• শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৬ ১৪২৯

  • || ৩০ জ্বিলকদ ১৪৪৩

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
পদ্মা সেতুতে নাশকতার চেষ্টা: আটক ১ সঞ্চয় বাড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হচ্ছে নতুন মুদ্রানীতি সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট পাস হচ্ছে আজ নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সায়মা ওয়াজেদের মমত্ববোধ রেল ক্রসিংয়ে ওভারপাস করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে সেতু-উড়াল সড়ক নির্মাণের নির্দেশ ব্যবসা বৃদ্ধিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর সমন্বয়ে নিশ্চিত হবে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা চাকরির একমাত্র বিকল্প শিক্ষিত বেকারদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা পদ্মা সেতুতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে স্বপ্নজয়ের পর অপার সম্ভাবনার হাতছানি পদ্মা সেতু: প্রধানমন্ত্রীকে এশিয়ার পাঁচ দেশের অভিনন্দন ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে কাজ করছে সরকার পদ্মা সেতুর সফলতায় প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন নতুন প্রজন্মকে প্রস্তত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমরা বিজয়ী জাতি, মাথা উঁচু করে চলবো: প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

কমতে শুরু করেছে গমের দাম

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২২  

ক্রেতা সংকটের কারণে হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে বিক্রির অপেক্ষায় শত শত টন গম। এতে বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকরা। ফলে কমতে শুরু করেছে গমের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে গমের দাম কমেছে টনপ্রতি ৫-৭ হাজার টাকা।

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে মূলত গম, ভুট্টা, পেঁয়াজ ও পাথর আমদানি হয়ে থাকে। চাহিদা থাকায় বেশির ভাগ আমদানি হয় গম ও ভুট্টা। আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও ১২ মে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন এলসির কোনো গম রফতানি করবে না ভারত সরকার। এমন সংবাদের ভিত্তিতে অস্থির হয়ে ওঠে গমের বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে ২৭ টাকা কেজির গম বেড়ে দাঁড়ায় ৪০-৪২ টাকা। এতে বিপাকে পড়েন পাইকারা। কমে যায় বেচাবিক্রি।

তবে সপ্তাহ যেতে না যেতেই গমের দাম নিম্নমুখী। ক্রেতা সংকটে প্রতি কেজি গমের দাম কমেছে ৫-৭ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে গম বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৩৭ টাকা কেজি দরে।

গম আমদানি ও গমের বাজার নিয়ে জানতে চাইলে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশীদ হারুন বলেন, ভারত সরকার ১২ তারিখের পর নতুন কোনো এলসির গম রফতানি করবে না–এমন খবরে গমের বাজার বেশ অস্থির হয়ে ওঠে। কারণ, কিছু ব্যবসায়ী ভেবেছিল, ভারত হয়তো গম রফতানি একেবারে বন্ধ করে দিয়েছে। যার কারণে অনেক ব্যবসায়ী চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত গম কিনে মজুত করার চেষ্টা করে। আবার অনেকে দাম বাড়িয়ে দেয়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০ টাকা কেজির গম বেড়ে দাঁড়ায় ৪২-৪৫ টাকা।

ভারত সরকার আগের এলসির গম যখন দেওয়া শুরু করে, তখন বাজার আবার নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে। সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতি কেজি গমের দাম কমেছে টনপ্রতি ৬-৭ হাজার টাকারও বেশি।

কথা হয় আমদানিকারক রেন্টু কুমার শর্মার সঙ্গে। জানতে চাইলে বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠান সারা বছর হিলি স্থলবন্দরসহ অন্য স্থলবন্দরগুলো দিয়ে পণ্য আমদানি করে। মূলত আমরা গম, ভুট্টা, ভুসি, খৈলসহ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য আমদানি করে থাকি। তবে দেশের বাজারে চাহিদা থাকায় গমের আমদানি বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১২ মে থেকে গম আমদানি নিয়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে ব্যবসায়ীদের মাঝে।’

রেন্টু বলেন, ‘আমাদের ভারতে প্রচুর পরিমাণ গমের এলসি করা আছে। তবে এলসি করা থাকলেও সম্প্রতি ভারত সরকার গম রফতানি বন্ধ করার ঘোষণায় ভারতের ব্যবসায়ীরা গমের এলসি ডলার বাড়িয়ে দেয়। তাই দেশের বাজারে গমের দাম বেশি হয়। তবে বর্তমানে গমের ক্রেতা সংকটের কারণে বাজারে দাম কম। বর্তমানে গম বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৩৬ টাকা কেজি দরে।’
 
একজন পাইকার বলেন, ‘বর্তমানে গমের যে অবস্থা, আমরা গম কিনতে এসে বিপাকে পড়েছি। কখনো দাম বেশি আবার কখনো কম। গত সপ্তাহে যে গম বিক্রি হয়েছে ৪০-৪২ টাকা, আজ সে গম বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৩৬ টাকা দরে। প্রতি কেজিতে দাম কমেছে ৫-৭ টাকা। আর টনপ্রতি কমেছে ৫-৭ হাজার টাকা পর্যন্ত।
 
হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম নুরুল আলম খান বলেন, ‘হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গম আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। গম একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, তাই আমরা দ্রুত ছাড় করে থাকি। হিলি বন্দর দিয়ে গত সপ্তাহে ১০৪ ট্রাকে ৪০০ টন গম আমদানি হয়েছে। তবে এ সপ্তাহে দুদিনে কোনো গম আমদানি হয়নি।’