• রোববার   ২৭ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১২ ১৪২৯

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
মিছিল-মিটিংয়ে আপত্তি নেই, মানুষের ওপর হামলায় সহ্য করবো না ‘যারা গ্রেনেড দিয়ে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা? যারা উন্নয়ন দেখে না, তারা চাইলে চোখের ডাক্তার দেখাতে পারে- প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি: প্রধানমন্ত্রী যোগাযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় আমিরাত আ.লীগ স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধুর খুনিকে লালন-পালন করছে: প্রধানমন্ত্রী সচিব সভায় ১০ নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী ব্যাংকে টাকা না থাকার গুজবে চোরেরা সুযোগ নেবে: প্রধানমন্ত্রী ‘রিজার্ভ নিয়ে সমস্যা নেই, সব ব্যাংকে টাকা আছে’ ‘যা চাইবেন তার চেয়ে বেশি দেবো, ওয়াদা দেন নৌকায় ভোট দেবেন’ রক্ত ও হত্যা ছাড়া বিএনপি কিছু দিতে পারেনি : প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনী এখন অনেক বেশি শক্তিশালী, আধুনিক ও চৌকস: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও গতিশীল, নিরাপদ: প্রধানমন্ত্রী যশোরে বিমান বাহিনীর কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছেলে-মেয়েরা একদিন বিশ্বকাপ খেলবে: প্রধানমন্ত্রী দেশে শ্রমঘন ও স্বল্প পুঁজির এসএমই উদ্যোক্তা তৈরি করা প্রয়োজন রোহিঙ্গারা এখন বাংলাদেশের জন্য ভারী বোঝা: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আমাদের টিম নেই, এটা আসলেই কষ্ট দেয়: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে: রাষ্ট্রপতি

চেহারা পাল্টে যাবে খুলনার, বাড়বে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০২২  

৭৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)। খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও নির্মাণ, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ তিনটি লিংক রোড নির্মাণ এবং নিউ মার্কেট সংলগ্ন পাঁচ তলা বিশিষ্ট বিপণী বিতাণ নির্মাণের কাজ চলছে। এই তিন প্রকল্প শেষ হলে খুলনার অবকাঠামোগত চেহারা যেমন পাল্টে যাবে, তেমনি উন্মুক্ত হবে অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দুয়ার।  

কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাবিরুল আলম জানান, কেডিএ’র ৭৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন প্রকল্প খুলনার রূপরেখা বদলে দেবে। বাড়বে অর্থনৈতিক সম্ভবনা। সেই সঙ্গে নতুন সড়ক স্থাপনে যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে ঘটবে আমূল পরিবর্তন। আমি আশাবাদী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা জানান, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ এখন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে। তারই ছোঁয়া কেডিএ’র তিন উন্নয়ন প্রকল্পে। এই প্রকল্পগুলোর কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। কেডিএ’র এই তিন প্রকল্পের কাজ শেষ হলে খুলনা যাতায়াত ব্যবস্থাসহ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে। 

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল বন্দ বলেন, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ লিংক রোড হিসেবে বাস্তহারা ক্ষুদের খাল ব্রিজের পাশ থেকে দেয়ানা গ্রামের মধ্যে দিয়ে সরাসরি গাইকুড় হয়ে পুরাতন সাতক্ষীরা সড়কে সংযুক্ত যে সড়ক নির্মাণ করবে তা এ অঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের দ্বার উম্মোচন করবে। এই সড়ক নির্মাণের ফলে এই অঞ্চলের মানুষ যাতায়াতে উপকৃত হবে। খুব সহজে এই সড়ক দিয়ে সরাসরি খুলনার প্রাণকেন্দ্রে গিয়ে ওঠা যাবে।

দেয়ানা গ্রামের বাসিন্দা মো. জাহিদ জানান, অনেকদিন ধরে দেখছি রাস্তা নির্মাণের জন্য জমি মাপঝোক চলছে। এই সড়ক দেয়ানা গ্রামের চেহারা বদলে দেবে। কারণ উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার ছাড়া উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি সম্ভব নয়। এই রাস্তা তৈরি হলে গ্রামের মানুষ যাতায়াতসহ নানামুখি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে। 

