• শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪৩১

  • || ০৫ মুহররম ১৪৪৬

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
টেকসই উন্নয়নে পরিকল্পিত ও দক্ষ জনসংখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে চায় চীন: শি জিনপিং চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চীন সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-বেইজিং ৭ ঘোষণাপত্র, ২১ চুক্তি সই চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই উপযুক্ত সময় তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনা বিপ্লবীদের প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা চীন-বাংলাদেশ হাত মেলালে বিশাল কিছু অর্জন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বেইজিং পৌঁছেছেন, শি জিংপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক আজ দ্বিপক্ষীয় সফরে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে যাচ্ছেন আজ সর্বজনীন পেনশনে যুক্ত হতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান শেখ হাসিনার পড়াশোনা নষ্ট করে কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই পিজিআরকে ‘চেইন অব কমান্ডে’র প্রতি আস্থাশীল থেকে অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিতে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির ফলে টেকসই কৃষি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত হয়েছে এমডি পদের জন্য এত লালায়িত কেন, কী মধু আছে: প্রধানমন্ত্রী

চামড়া কেনায় মিলছে ২৭০ কোটি টাকা ঋণ

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৪  

কোরবানির ঈদে কাঁচা চামড়া কেনার জন্য ট্যানারি মালিকরা ২৭০ কোটি টাকা ঋণ পাবেন। তিনটি কিস্তিতে তাদেরকে এই ঋণ দেওয়া হবে। ঋণের প্রথম কিস্তির টাকা শনিবার ছাড় করা হয়েছে। ঈদের পরে পাবেন দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তির টাকা। গত বছরের তুলনায় এবার চামড়া ব্যবসায়ীরা ১১ কোটি টাকা বেশি ঋণ পাচ্ছেন। গত বছর পেয়েছিলেন ২৫৯ কোটি টাকা।

সূত্র জানায়, প্রতি বছরই চামড়া খাতে ঋণ দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বয়ের মাধ্যমে। এবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ খাতে ঋণের বিষয়টি সমন্বয় করছে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এবার ঋণ দেওয়া হবে। যে কারণে এ খাতে ঋণের বিষয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। কারণ গত বছর যারা ঋণ পেয়েছিলেন তাদের অনেকেই আগের ঋণ শোধ করতে পারেননি। ফলে নতুন ঋণ পেতে জটিলতার সৃষ্টি হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে উদ্যোক্তারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিলেন।

এদিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ও চামড়া খাতের উদ্যোক্তাদের নিয়ে একটি বৈঠক করে এ খাতে বাড়তি ঋণ দিতে সুপারিশ করে। ফলে শেষ মুহূর্তে নীতিমালায় বেশ কিছু ছাড় দিয়ে ব্যাংকগুলো ২৭০ কোটি টাকা ঋণ দিতে সম্মত হয়।

উদ্যোক্তারা এ বছর চামড়া কেনার জন্য ৫০০ কোটি টাকার ঋণ চেয়েছিলেন। তবে ব্যাংকগুলো এত বেশি ঋণ দিতে সম্মত হয়নি। কারণ এ খাতে দেওয়া ঋণ ফেরত আসে কম। ফলে খেলাপি হচ্ছে। শেষ মুহূর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে যেসব বাণিজ্যিক ব্যাংক সব সময় এ খাতে ঋণ দেয় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলো ঋণ দেওয়ার পরিমাণ বাড়িয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ব্যাংকগুলো ২১৮ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। শনিবার আরও ৫২ কোটি টাকা বাড়ানো হয়। তবে শেষ মুহূর্তে ঋণ বিতরণের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে ব্যাংকগুলো।

কারণ সরকার থেকেও এ খাতে ঋণের জোগান দিতে বলা হয়েছে। কারণ এ খাতে ঋণ না দিলে কোরবানির পশুর চামড়ার বড় অংশই দাম না পেয়ে ভারতে পাচার হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

এবার এ খাতে সবচেয়ে বেশি ঋণ দেবে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক-সোনালী, জনতা, রূপালী ও অগ্রণী। বাকি ঋণ দেবে বেসরকারি ব্যাংকগুলো। তবে এর বাইরে আরও কিছু ছোট উদ্যোক্তাদের ছোট অঙ্কের ঋণ দেবে বেসরকারি ব্যাংকগুলো। বেশ কিছু এনজিও থেকে এ খাতে সীমিত ঋণ দেওয়া হয়।

গত বৃহস্পতিবার রূপালী ব্যাংক দুটি ট্যানারিকে ৪০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। শনিবার তারা আরও দুটি ট্যানারির অনুকূলে ১২ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করেছে।