• শুক্রবার   ১২ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৮ ১৪২৯

  • || ১৩ মুহররম ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি ফজিলাতুন নেছা মুজিব দৃঢ়চেতা-বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন: ওয়াং ই চীনে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি মায়ের দুধ শিশুর সর্বোত্তম খাবার: রাষ্ট্রপতি শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী: প্রধানমন্ত্রী শেখ কামাল ছিলেন ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমনা সুকুমার মনোবৃত্তির মানুষ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের মর্যাদাকে সমুন্নত করবে যুবসমাজ ‘শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখুন’ ঘাতকরা আজও তৎপর, আমাকে ও আ’লীগকে সরাতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

৯ ডিসেম্বর মুক্ত হয়েছিল নেত্রকোনা

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৯ ডিসেম্বর ২০২১  

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা মরণপণ লড়াই করে নেত্রকোনাকে হানাদার মুক্ত করেছিল। সেদিন নেত্রকোনা শহরকে মুক্ত করতে টাইগার বাহিনীর কমান্ডার আবু সিদ্দীক আহমদের নেতৃত্বে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে লড়াই করে শহীদ হয়েছিলেন- আবু খাঁ, আব্দুস সাত্তার ও আব্দুর রশিদ।

রণাঙ্গনে এই জেলার প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন। এর মধ্যে ৬৬ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ সহস্রাধিক সাধারণ মানুষকে প্রাণ দিতে হয় স্বাধীনতা অর্জনে। এই শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে নেত্রকোনায় আজ মুক্ত দিবস পালিত হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে ‘প্রজন্ম শপথ’ স্মৃতিফলকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসে সর্বস্তরের মানুষ। সকাল সাড়ে ১টায় প্রথমেই স্থানীয় সংসদ সদস্য সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু এমপি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডারসহ মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন।

মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত নেত্রকোনা জেলায় রয়েছে গৌরবময় ইতিহাস। ১৯৭১ সালের ২৯ এপ্রিল হানাদাররা নেত্রকোনায় ঢুকে পড়ে। রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে তারা মেতে উঠে নির্যাতন আর হত্যাযজ্ঞে। মানুষকে ধরে এনে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে ফেলে দেয় নেত্রকোনার মোক্তারপাড়া ব্রিজ ও থানার পাশে নদীর পাড়ে, চন্দ্রনাথ স্কুলের নদীর পাড়, চল্লিশা রেল ব্রিজে।

নেত্রকোনাকে মুক্ত করার লক্ষ্যে ৮ ডিসেম্বর তিন দিক থেকে পাকসেনাদের সঙ্গে লাগাতার যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকে মুক্তিযোদ্ধারা। ৯ ডিসেম্বর কৃষিফার্ম এলাকায় অ্যাম্বোস পেতে হানাদারদের ওপর আক্রমণ করে তারা। এ সময় সরাসরি যুদ্ধে শহীদ হন আব্দুল জব্বার, আব্দুর রশিদ ও আব্দুর সাত্তার। এই যুদ্ধে বহু পাকসেনা ও রাজাকার নিহত হন। অবশেষে পাকসেনারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। হানাদার মুক্ত হয় নেত্রকোনা।

নেত্রকোনার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে, স্বাধীনতা যুদ্ধে নেত্রকোনা জেলার ৩ হাজার ৪২৭ জন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। শহীদ হয়েছেন মোট ৬৬ জন।