• শুক্রবার   ১৯ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ৩ ১৪২৯

  • || ২০ মুহররম ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আ. লীগের নেতারা কী করেছিলেন: প্রধানমন্ত্রী সুশীল বাবু মইনুল খুনিদের নিয়ে দল গঠন করে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতরা আজ মানবাধিকারের কথা বলে: প্রধানমন্ত্রী ভারত পারলে আমরাও রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারবো: প্রধানমন্ত্রী ‘ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি’ খবরদার আন্দোলনকারীদের ডিস্টার্ব করবেন না: প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার মৃত্যু নেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঙ্গবন্ধু আমাদের রোল মডেল শোক দিবসে বঙ্গভবনে বিশেষ দোয়ার আয়োজন রাষ্ট্রপতির টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যার নির্দেশ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কমিশনকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ৪০০তম ওয়ানডে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তা: বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার অবদান রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বঙ্গমাতার মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে বঙ্গমাতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বাধীনতার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর সারথি ছিলেন আমার মা: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল: রাষ্ট্রপতি

১০ মিনিটেই ভিসা, সহজেই ২৬ দেশ ভ্রমণের টোপ!

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০২২  

এক ভিসায় ২৬ দেশ ভ্রমণ। তাই আগ্রহটাও বেশি। আর এই সুযোগকেই কাজে লাগাচ্ছে প্রতারক সিন্ডিকেট। ঘরে বসেই মাত্র ১০ মিনিটে ভুয়া ভিসা তৈরি করা হচ্ছে। সেনজেন ভিসায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কথা বলে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। সাত সদস্যকে গ্রেফতারের পর গোয়েন্দারা বলছেন, এটি একটি আন্তর্জাতিক প্রতারকচক্র। বিদেশেও রয়েছে তাদের সদস্য।

যে ভিসা পেতে মাসের পর মাস এমনকি বছরের পর বছর অপেক্ষা করেও নিরাশ হতে হয় সেই ভিসাই তৈরি হয়ে যাচ্ছে মাত্র ১০ মিনিটে। নেই ভিসা প্রদানকারী দেশের কোনো অনুমোদন। ফটোশপ আর কিছু সফটওয়ারের মাধ্যমে অসাধুচক্র তৈরি করছে সেনজেন ভিসা।

পুলিশি অভিযানে ভিসা তৈরির সময় হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয় লিটন মাহমুদকে। তার দেয়া তথ্যে পরে গ্রেফতার করা হয় আরও ৬ জনকে। বেরিয়ে আসে ভুয়া ভিসা তৈরি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া চক্রটির আদ্যোপান্ত।

চক্রটির অন্যতম সদস্য জুয়েল প্রধান। সেনজেন ভিসায় বিদেশ যেতে আগ্রহীদের জোগাড় করার দায়িত্ব তার। পাসপোর্টে ভিসার স্টিকার বসানোর কাজ করেন আরিফ হোসেন। এয়ার টিকেট ম্যানেজ করেন মুকসেদ ওরফে রাজ। আর টার্গেট দেশে যাওয়ার পর সেখানকার ইমিগ্রেশন পার করার দায়িত্ব পালন করে ভারতীয় এক দালাল।

জুয়েল বলেন, ইতালি যাওয়ার জন্য ১৫ লাখ টাকা চুক্তি করি। ভিসা করার জন্য আরিফকে ২০ হাজার টাকা দেই। তারপর টিকিট কাটি ৩ লাখ ৪ হাজার টাকা দিয়ে। বিমানবন্দরেও আমাদের চুক্তি থাকে। পুলিশ বলছে, ১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ভুয়া ভিসা তৈরি করে দেয় চক্রটি। এই টাকার ভাগ যায় চার থেকে পাঁচ জায়গায়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, এনএসআই এবং বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় একটি চক্রকে ধরতে পেরেছি। তারা বাসায় কম্পিউটারে ফটোশপে কাজ করে সর্বোচ্চ ২০ টাকা খরচ করে সেনজেন ভিসা তৈরি করে ৫০০ টাকায় বিক্রি করে দেন ২/৪ জন দালালের কাছে। সেই দালালরা বিভিন্ন শহর-উপশহরসহ মফস্বল থেকে মক্কেলকে ধরেন। তারপর তাদের পাসপোর্টে ওই ভিসার স্টিকার লাগিয়ে দেয়া হয়। এ রকম কাজে বেশিরভাগ সময়ই তারা ব্যর্থ হন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সফল হয়েছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখবো।

তিনি আরও বলেন, এসব ভিসা একেবারে ঘরোয়াভাবে তৈরি। কোনো দূতাবাস বা দেশ থেকে এসব ভিসার কোনো স্বীকৃতি নেই। সুতরাং এগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া। চক্রটির সঙ্গে সিভিল এভিয়েশনের কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।