• বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪৩০

  • || ১০ শা'বান ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
অশিক্ষার অন্ধকারে কেউ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আগামীকাল মিউনিখ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝায় গুণীজনদের সম্মাননা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি একুশে পদকপ্রাপ্তদের অনুসরণ করে তরুণরা সোনার বাংলা বিনির্মাণ করবে আজ একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী বরই খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধান করবে আইইডিসিআর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দিন: প্রধানমন্ত্রী গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, আজারবাইজান থেকে বড় বিনিয়োগ আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শান্তি ফর্মুলা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাইলেন জেলেনস্কি কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন শেখ হাসিনা কিছু খুচরো দল তিড়িং বিড়িং করে লাফাচ্ছে: শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন

বস্তির শিক্ষার্থীদের বছরে বৃত্তি দেওয়া হবে কোটি টাকা: মেয়র আতিক

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০২৩  

বস্তিতে বসবাসকারী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য প্রতি বছর ডিএনসিসির পক্ষ থেকে এক কোটি টাকা শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আমি কয়েকদিন আগে কড়াইল বস্তি ও ভাসানটেক বস্তি পরিদর্শন করেছি, এই শহরের মেয়র হিসেবে আমি বলতে চাই, পুনর্বাসন ব্যতীত কোনো বস্তি উচ্ছেদ হবে না।
এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

বুধবার (২৯ নভেম্বর ২০২৩) রাজধানীর গুলশানে ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনের ৬ষ্ঠ তলায় সম্মেলন কক্ষে ইউএনডিপির সহযোগিতায় ডিএনসিসি ‘জলবায়ু উদ্বাস্তু নিয়ে ঢাকা উত্তরের চ্যালেঞ্জ ও সমাধান’ বিষয়ক পলিসি ডায়ালগ আয়োজন করে। (Policy Dialogue on Climate-Induced Displacement: Challenges and Way Forward for Dhaka North)। দিনব্যাপী চলমান এই পলিসি ডায়ালগ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানে জলবায়ু উদ্বাস্তু অনেকে যে যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন সেগুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যায় তুলে ধরার জন্যই এই পলিসি ডায়ালগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় আগত জলবায়ু উদ্বাস্তুদের সমস্যার কথা জলবায়ু সম্মেলনে তুলে ধরবো। আপনাদের বক্তব্য জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্ব নেতা ও বিশ্বের মেয়রদের কাছে তুলে ধরবো। বিশ্বনেতাদের কাছে যে বার্তা দিতে চাই, তা হলো আমাদের থাকার ব্যবস্থা, আমাদের শিক্ষার ব্যবস্থা, সুস্থ বায়ুর ব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে স্বাস্থ্যকর পরিবেশের ব্যবস্থা করা।

মেয়র বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন মান নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার চেষ্টা করছে, বিভিন্ন এনজিও আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। কিন্তু আমাদেরও সীমাবদ্ধতা আছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহবান করবো তারা যেন এগিয়ে আসে। যাদের জন্য আজকের লবণাক্ত পানির উচ্চতা বেড়ে গিয়ে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জনজীবন বিপন্ন, যাদের জন্য উত্তরবঙ্গে পানি লেয়ার নিচে নেমে গেছে সেখানে জনজীবন বিপন্ন তাদেরকে দ্বায়িত্ব নিতে হবে।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় আগত জলবায়ু উদ্বাস্তুদের দুর্দশার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ফোরামের কাছে প্রশ্ন রাখবো, ঘূর্ণিঝড়ে, জলোচ্ছ্বাসে, বন্যায়, খরায় কিংবা নদীভাঙ্গনে যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদের দায়িত্ব কে নেবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে লস অ্যান্ড ড্যামেজ কিভাবে মোকাবিলা করা হবে সেই দায়িত্ব উন্নত বিশ্বকে নিতে হবে। আমরা দ্রুতই ঢাকায় আগত জলবায়ু উদ্বাস্তুদের একটি ডাটাবেজ তৈরি করবো। আমি ইউএনডিপিকে (জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি) অনুরোধ করবো এই বিষয়ে আমাদের সাথে যৌথভাবে কাজ করার জন্য। এখন আমাদের তথ্য দরকার কতজন লবণাক্ততার জন্য আসছে, কতজন নদীভাঙ্গনের জন্য এসেছে, কতজন বন্যা ও খরার জন্য এসেছে। তাদের এই তথ্যগুলো উন্নত বিশ্বের কাছে তুলে ধরবো।

তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে কিভাবে কড়াইল বস্তি, ভাসানটেক বস্তি, সাততলা বস্তির উন্নয়ন করা যায়। এখানে এই বস্তিবাসীরাও কিন্তু কেউ জায়গা নিয়ে আবার কেউ ভাড়া নিয়ে আছে, তাদেরকে পরিকল্পনা অনুযায়ী উন্নয়ন করতে হবে। যেখানে মাঠ থাকতে হবে, পার্ক থাকতে হবে, বিদ্যালয় থাকতে হবে। আমরা আগামী দুই বছরে দুই লক্ষ গাছ লাগাবো। কিন্তু কথা হচ্ছে গাছ লাগানো সহজ কিন্তু এর পরিচর্যা করা কঠিন। আমি ধন্যবাদ জানাই যারা এই গাছগুলোর পরিচর্যা করছেন। যারা পরিবেশ বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত তাদের জন্য তহবিল দরকার যা দ্বারা আমরা ক্ষতিপূরণ করতে পারি।  

মেয়র আরও বলেন, আমরা সম্প্রতি সাততলা বস্তিতে ফায়ার হাইড্রেন্ট বসিয়েছি। যাতে আগুন লাগলে তারা নিজেরা আগুন নিভাতে পারে। এইরকম ফায়ার হাইড্রেন্ট সাততলা বস্তিতে আরও পাঁচটি দরকার, কড়াইল বস্তিতে ১০টি দরকার, ভাষানটেক বস্তিতে ১০টি দরকার। পর্যায়ক্রমে সেগুলো করা হবে।

ডিএনসিসির সহকারী নগর পরিকল্পনাবিদ ফারজানা ববির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের ডেপুটি আবাসিক প্রতিনিধি সোনালী দয়ারত্ন, ব্রিটিশ হাইকমিশনের জলবায়ু ও পরিবেশ বিষয়ক টিম লিডার এলেক্স হার্ভে, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, ইমেরিটাস অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার, স্থপতি সালমা এ. শফি প্রমুখ।