• রোববার ২১ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৫ ১৪৩১

  • || ১৩ মুহররম ১৪৪৬

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ২১ জুলাই স্পেন যাবেন প্রধানমন্ত্রী আমার বিশ্বাস শিক্ষার্থীরা আদালতে ন্যায়বিচারই পাবে: প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রাণহানি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মার জন্য তাৎপর্যময় ও শোকের দিন আশুরার মর্মবাণী ধারণ করে সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী দুঃখ লাগছে, রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও বলে তারা রাজাকার শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ ‘চীন কিছু দেয়নি, ভারতের সঙ্গে গোলামি চুক্তি’ বলা মানসিক অসুস্থতা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে না দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার ফুটবলের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করুন চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল অক্টোবরে

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

রেললাইনের বেশিরভাগ নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় অক্টোবরে চট্টগ্রাম-দোহাজারী-কক্সবাজার রুটে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মফিজুর রহমান বলেন, “নির্ধারিত সময়ের সাত মাস আগে আগামী ১৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম-দোহাজারী-কক্সবাজার রুটে পরীক্ষামূলকভাবে চালানোর জন্য পটিয়া রেলস্টেশনে একটি ট্রেন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”

তিনি বলেন, প্রকল্পের ৮৯ শতাংশের বেশি নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে এবং বাকি কাজ আগামী ৬ মাসের মধ্যে শেষ হবে।

মফিজুর রহমান বলেন, এ পর্যন্ত ৩৯টি বড় সেতু, ২৪২টি কালভার্টের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে এবং ১০০ কিলোমিটার রেলপথের মধ্যে ৯৫ কিলোমিটার স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। এছাড়া, সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁখালী নদীর ওপর তিনটি বড় সেতুসহ ৪৩টি ছোট সেতু, ২০১টি কালভার্ট ও ১৪৪টি লেভেল ক্রসিং নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

নয়টির মধ্যে ছয়টি রেলস্টেশনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে এবং আরও দুই-তিনটি স্টেশন আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। বাকি স্টেশনগুলোর কাজ এখন পুরোদমে চলছে।

১০০ কিলোমিটার রুটে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চকরিয়া, ডুলাহাজরা, ঈদগাও, রামু, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও গুনদুমসহ মোট নয়টি স্টেশন থাকবে। এই স্টেশনগুলোতে শতভাগ কম্পিউটার-ভিত্তিক ইন্টারলকিং সিগন্যাল সিস্টেম এবং একটি সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক থাকবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন রেললাইনটি বন্দর নগরী থেকে পর্যটন শহর কক্সবাজার পর্যন্ত দ্রুত ও নির্বিঘ্নে ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করবে। কক্সবাজারে ঝিনুকের আদলে একটি আইকনিক রেলস্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে যেখানে আন্তর্জাতিক মানের সব সুবিধা পাওয়া যাবে।

১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকার প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে মোট ৬ হাজার ৩৪ কোটি টাকা দেশীয় উৎস থেকে মেটানো হচ্ছে এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে। দুটি চীনা প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালের এপ্রিলে এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।