• শুক্রবার   ১৯ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ৩ ১৪২৯

  • || ২০ মুহররম ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আ. লীগের নেতারা কী করেছিলেন: প্রধানমন্ত্রী সুশীল বাবু মইনুল খুনিদের নিয়ে দল গঠন করে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতরা আজ মানবাধিকারের কথা বলে: প্রধানমন্ত্রী ভারত পারলে আমরাও রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারবো: প্রধানমন্ত্রী ‘ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি’ খবরদার আন্দোলনকারীদের ডিস্টার্ব করবেন না: প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার মৃত্যু নেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঙ্গবন্ধু আমাদের রোল মডেল শোক দিবসে বঙ্গভবনে বিশেষ দোয়ার আয়োজন রাষ্ট্রপতির টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি

শিক্ষকতার আড়ালে জঙ্গি কার্যক্রম চালাতেন হাফেজ ওয়াহিদুল

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২২  

নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলার দাওয়াহ শাখার অন্যতম প্রধান হাফেজ মো.ওয়াহিদুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিট-এটিইউ। বুধবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর গাবতলী আরিচা হাইওয়ে এসএস ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এটিইউ এর মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস শাখার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আসলাম খান বলেন, ‘গ্রেফতার ওয়াহিদুল ইসলাম দিনাজপুরের খানসামা থানার মণ্ডলের বাজার কুমুরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার হেফজখানার হাফেজ শিক্ষক। শিক্ষকতার আড়ালে তিনি দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলার জেএমবির দাওয়াহ শাখার অন্যতম প্রধান হিসেবে সাংগঠনিক কাজকর্ম পরিচালনা করে আসছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০২১ সালের ১১ ডিসেম্বর নীলফামারী জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জেএমবির ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। পরে নীলফামারীর সদর থানার মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়। মূলত এই তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই রাজধানী ঢাকা থেকে দেওয়া শাখার অন্যতম প্রধানকে আমরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। এ সময় এলাকার অন্যান্য সক্রিয় জেএমবি সদস্যরা ঢাকা এবং চট্টগ্রামে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে চলে যায়।’