• মঙ্গলবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৫ ১৪২৮

  • || ১২ সফর ১৪৪৩

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী টিকা নেওয়ার পর খোলার সিদ্ধান্ত নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয় নিতে পারবে বঙ্গবন্ধু ভাষণের দিনকে এবারও ‘বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে’ ঘোষণা ফিনল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অংশগ্রহণ চান প্রধানমন্ত্রী `লাশের নামে একটা বাক্সো সাজিয়ে-গুজিয়ে আনা হয়েছিল` টকশোতে কে কী বলল ওসব নিয়ে দেশ পরিচালনা করি না: প্রধানমন্ত্রী উপহারের ঘরে দুর্নীতি তদন্তে দুদককে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী জিয়াকে আসামি করতে চেয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী এটা তো দুর্নীতির জন্য হয়নি, এটা কারা করল? ওজোন স্তর রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে ওজোন স্তর রক্ষায় সিএফসি গ্যাসনির্ভর যন্ত্রের ব্যবহার কমাতে হবে ১২ বছরের শিক্ষার্থীরা টিকার আওতায় আসছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণ দিবেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে শোক প্রস্তাব নিতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী এই সংসদে একের পর এক সদস্য হারাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার রূপরেখা সাজানোর নির্দেশ শিক্ষা কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী আগেরবার সব ভালো কাজের জন্য মামলা খেয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী

অক্টোবরে হচ্ছে না জনশুমারির কাজ: পরিকল্পনামন্ত্রী

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১  

আবারও পিছিয়ে গেলো জনশুমারি কার্যক্রম। চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে জনশুমারি ও গৃহগণনার পরিকল্পনা ছিল।

৯ মাসের মতো পিছিয়ে সেটি ২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর করার কথা সিদ্ধান্ত হয়। এই সময়েও হচ্ছে না জনশুমারির মূল গণনার কাজ। তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক হওয়ায় ট্যাব ক্রয়ে দরপত্র সংক্রান্ত কারণে পিছিয়ে যাচ্ছে এই কাজ। সেই সঙ্গে করোনা মহামারিও অন্যতম একটি কারণ। এসব কারণে আর মাঠ পর্যায়ে শুমারি চান না পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পরিসংখ্যান ভবন মিলনায়তনে ‘ওভারঅল আর্কিটেকচার অব ডিজিটাল সেনসাস ২০২১’ বিষয়ক  এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১ কার্যক্রম প্রকল্পের ধীরগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোভিডের কারণে আমাদের অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। জনশুমারির সময় আবারও পেছাবে। অক্টোবরে শুমারির কাজ হবে না। বিষয়টি আমি সরকারপ্রধানকে (প্রধানমন্ত্রী) অবহিত করবো। তার দিকনির্দেশনা নেওয়া হবে। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা সঠিক জনশুমারি করতে পারবো। তবে আমরা মাঠ পর্যায়ে আর শুমারি করবো না। মাঠ পর্যায় থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য আনা অনেক ঝামেলা। প্রকল্পে কেনাকাটা ও টেন্ডার করা আরও ঝামেলা। আমার বিশ্বাস এমন একটা সময়ে যাবো যখন আর টেন্ডার করা লাগবে না। আঙুলে ক্লিক করলেই জানতে পারবো তথ্য।

মন্ত্রী আরও বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে আর জনশুমারি করতে হবে না। জনশুমারির জন্য ১০ বছর অপেক্ষাও করা লাগবে না। এক সময় ঘড়ির কাটার মতো আমাদের সামনে টিক টিক করবে জনশুমারির তথ্যও। এক ক্লিকেই মাথা গুণতির খবর আমাদের সামনে আসবে।

এম এ মান্নান বলেন, আমাদের বিশ্বাস নিখুঁত না হলেও কাছাকাছি নিখুঁত শুমারি করতে পারবো। জনশুমারি একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। দেশের নানা পরিকল্পনা নির্ভর করে জনশুমারির ওপর। দেশের কোথায় কী পরিকল্পনা করতে হবে, খাদ্য চাহিদা কতো, শিক্ষা ব্যবস্থায় কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে সবই নির্ভর করে জনশুমারির ওপর।

শুমারি বাস্তবায়নে মৃতব্যয়ী হতে হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কাজ করতে গিয়ে মৃতব্যয়ী হতে হবে। যেখানে ১ পয়সা ব্যয় করতে হবে সেখানে সোয়া পয়সা নয়। আবার যেখানে ১ পয়সা লাগবে সেখানে আধা পয়সাও খরচ করা যাবে না। কাজ করতে গিয়ে সঠিকভাবে ব্যয় করতে হবে।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) প্রতিনিধি ড. আশা টরকেলসন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের পরিচালক কবির উদ্দিন আহাম্মদ।