• শনিবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৬ ১৪২৮

  • || ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
লবিস্ট নিয়োগের অর্থ বিএনপি কোথায় পেল ব্যাখ্যা দিতে হবে ‘সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি পৌঁছানো যায়’ জাতির পিতাকে হত্যার পর প্রতিবাদ করেছেন কবিরা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন কমিশন বিল সংসদে পাস দেশে এক বছরে প্রায় পৌনে ১৬ কোটি ডোজ টিকাদান সমৃদ্ধ অঞ্চল গড়তে ভারতের সাথে কাজ করবে বাংলাদেশ ৭ লাখ ৪১ হাজার বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী টিকা আবিষ্কারের আগেই সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছিলাম: প্রধানমন্ত্রী আমদানি-রপ্তানিতে কাস্টমস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে: রাষ্ট্রপতি ব্যবসায়ীদের উন্নত ডিজিটাল সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার প্রজাতন্ত্র দিবসে মোদীকে শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা পুলিশের সেবা প্রার্থীরা যেন হয়রানির শিকার না হয়: রাষ্ট্রপতি বারবার প্রকল্প সংশোধনে বিরক্তি প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর দেশীয় উদ্যোক্তারা বিদেশে সার কারখানা নির্মাণে বিনিয়োগ করতে পারবে গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় সমৃদ্ধ দেশ গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির করোনায় ভয়াবহ কিছু হবে না: অর্থমন্ত্রী শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন গণতন্ত্রের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস একটি অবিস্মরণীয় দিন ‘বাংলাদেশকে আর কেউ অবহেলা করতে পারবে না’ সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে চুপ থাকবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যান সাঁতার না জানা জবি ছাত্রী

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর ২০২১  

অভিযান ১০ লঞ্চে অগ্নি দুর্ঘটনার শিকার হয়েও অল্পের জন্য বেঁচে যান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার। গত বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিস্টার চূড়ান্ত পরীক্ষা দিয়ে গ্রামের বাড়ি বরগুনা যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হোন তিনি।

ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, ঢাকায় অবস্থানরত এক ফুফাতো বোনকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর সদরঘাট নৌ-টার্মিনাল থেকে লঞ্চে উঠেন তিনি। মধ্যরাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে চলন্ত লঞ্চে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। সাঁতার না জানা ফাতেমা আক্তার এ সময় মায়ের পরামর্শে আগুন থেকে বাঁচতে ঝাঁপ দেন নদীতে। ততক্ষণে অগ্নিদগ্ধ হন তিনি।

সাঁতার না জানলেও ফুফাতো বোনের সহায়তায় পাড়ে উঠতে সক্ষম হন ফাতেমা। তার মা-বাবা দুজনেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী। জবির ব্যবস্থাপনা বিভাগের এই শিক্ষার্থী বর্তমানে ঝালকাঠির সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করার পরিকল্পনা করছে তার পরিবার।

পরিবারিক বরাত দিয়ে ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফাতেমা ও তার বোন ভয় পেয়ে মায়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। মায়ের পরামর্শে তারা সাঁতার না জানলেও নদীতে ঝাঁপ দেয়। পরে তার ফুফাতো বোনের সহায়তায় কোনোভাবে নদীর তীরে ওঠে। দুইজনের হার না মানা জীবন যুদ্ধের জন্য প্রাণে বেঁচে যায়।’

তিনি জানান, আগুনে ফাতেমার হাত-পায়ের অনেকাংশ পুড়ে গেছে। দীর্ঘক্ষণ নদীর পানিতে থাকায় অধিক ঠান্ডায় কারণে শ্বাসকষ্টেও ভুগছেন।

রোববার সকালে তার বাবা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করবে বলে জানিয়েছে।

ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘ফাতেমার পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক আমি যোগাযোগ করে তার বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছি। অন্য সুযোগ-সুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার পাশে থাকবে।’