কেডিএ'র নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রকল্প) মোরতোজা আল মামুন জানান, প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে খুলনা সার্বিক উন্নয়নে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।

তিনটি লিংক রোডের নকশা

শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও নির্মাণ

খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক উন্নয়নে ৩ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার রাস্তা প্রশস্তকরণে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫৯ কোটি টাকা। ২০১৩ সালে ওই প্রকল্পের অনুমোদন মেলে। টেন্ডারও আহ্বান করা হয় ২০২০ সালে। ওই প্রকল্পের পুনঃটেন্ডার ২০২১ সালে আহ্বান করা হয় এবং একইসঙ্গে ওই বছরের নভেম্বর মাসে সিসিজিপি অনুমোদিত হয়। সেই আলোকে চলতি বছর ২০২২ এর জানুয়ারি মাস থেকেই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ওই উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যা একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ শেষ হয়েছে।

জানা যায়, ২০১০ সালে খুলনা নগরের রূপসা ট্রাফিক মোড় থেকে শিপইয়ার্ডের সামনে দিয়ে খানজাহান আলী সেতু (রূপসা সেতু) পর্যন্ত খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। ২০১৩ সালের মে মাসে একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। মেয়াদকাল ধরা হয়েছিল ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত। পরে তা বাড়িয়ে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। পরে আবারও প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। আর এতে বেড়েছে আর্থিক আকারও।

২০১৩ সালের ৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকার প্রকল্পটির বর্তমান ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫৯ কোটি ২১ লাখ টাকা। গত মে মাস পর্যন্ত প্রকল্পের ক্রমপুঞ্জিত খরচ হয়েছে ৯৭ কোটি ২৭ লাখ ৬১ হাজার টাকা, আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ। ভূমি অধিগ্রহণের টাকা দেওয়ায় এক্ষেত্রে ব্যয় বেশি হয়েছে। এখন প্রকল্পটির কাজ শেষ করতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ৯৮ কোটি ৯০ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। পরবর্তীতে বিশেষ সংশোধনীর মাধ্যমে ২৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা বাড়িয়ে ব্যয় ধরা হয় ১২৬ কোটি ৫৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এখন প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে ফের ১৩২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন পর্যন্ত প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৫৯ কোটি ২১ লাখ টাকা।

এদিকে অনুমোদনের সময় প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছর। কিন্তু পরবর্তীতে ব্যয়বৃদ্ধি ছাড়া এক বছর বাড়িয়ে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ করা হয়। এতেও শেষ হয়নি কাজ। দ্বিতীয়বার বিশেষ সংশোধনীর মাধ্যমে দুই বছর বাড়িয়ে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। এরপর ব্যয়বৃদ্ধি ছাড়াই তৃতীয়বার ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত এক বছর মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে তিন বছর বাড়িয়ে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।

বারবার মেয়াদ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, প্রকল্পভুক্ত ৭ দশমিক ৩০৩ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব জেলা প্রশাসকের দফতরে পাঠানো হয়। কিন্তু এর মধ্যে ৫ দশমিক ১০২ একর ভূমি প্রথমে হস্তান্তর করা হয়। অবশিষ্ট ভূমি বিভিন্ন সরকারি সংস্থা খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড, পানি উন্নয়ন বোর্ড, দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির অধিগ্রহণ করা ভূমি। এ জমির মধ্যে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ১ দশমিক ১৭৫ একর এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের শূন্য দশমিক ৭ হাজার ৫২০ একর ভূমির মধ্যে শূন্য দশমিক ৫ হাজার ৩০৫ একর ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমে দেরি হওয়ায় প্রকল্পটির বাস্তবায়ন দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

বর্তমানে সড়কের রাইট অব ওয়ে বরাবর ভূমির দখল পাওয়া গেছে। অধিগ্রহণ করা ভূমির ওপর স্থাপনা নিলামের ৬টি প্যাকেজের মধ্যে ৫টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট একটি প্যাকেজের স্থাপনা অপসারণ কাজ স্থানীয় জনসাধারণের আপত্তির কারণে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

