• বৃহস্পতিবার   ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২০ ১৪২৯

  • || ১০ রজব ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ভাষা-সাহিত্য চর্চাও ডিজিটাল করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ মানহীন শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে: রাষ্ট্রপতি গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী মুসলিম উম্মাহকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান দেশের ব্যাপক উন্নয়ন বিবেচনায় নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলেই মানুষের উন্নতি হয়: প্রধানমন্ত্রী আমি জোর করে দেশে ফিরেছিলাম, আ.লীগ পালায় না: শেখ হাসিনা আজ ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১-৭ মার্চ মোবাইলে কল করলেই শোনা যাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিন: প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস রুখে দিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে পুলিশ সারদায় কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে

দেশে প্রতিবন্ধী শিশুদের অর্ধেকেরও বেশি স্কুলে যায় না

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২৩  

বাংলাদেশে বেশির ভাগ প্রতিবন্ধী শিশু কোনো আনুষ্ঠানিক শিক্ষা বা স্কুলে যায় না। যারা আবার আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা নিচ্ছে, তারা বয়স অনুপাতে শিক্ষার দিক দিয়ে গড়ে দুই বছরের বেশি পিছিয়ে। একটি জরিপে উঠে এসেছে এসব তথ্য। জরিপটি করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। এতে সহায়তা করেছে ইউনিসেফ। এর নাম ‘জাতীয় প্রতিবন্ধী ব্যক্তি জরিপ (এনএসপিডি) ২০২১’।

জরিপ বলছে, ৫-১৭ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে মাত্র ৬৫ শতাংশ শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নথিভুক্ত রয়েছে। আর ৩৫ শতাংশ শিশু নথিভুক্ত আছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। মোট ৬০ শতাংশ প্রতিবন্ধী শিশু আনুষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমস্যার বিষয়ে জরিপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষার আইনে যে ১২ ধরনের প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে, সেগুলো থেকে অন্তত একটি প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বেঁচে আছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। অন্যদিকে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিশুর অন্তত ‘ফাংশনাল ডিফিকাল্টি’ রয়েছে। ফাংশনাল ডিফিকাল্টির মধ্যে রয়েছে- দেখা, শোনা, হাঁটা, আঙ্গুল ব্যবহার করে সূক্ষ্ম কাজ করা, যোগাযোগ, শেখা, খেলা বা আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা।

জরিপে দেখা যায়, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে যারা কাজ করার বয়সী, তাদের মাত্র এক তৃতীয়াংশ কর্মরত, যেখানে পুরুষদের তুলনায় নারীদের কাজে নিযুক্ত না থাকার সম্ভাবনা বেশি। আর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে যারা সরকারিভাবে নিবন্ধিত, তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশ সামাজিক সুরক্ষা হিসেবে ভাতা পান, আর অনিবন্ধিত থেকে যান প্রায় ৬৫ শতাংশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি।

বিবিএসের প্রকল্প পরিচালক ইফতেখাইরুল করিম বলেন, এই প্রথম প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে একটি জাতীয় জরিপ পরিচালনা করেছে বিবিএস। এই জরিপ থেকে পাওয়া তথ্য প্রতিবন্ধী শিশুরা বেড়ে ওঠার সময় কত প্রকার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয় তা তুলে ধরেছে। রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য পরিকল্পনা ও উদ্যোগ প্রণয়নে সরকারকে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে কতজন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তা তুলে ধরেছে নতুন এই তথ্য। এসব শিশুদের জন্য আমাদের আরও অনেক কিছু করা দরকার। তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সেবা প্রদান করতে হবে।