• শনিবার   ০৮ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২২ ১৪২৯

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
দেশের বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য: রাষ্ট্রপতি সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পথে লন্ডনে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রা বিরতি কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্যের সূচনা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব: রাষ্ট্রপতি সোনার বাংলা গড়তে কৃষিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ‘শিশুদের শারীরিক-মানসিক বিকাশে সুস্থ বিনোদনের বিকল্প নেই’ ‘মুজিববর্ষে ১ লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে’ শিশুদের বুকে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়ে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী আগামী প্রজন্মের জন্য পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি ‘সেনাবাহিনীর হাজার হাজার অফিসার ও সৈনিক হত্যা করে জিয়া’ যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানিয়ে হামিদ-হাসিনার চিঠি প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অপরিহার্য: রাষ্ট্রপতি দেশে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে একযোগে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে করোনায় প্রবীণদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী

এবার পাউন্ডের দরও ছুটছে পাগলা ঘোড়ার মতো

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২২  

শুধু ডলার নয়, টাকার বিপরীতে ব্রিটিশ মুদ্রা পাউন্ডের দরও ছুটছে পাগলা ঘোড়ার মতো। খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেট থেকে বুধবার ১ পাউন্ড কিনতে হাতে গুনে ১৫০ টাকা দিতে হয়েছে। ব্যাংকগুলো নিয়েছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা।

তবে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে টাকা-পাউন্ডের বিনিময় হার ছিল ১১৪ টাকা ৩৯ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলো যে দরে বিদেশি মুদ্রা লেনদেন করে তাকে আন্তব্যাংক রেট বা ব্যাংক রেট বলে। ব্যাংকগুলো এই দরের চেয়ে এক-দেড় টাকা বেশি দরে নিজেদের মধ্যে লেনদেন করে এবং গ্রাহকদের কাছে নগদ বিক্রি করে।

এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, কার্ব মার্কেটে ব্যাংক রেটের চেয়ে ৩৫ টাকা বেশি দামে পাউন্ড বিক্রি হচ্ছে। আর ব্যাংকগুলো ২৫ টাকা বেশি দরে নগদ পাউন্ড বিক্রি করছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে বুধবার ডলার-পাউন্ডের বিনিময় হার ছিল ১ ডলার ২২ সেন্ট। অর্থাৎ ১ পাউন্ডের জন্য লেগেছে ১ ডলার ২২ সেন্ট।

রুবায়েত ইসলাম সৌরভ উচ্চ শিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্য যাবেন, বেশ কিছু পাউন্ডের প্রয়োজন। বুধবার এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো ঘুরে প্রয়োজনীয় ডলার পাচ্ছিলেন না। দুপুর ২টার দিকে প্রতি পাউন্ডের জন্য ১৪৫ টাকা চাওয়া হয়। ৪টার দিকে সেই পাউন্ড ১৫০ টাকায় কিনেছেন সৌরভ।

তিনি বলেন, ‘খুব প্রয়োজন ছিল। এতো টাকা দিয়ে পাউন্ড কিনতে হবে কখনই ভাবিনি। ভেবেছিলাম ডলারের দাম বেশি; এখন দেখছি পাউন্ডও পাওয়া যায় না। তাই বাধ্য হয়ে ১৫০ টাকা দিয়েই কিনেছি।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে খোলাবাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘শুধু ডলার নয়, পাউন্ডও পাওয়া যাচ্ছে না। এমন বাজার আগে কখনও দেখিনি।’

মানি এক্সচেঞ্জে নজরদারি, পুলিশের অভিযান, দামে কারসাজির অভিযোগে ছয়টি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে সরিয়ে দেয়া- কোনো কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। বেড়েই চলেছে ডলারের দর; কমছে টাকার মান।

পাগলা ঘোড়ার মতোই ছুটছে আন্তর্জাতিক লেনদেনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দাম। সংকটের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া দরের চেয়ে ২৫ টাকা বেশিতে এখন ১২০ টাকায় খোলাবাজারে কিনতে হচ্ছে মুদ্রাটি। দেশের ইতিহাসে এর আগে এই ঘটনা কখনও ঘটেনি।