• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১১ রজব ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ভাষা-সাহিত্য চর্চাও ডিজিটাল করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ মানহীন শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে: রাষ্ট্রপতি গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী মুসলিম উম্মাহকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান দেশের ব্যাপক উন্নয়ন বিবেচনায় নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলেই মানুষের উন্নতি হয়: প্রধানমন্ত্রী আমি জোর করে দেশে ফিরেছিলাম, আ.লীগ পালায় না: শেখ হাসিনা আজ ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১-৭ মার্চ মোবাইলে কল করলেই শোনা যাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিন: প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস রুখে দিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে পুলিশ

আইএমএফ বোর্ডে উঠছে বাংলাদেশের ঋণ প্রস্তাব

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০২২  

চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের বোর্ডে উঠছে বাংলাদেশের ঋণ প্রস্তাব। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বোর্ডসভার প্রস্তুতি চলছে। বোর্ডে অনুমোদন পেলে প্রথম কিস্তি ছাড়ের আলোচনা শুরু হবে। ফেব্রুয়ারিতেই আসবে ৩৫ কোটি ডলার। এরপর ধাপে ধাপে আর্থিক খাতের সংস্কারের অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রতিবেদনের ওপর কিস্তির অর্থছাড় নির্ভর করবে। অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

সূত্র জানান, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় আইএমএফের বোর্ডসভায় বাংলাদেশের ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে।

আইএমএফের এ ঋণ পেতে ভ্যাট আইন, ২০১২-এর পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, আর্থিক খাতের নজরদারি বৃদ্ধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা, জ্বালানি খাতের ভর্তুকি কমানো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি কাটাতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করে তোলা, ব্যাংক ঋণ ও আমানতের সুদের হার বাড়ানো, আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব, নতুন  বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়নসহ আরও কিছু সংস্কারমূলক কার্যক্রম পরিপালন করতে হবে বাংলাদেশকে। এদিকে আইএমএফ প্রতিনিধি দল ফিরে যাওয়ার পর ইতোমধ্যে বিদ্যুতের দাম পাইকারি পর্যায়ে সমন্বয় করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়েও মূল্য সমন্বয়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। আইএমএফ জানিয়েছে, এ ঋণের প্রথম কিস্তি ৪৪৭ মিলিয়ন ডলার পাওয়া যাবে আসছে ফেব্রুয়ারিতে। বাকি অর্থ ৬৫৯ মিলিয়ন ডলার সমান ছয় কিস্তিতে ২০২৬ সালের মধ্যে পাবে বাংলাদেশ। অবশ্য এ ঋণের ক্ষেত্রে কোন শর্ত যুক্ত রয়েছে সরকার-আইএমএফ কোনো পক্ষই তা বলছে না। বলা হচ্ছে আর্থিক খাতে কিছু সংস্কার আনতে হবে। এমনকি সরকার সেগুলো নিয়ে আগে থেকেই কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এদিকে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকে আগামী জুনের মধ্যে ঋণ ও সহায়তার অংশ হিসেবে ১৫০ কোটি ডলার পাচ্ছে বাংলাদেশ। জুনের মধ্যে কারা কত দিতে পারে তা নিয়ে চলছে হিসাব-নিকাশ। জানা গেছে, এ সময়ের মধ্যে আইএমএফ দিতে পারে ৩৫ কোটি ডলার, বিশ্বব্যাংক ২৫ কোটি ডলার, এডিবির কাছ থেকে পাওয়া যেতে পারে ৫০ কোটি ডলার, জাপানের কাছ থেকে আসতে পারে ৩৫ কোটি ডলার।

এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘এটা একটা মন্দের ভালো খবর, ঋণটা পাওয়া যাবে সংকটকালে। প্রস্তাবটি যত তাড়াতাড়ি বোর্ডে পাস হবে তত তাড়াতাড়ি অর্থ ছাড় হবে। তবে এখানে মূল বিষয় হলো, কোনো শর্তই পরিষ্কার নয়। উভয় পক্ষ যেসব সংস্কারের কথা বলেছে সেগুলো তো আসলেই চলমান। কিন্তু এর বাইরে কোনো শর্ত আছে কি না, যেমন প্রথম কিস্তি পাওয়ার আগে কী কী করতে হবে, পরবর্র্তী কিস্তিগুলো পাওয়ার আগে কোন সময় কী করতে হবে সেগুলো তো নির্দিষ্ট করে প্রকাশ করা হয়নি। ফলে এখানে কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। আর চলমান সংকট মোকাবিলায় এ ঋণ কতটা কার্যকর হবে বা সংকট কেটে যাবে কি না তা এখনই বলা যাবে না। তবে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব তো অর্থনীতিতে পড়বেই।’