সময় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্পের নির্মাণকাজের জন্য ই-জিপিতে ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রটি অনুমোদনের জন্য সিসিজিপিতে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারিতে নির্মাণ কাজের চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করা হয়। গত ১২ জানুয়ারি কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় ইউটিলিটি শিফটিং, স্থাপনা অপসারণ এবং বিদ্যমান সড়কটি শহরের ব্যস্ততম রাস্তা হওয়ায় ট্রাফিক চলাচল ব্যবস্থা চালু রেখে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে ব্রিজ, কালভার্ট ও সড়ক নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

১০ কিলোমিটারের তিনটি লিংক রোড নির্মাণ 

সাতক্ষীরা সড়ক সিটি বাইপাস সড়কে সংযুক্ত করে সংযোগ সড়কসহ তিনটি লিংক রোড স্থাপন করছে কেডিএ। ২০১৮ সালের শেষের দিকে অনুমোদন হয়। ওই তিনটি লিংক রোড ১০ দশমিক ১০ কিলোমিটার লম্বা হবে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯৫ কোটি টাকা। প্রকল্পের লিংক রোডের একটি নিরালা ১ নম্বর রোড থেকে শুরু করে সিটি বাইপাস, অন্যটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রায়েরমহল পর্যন্ত এবং অপরটি বাস্তহারা থেকে আড়ংঘাটা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর একটি নিরালা ১ নম্বর রোড থেকে সরাসরি লবণচরা থানার সামনে গিয়ে মিশবে। অন্যটি খুলনা গল্লামারি পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে সরাসরি রায়েরমহল হামিদ নগর স্কুলের পাশে গিয়ে মিশবে। অপরটি বাস্তহারা ক্ষুদের খাল ব্রিজের সামনে থেকে দেয়ানা গ্রামের মধ্যে দিয়ে সরাসরি গাইকুড় হয়ে পুরাতন সাতক্ষীরা সড়কে মিশবে।

নিরালা ১ নম্বর থেকে সিটি বাইপাস পর্যন্ত হবে চার লেনের সড়ক। এতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রায়েরমহল এবং বাস্তহারা থেকে আড়ংঘাটা পর্যন্ত সড়কগুলো দুই লেনের হবে।

বাস্তহারা থেকে আড়ংঘাটা পর্যন্ত সড়কের জমির মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে। ক্ষতিপূরণ প্রদান কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অন্য দুটি লিংক রোডের ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবের ৪ ধারার নোটিশ জারি ও সার্ভে কাজ শেষ করা হয়েছে। যার মূল্য নির্ধারণ চলছে। বর্তমান সড়ক ও জনপথ বিভাগের সর্বশেষ মূল্য সিডিউল অনুযায়ী সংশোধিত ডিপিপি প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। আগামী অর্থ বছরে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে।

নিউ মার্কেটের পাশে পাঁচ তলা বিপণী বিতান 

খুলনা নিউ মার্কেটকে ঘিরে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কেডিএ। কেডিএ’র অর্থায়নে বৃহৎ পরিসরে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিউমার্কেটের পাশে নির্মাণ করা হবে পাঁচ তলা বিশিষ্ট বিপনী বিতান। যেখানে প্রান্তিক মার্কেটের ৩০০ ব্যবসায়ীকে স্থানান্তর করা হবে। এর বেজমেন্ট হবে দু’টি। মাটির নিচে দু’টি ফ্লোর এবং উপরে পাঁচ তলা বিশিষ্ট বিপনীবিতান।

২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে। যার প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে প্রকল্পের নকশা তৈরি সম্পন্ন হয়েছে। কনস্যালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের দাখিলকৃত নকশা সংশোধিত ডিপিপি গত ২০ অক্টোবর ডিপিইসি সভায় প্রকল্পের সংশোধিত আকারে ডিপিপি অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। শিগগিরই সংশোধিত ডিপিপি চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে নিশ্চিত করেছেন কেডিএ’র নিবার্হী প্রকৌশলী (প্রকল্প) মোরতোজা আল মামুন। নিউ মার্কেটের পাশে এই এই বিপণী বিতান নির্মাণ হলে খুলনা বাণিজ্যিকভাবে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে। সম্ভবনা বাড়বে নতুন নতুন ব্যবসার।