• শনিবার   ১৩ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৮ ১৪২৯

  • || ১৪ মুহররম ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি ফজিলাতুন নেছা মুজিব দৃঢ়চেতা-বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন: ওয়াং ই চীনে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি মায়ের দুধ শিশুর সর্বোত্তম খাবার: রাষ্ট্রপতি শেখ কামাল ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী: প্রধানমন্ত্রী শেখ কামাল ছিলেন ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমনা সুকুমার মনোবৃত্তির মানুষ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের মর্যাদাকে সমুন্নত করবে যুবসমাজ ‘শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখুন’ ঘাতকরা আজও তৎপর, আমাকে ও আ’লীগকে সরাতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০২২  

সবাইকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগিয়ে যেতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারপ্রধান বলেন, পদ্মা সেতুর চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ দেখিয়েছে: আমরাও পারি।

রোববার (২৬ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০২২-এ সেরা মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার সময় শিক্ষাক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৩ সালে তিনি মঞ্জুরি কমিশন গঠন করেন। কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা এবং আণবিক শক্তি গবেষণা কমিশনও গঠন করেন। তিনি বিজ্ঞান শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু আমাদের দেশের ‍উপযুক্ত একটি শিক্ষা কমিশন, কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে একটি কমিশন গঠন করেন। কিন্তু ’৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর সেই কমিশনের রিপোর্ট আর আলোর মুখ দেখেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। সরকার গঠনের পর আমাদের প্রচেষ্টা ছিল, সব ক্যাম্পাসে শিক্ষার একটা পরিবেশ সৃষ্টি করা। শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিই। এর পাশাপাশি গবেষণার ওপর আমি গুরুত্ব দিই।’

তিনি বলেন, ‘সাফল্য অর্জন করতে হলে একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করেই অগ্রসর হতে হবে। লক্ষ্য স্থির ছাড়া উন্নতি করা যায় না। ২০১০ সালে আমরা সমন্বিত শিক্ষা নীতি প্রণয়োন করে বাস্তবায়ন করি।’

এ সময় বঙ্গবন্ধুকন্যা আরও বলেন, ‘মেধা অন্বেষণ একটি চমৎকার ব্যবস্থা। এর মধ্য থেকে অনেক সুপ্ত জ্ঞান বেরিয়ে আসবে, যা আমাদের দেশের আগামী দিনের উন্নয়নে কাজে লাগবে। বিজ্ঞানচর্চা ও প্রযুক্তি জ্ঞানের মাধ্যমে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’