• সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২ ১৪৩১

  • || ০৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ আশ্রয়ণের ঘর মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাচ্ছে সাড়ে ১৮ হাজার পরিবার শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন সোনিয়া গান্ধী মোদীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠকে দু’দেশের সম্পর্ক আগামীতে আরো দৃঢ় হবে বাংলাদেশ ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করতে আগ্রহী : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদী সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময় অ্যাক্রেডিটেশন দেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করতে সহায়তা করে: রাষ্ট্রপতি

সাড়ে তিন মিনিটে কর্নফুলি পাড় করবে বঙ্গবন্ধু টানেল

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

মাত্র সাড়ে তিন মিনিটে পাড়ি দেয়া যাবে তিন দশমিক ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। আগামী ২৮ অক্টোবর টানেলটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বললেন, এ টানেলের মাধ্যমে আর্ন্তজাতিক সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে বাংলাদেশ।

অসাধারণ স্থাপত্য শৈলীতে কর্ণফুলী নদীর নীচে নির্মাণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। ইতোমধ্যে উদ্বোধনের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন প্রধামন্ত্রীর মূখ্য সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২০১৯ সালে ২৪ ফেব্রুয়ারি নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চার বছর ৭ মাসে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে শেষ হয়েছে বিশাল নির্মাণযজ্ঞ। নদীয় তলদেশে মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। পাশাপাশি সংযুক্ত করা হয়েছে দুটি টিউব। টানেলের বাইরে এ্যাপ্রোচ সড়ক থাকছে প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ বলেন, “সম্ভাব্য ২৮ অক্টোবর উদ্বোধনের তারিখ নির্ধারণ করেছেন মন্ত্রী। সেই অনুযায়ী সেতু কর্তৃপক্ষ, সেতু বিভাগ, প্রশাসন সবাই মিলে এটি উদ্বোধন করার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম করে দিয়েছে।”

এ টানেল শুধু দুই কর্ণফুলী নদীর পারকে সংযুক্ত করেনি, ওয়ান সিটি টু টাউনের যে কনসেপ্ট সেটাও বাস্তবায়িত হয়েছে। এই টানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশ আর্ন্তজাতিক সড়ক নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জাল হোসেন মিয়া বলেন, “নদীর তলদেশের ১৮ থেকে ৩১ মিটার নীচ থেকে মানুষ চলে যাবে এবং কক্সবাজারের সঙ্গেও যোগাযোগ হবে।”

তিনি আরও জানান, টানেল সুরক্ষায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি থাকছে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্য সদস্যরাও।

তোফাজ্জাল হোসেন মিয়া বলেন, “স্থানীয় পুলিশ যেমনি থাকবে তেমনি কোস্টগার্ড এই এলাকায় থাকবে এবং ট্যুরিস্ট পুলিশও আশেপাশে থাকবে। ফলে নিরাপত্তা বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সেতুটির ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হবে।”

টানেলের নিরাপত্তায় বসানো হয়েছে ১০০টির বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা। গাড়ির গতিবেগ নির্ধারণ করা হয়েছে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার। উদ্বোধনের আগে এখন শুরু হবে চূড়ান্ত ট্রায়াল রান।