• শনিবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৬ ১৪২৮

  • || ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
লবিস্ট নিয়োগের অর্থ বিএনপি কোথায় পেল ব্যাখ্যা দিতে হবে ‘সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি পৌঁছানো যায়’ জাতির পিতাকে হত্যার পর প্রতিবাদ করেছেন কবিরা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন কমিশন বিল সংসদে পাস দেশে এক বছরে প্রায় পৌনে ১৬ কোটি ডোজ টিকাদান সমৃদ্ধ অঞ্চল গড়তে ভারতের সাথে কাজ করবে বাংলাদেশ ৭ লাখ ৪১ হাজার বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী টিকা আবিষ্কারের আগেই সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী আমদানি-রপ্তানিতে কাস্টমস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে: রাষ্ট্রপতি ব্যবসায়ীদের উন্নত ডিজিটাল সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার প্রজাতন্ত্র দিবসে মোদীকে শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা পুলিশের সেবা প্রার্থীরা যেন হয়রানির শিকার না হয়: রাষ্ট্রপতি বারবার প্রকল্প সংশোধনে বিরক্তি প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর দেশীয় উদ্যোক্তারা বিদেশে সার কারখানা নির্মাণে বিনিয়োগ করতে পারবে গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় সমৃদ্ধ দেশ গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির করোনায় ভয়াবহ কিছু হবে না: অর্থমন্ত্রী শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন গণতন্ত্রের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস একটি অবিস্মরণীয় দিন ‘বাংলাদেশকে আর কেউ অবহেলা করতে পারবে না’ সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে চুপ থাকবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

৯ ডিসেম্বর মুক্ত হয়েছিল নেত্রকোনা

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৯ ডিসেম্বর ২০২১  

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা মরণপণ লড়াই করে নেত্রকোনাকে হানাদার মুক্ত করেছিল। সেদিন নেত্রকোনা শহরকে মুক্ত করতে টাইগার বাহিনীর কমান্ডার আবু সিদ্দীক আহমদের নেতৃত্বে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে লড়াই করে শহীদ হয়েছিলেন- আবু খাঁ, আব্দুস সাত্তার ও আব্দুর রশিদ।

রণাঙ্গনে এই জেলার প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন। এর মধ্যে ৬৬ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ সহস্রাধিক সাধারণ মানুষকে প্রাণ দিতে হয় স্বাধীনতা অর্জনে। এই শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে নেত্রকোনায় আজ মুক্ত দিবস পালিত হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে ‘প্রজন্ম শপথ’ স্মৃতিফলকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসে সর্বস্তরের মানুষ। সকাল সাড়ে ১টায় প্রথমেই স্থানীয় সংসদ সদস্য সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু এমপি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডারসহ মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন।

মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত নেত্রকোনা জেলায় রয়েছে গৌরবময় ইতিহাস। ১৯৭১ সালের ২৯ এপ্রিল হানাদাররা নেত্রকোনায় ঢুকে পড়ে। রাজাকারদের সঙ্গে নিয়ে তারা মেতে উঠে নির্যাতন আর হত্যাযজ্ঞে। মানুষকে ধরে এনে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে ফেলে দেয় নেত্রকোনার মোক্তারপাড়া ব্রিজ ও থানার পাশে নদীর পাড়ে, চন্দ্রনাথ স্কুলের নদীর পাড়, চল্লিশা রেল ব্রিজে।

নেত্রকোনাকে মুক্ত করার লক্ষ্যে ৮ ডিসেম্বর তিন দিক থেকে পাকসেনাদের সঙ্গে লাগাতার যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকে মুক্তিযোদ্ধারা। ৯ ডিসেম্বর কৃষিফার্ম এলাকায় অ্যাম্বোস পেতে হানাদারদের ওপর আক্রমণ করে তারা। এ সময় সরাসরি যুদ্ধে শহীদ হন আব্দুল জব্বার, আব্দুর রশিদ ও আব্দুর সাত্তার। এই যুদ্ধে বহু পাকসেনা ও রাজাকার নিহত হন। অবশেষে পাকসেনারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। হানাদার মুক্ত হয় নেত্রকোনা।

নেত্রকোনার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে, স্বাধীনতা যুদ্ধে নেত্রকোনা জেলার ৩ হাজার ৪২৭ জন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। শহীদ হয়েছেন মোট ৬৬ জন।