• শুক্রবার   ১৯ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ৩ ১৪২৯

  • || ২০ মুহররম ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আ. লীগের নেতারা কী করেছিলেন: প্রধানমন্ত্রী সুশীল বাবু মইনুল খুনিদের নিয়ে দল গঠন করে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতরা আজ মানবাধিকারের কথা বলে: প্রধানমন্ত্রী ভারত পারলে আমরাও রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারবো: প্রধানমন্ত্রী ‘ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি’ খবরদার আন্দোলনকারীদের ডিস্টার্ব করবেন না: প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার মৃত্যু নেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঙ্গবন্ধু আমাদের রোল মডেল শোক দিবসে বঙ্গভবনে বিশেষ দোয়ার আয়োজন রাষ্ট্রপতির টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি

লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যান সাঁতার না জানা জবি ছাত্রী

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর ২০২১  

অভিযান ১০ লঞ্চে অগ্নি দুর্ঘটনার শিকার হয়েও অল্পের জন্য বেঁচে যান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার। গত বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিস্টার চূড়ান্ত পরীক্ষা দিয়ে গ্রামের বাড়ি বরগুনা যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হোন তিনি।

ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, ঢাকায় অবস্থানরত এক ফুফাতো বোনকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর সদরঘাট নৌ-টার্মিনাল থেকে লঞ্চে উঠেন তিনি। মধ্যরাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে চলন্ত লঞ্চে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। সাঁতার না জানা ফাতেমা আক্তার এ সময় মায়ের পরামর্শে আগুন থেকে বাঁচতে ঝাঁপ দেন নদীতে। ততক্ষণে অগ্নিদগ্ধ হন তিনি।

সাঁতার না জানলেও ফুফাতো বোনের সহায়তায় পাড়ে উঠতে সক্ষম হন ফাতেমা। তার মা-বাবা দুজনেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী। জবির ব্যবস্থাপনা বিভাগের এই শিক্ষার্থী বর্তমানে ঝালকাঠির সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করার পরিকল্পনা করছে তার পরিবার।

পরিবারিক বরাত দিয়ে ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফাতেমা ও তার বোন ভয় পেয়ে মায়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। মায়ের পরামর্শে তারা সাঁতার না জানলেও নদীতে ঝাঁপ দেয়। পরে তার ফুফাতো বোনের সহায়তায় কোনোভাবে নদীর তীরে ওঠে। দুইজনের হার না মানা জীবন যুদ্ধের জন্য প্রাণে বেঁচে যায়।’

তিনি জানান, আগুনে ফাতেমার হাত-পায়ের অনেকাংশ পুড়ে গেছে। দীর্ঘক্ষণ নদীর পানিতে থাকায় অধিক ঠান্ডায় কারণে শ্বাসকষ্টেও ভুগছেন।

রোববার সকালে তার বাবা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করবে বলে জানিয়েছে।

ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘ফাতেমার পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক আমি যোগাযোগ করে তার বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছি। অন্য সুযোগ-সুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার পাশে থাকবে।’