিয়াউর রহমান কুমিল্লায় ছিল। তখন তাকে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয় এবং উপ-সেনাপ্রধান করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তাকে উপ-সেনাপ্রধান করেন। ওই সময় তাকে প্রমোশন দিয়ে মেজর থেকে মেজর জেনারেল করেন বঙ্গবন্ধু। আর সেই জিয়াই ষড়যন্ত্র করে মোশতাক, কর্নেল রশিদ ফারুককে নিয়ে। মোশতাক যখন অবৈধভাবে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান বানায়। সেই মোশতাককে হটিয়ে জিয়াউর রহমান নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দেয়। জিয়া ছিল একদিকে সেনাপ্রধান আরেকদিকে ছিল দেশের রাষ্ট্রপতি। এর আগে আইযুব খান এই একই দৃষ্টান্ত দেখিয়েছিল।’

এ সময় বিএনপির নতুন পূর্ণাঙ্গ অর্থ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি- এর অর্থ হলো বাংলাদেশ না, পাকিস্তান। হ্যাঁ। এই তো বিএনপি? এই হলো তাদের রাজনীতি। এই হলো তাদের গণতন্ত্র।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি এমন একটি দল, যে দল সৃষ্টি করেছে একজন সামরিক জান্তা। ১৫ আগস্ট জতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার যে পরিকল্পনা হয় তার মূল শক্তি ছিল এই জিয়াউর রহমান। খুনি কর্নেল রশিদ এবং ফারুক বিবিসিকে দেওয়া তাদের ইন্টারভিউতে এটি স্পষ্ট রয়েছে। জিয়াউর রহমান তাদের সঙ্গে না থাকলে কোনোদিনও এই ষড়যন্ত্র করতে পারত না। কারণ জিয়াউর রহমান ছিল উপ-সেনাপ্রধান। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে আবার রাজনীতিবিদ হন। উর্দি পরে ক্ষমতায় এসে পরে রাজনীতিতে নাম লেখান। সেখান থেকে পরে রাজনৈতিক দল গঠন করে। সেই দলই হলো বিএনপি।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিরাতে কারফিউ। ১৯৮১ সালে যখন বাংলাদেশে আসি তখনই কারফিউ। ৭৫ সাল থেকে ৮১ সাল পর্যন্ত কারফিউ দিয়েছিল বিএনপি। জিয়াউর রহমান দিয়েছিল কারফিউ গণতন্ত্র। অনেকগুলো দল গঠনের সুযোগ দিয়েছে এটি ঠিক। কিন্তু সেখানে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ ছিল না। আর নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকেই নির্দিষ্ট থাকতো। ৭৮ সালে হ্যাঁ না ভোট, ৭৯ সালে নির্বাচন সবই ছিল খেলা।’

বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদের ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য বলেছেন কুরআন শরীফে নাকি ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা নেই। আমি বলব অবশ্যই আছে। আমাদের নবী করীম (সা.) বলেছেন অন্য ধর্মের প্রতি সহনশীল হতে। তিনি এই শিক্ষা দিয়েছেন। আমাদের কুরআন শরীফে বলা হয়েছে ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম সকল ধর্মের মর্যাদা দেয়। কোরআন শরীফে আছে লাকুম দিনুকুম ওয়ালিয়াদিন অর্থাৎ যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। যার যার মতামত সে প্রকাশ করবে। এটি প্রকৃতপক্ষে ধর্মনিরপেক্ষতাই আসে। যতই তিনি অস্বীকার করুন, যেভাবে তিনি ব্যাখ্যা দেন। এটি হচ্ছে বাস্তবতা। যুগ যুগ ধরে এটি চলছে। হ্যাঁ অবশ্যই নিজের ধর্ম পালনে সব সময় গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি অন্য ধর্মের প্রতি সহনশীল থাকতে হবে। এটা আমাদের শিক্ষা। এটা নবী করিম (সা) সব সময় বলে গেছেন। কাজেই এ ধরনের কথা সংসদে না বলাটাই ভালো।’