• বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪৩০

  • || ১০ শা'বান ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
অশিক্ষার অন্ধকারে কেউ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী একুশ মাথা নত না করতে শেখায়: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আগামীকাল মিউনিখ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝায় গুণীজনদের সম্মাননা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি একুশে পদকপ্রাপ্তদের অনুসরণ করে তরুণরা সোনার বাংলা বিনির্মাণ করবে আজ একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী বরই খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধান করবে আইইডিসিআর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দিন: প্রধানমন্ত্রী গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা: শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, আজারবাইজান থেকে বড় বিনিয়োগ আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শান্তি ফর্মুলা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাইলেন জেলেনস্কি কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন শেখ হাসিনা কিছু খুচরো দল তিড়িং বিড়িং করে লাফাচ্ছে: শেখ হাসিনা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন

জিনের গল্পে ঘটনায় নতুন মোড়

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৭ ডিসেম্বর ২০২৩  

নড়াইলে ৫৭ দিনের শিশু আরাফ হত্যা মামলায় তার মা মৌসুমি খানমকে (২৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, সন্তানের মরদেহ পুকুরে ফেলে জিনে নেয়ার গল্প সাজান তিনি।

মঙ্গলবার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় মৌসুমিকে। এরপর বুধবার আদালতে তোলা হয় তাকে।

এর আগে ২৭ নভেম্বর আরাফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নড়াইলের লস্করপুর গ্রামে মেহগনি বাগানের পুকুরে পাওয়া যায় তার মরদেহ। শিশুটির বয়স এক মাস ২৭ দিন।

এ ঘটনায় শিশুর বাবা মো. মিলন মোল্যা ২৯ নভেম্বর নড়াইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহা. মেহেদী হাসান বলেন, এরপর ডিবি পুলিশ মৌসুমি খানমকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে শিশু হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মৌসুমির বরাতে পুলিশ জানায়, জন্মের পর থেকেই শিশু আরাফের শ্বাসনালী ছোট হওয়ায় শ্বাস নিতে সমস্যা হতো তার। দুধ খেতে গেলে বুকে আটকে যেত। মাঝেমধ্যে বমিও করতো সে। ঠান্ডাজনিত সমস্যাও ছিল। ফলে তাকে সব সময় চিকিৎসার মধ্যে রাখা হতো। ঘটনার দিন মায়ের বুকের দুধ খাওয়ার সময় হঠাৎ আরাফের মুখ হা হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর নীল হয়ে যায় তার শরীর। তখন মৌসুমি ভেবেছিলেন, বাচ্চার বুকে মনে হয় দুধ আটকে গেছে। এরপর তিনি তার বাচ্চাকে সোজা করে ঝাকাঝাকি করতে থাকেন। মাথায় ফুঁ দেন। কিন্তু আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে যায় শিশুটি।

পুলিশ আরো জানায়, এতে ভয় পেয়ে যান মৌসুমি খানম। তারপর তিনি তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন এবং স্বামীর ভয়ে মৃত শিশু সন্তানকে রাতের অন্ধকারে বাড়ির পাশে মেহগনি বাগানের পুকুরে ফেলে দেন।

পুলিশ জানায়, এরপর বাড়ি এসে সবাইকে বলেন যে, তার ছেলেকে পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনাটি অন্যদিকে নেয়ার জন্য জিন-পরি শিশুকে নিয়ে গেছে বলে গল্প সাজান।