• মঙ্গলবার   ০৫ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ২০ ১৪২৯

  • || ০৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
কাউকে যেন কষ্ট না পেতে হয়: প্রধানমন্ত্রী ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: পিজিআরকে রাষ্ট্রপতি জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, মোনাজাত পদ্মা সেতুতে সন্তানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি ‘পদ্মা সেতু ও রপ্তানি আয় জাতির সক্ষমতা প্রমাণ করছে’ টোল দিয়ে পদ্মা সেতুতে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী, গাড়ি থামিয়ে উপভোগ করলেন সৌন্দর্য পদ্মা সেতু নির্মাণের সব কৃতিত্ব জনগণের: প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতায় দেশকে এগিয়ে নিতে পেরেছি পারিবারিক আদালত আইনের খসড়া অনুমোদন ঈদের আগে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলছে না ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভোলেনি সরকার: প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুতে নাশকতার চেষ্টা: আটক ১ সঞ্চয় বাড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হচ্ছে নতুন মুদ্রানীতি সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস হচ্ছে আজ নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সায়মা ওয়াজেদের মমত্ববোধ রেল ক্রসিংয়ে ওভারপাস করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে সেতু-উড়াল সড়ক নির্মাণের নির্দেশ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৩২টি সন্ত্রাসী গ্রুপ, সবগুলোই সশস্ত্র

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৭ জুন ২০২২  

কক্সবাজারের ৩৪ ক্যাম্পে বাস করছেন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। এসব ক্যাম্পের অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করছে ৩২টি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ ও উপ গ্রুপ। এসব গ্রুপের নাম পুলিশের খাতায় উঠেছে। এর মধ্যে সবগুলোই সশস্ত্র। মিয়ানমার থেকে তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করারও খবর মিলেছে।

এরমধ্যে অন্যতম আল-ইয়াকিন গ্রুপ। যারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিরোধী। খুনাখুনি-মাদক কারবারসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। বিশ্লেষকরা বলছেন, রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যার ২৩ দিনের মাথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৬ জন নিহতের ঘটনা ভবিষ্যতের জন্য ভয়ংকর ইঙ্গিত দিচ্ছে। মিয়ানমারের নীল নকশা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী হিসেবে তুলে ধরতে এসব অপতৎরতা চালানো হচ্ছে।

এসব সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেছে মিয়ানমার সরকার। আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলাটি প্রশ্নবিদ্ধ করাই তাদের লক্ষ্য।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক মিশন প্রধান মেজর (অব.) মো. এমদাদুল ইসলাম বলেন, ‘মিয়ানমার চাইবেনা যে রোহিঙ্গারা সংঘবদ্ধ হোক। এতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সেখানে যদি পারস্পরিক নেতৃত্বের কারণে এমন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে রোহিঙ্গারা এটাতে আরও বেশি জড়িয়ে পড়বে।’

নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে ইয়াবার বিনিময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অস্ত্র আনার পাশাপাশি ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র আনছে রোহিঙ্গারা। এমদাদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও নজরদারী বাড়াতে হবে। এই বিষয়ে আরও বেশি সচেতন হতে হবে।’

রোহিঙ্গা সশস্ত্র গ্রুপগুলোকে দমনে ক্যাম্পগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। কক্সবাজার ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক মোহাম্মদ নাইমুল হক বলেন, আমাদের তিনটি ব্যাটালিয়ন এখানে কাজ করছি। পুলিশ, র‌্যাব সর্বক্ষণ থাকে, পাশাপাশি সেনাবাহিনীও রাতে টহল দিয়ে থাকে। এখানে নিরাপত্তার কোন ঘাটতি রয়েছে বলে আমার মনে হয়না।’

ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসা, মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রায়ই সংঘাতে জড়াচ্ছে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো।