• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১১ রজব ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী সবাইকে হিসাব করে চলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া শিক্ষায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই জনগণকে বিশ্বাস করি, তারা যদি চায় আমরা থাকবো: প্রধানমন্ত্রী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ভাষা-সাহিত্য চর্চাও ডিজিটাল করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ মানহীন শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে: রাষ্ট্রপতি গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী মুসলিম উম্মাহকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান দেশের ব্যাপক উন্নয়ন বিবেচনায় নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলেই মানুষের উন্নতি হয়: প্রধানমন্ত্রী আমি জোর করে দেশে ফিরেছিলাম, আ.লীগ পালায় না: শেখ হাসিনা আজ ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ১-৭ মার্চ মোবাইলে কল করলেই শোনা যাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিন: প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস রুখে দিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে পুলিশ

১২০ কোটি টাকার সবজি উৎপাদনের আশা

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০২২  

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় চলতি শীত মৌসুমে দেড় হাজার হেক্টর জমিতে শিমসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা হয়েছে। জমি থেকে ১২০ কোটি টাকার সবজি উৎপাদনের আশা করছেন চাষিরা।

হাট দ্বিগাম্বর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতকালীন অন্যান্য সবজির পাশাপাশি দেশি জাতের শিমের প্রচুর সরবরাহ। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। অন্যান্য সবজির দাম আরো বেশি। গড়ে ৪০ টাকা কেজি হিসেবে ধরলেও ৩০ হাজার মেট্রিক সবজির দাম পড়ে অন্তত ১২০ কোটি টাকা।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার পুটিজুরী, যাদবপুর, মিড়ের পাড়া, লামাপুটিজুরী, আব্দানারায়ন, রাজসূরত, ভবানীপুর, কল্যাণপুর ও বাহুবলের শেষ সীমানা বড়চর গ্রামসহ পুরো উপজেলায় সবজির চাষ হয়েছে। শিমের পাশাপাশি এসব স্থানে কমবেশি চাষ হয়েছে লাল শাক, পালং শাক, লাউ ও বরবটিসহ অন্যান্য শাক-সবজি। এখানকার উৎপাদিত সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হচ্ছে।

প্রতিদিন সকালে দিগাম্বর বাজারে সবজির হাট বসে। বিভিন্ন শাকসব্জি খুচরা ও পাইকারি বিক্রি হয়। বিকেলে সেখানে চাই ফেলে সবজি বিক্রি করেন চাষিরা। গাড়ি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে এখান থেকে সবজি পাঠানো হয়।

এক খুচরা ব্যবসায়ী জানান, আগাম শিম বাজারে আসতে শুরু হয়েছে। নতুন সবজি হিসেবে এখন শিমের বেশ চাহিদা। পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য সবজিও।

একজন পাইকারি বিক্রেতা জানান, চাষিদের ক্ষেত থেকে বিভিন্ন সবজি কিনে ট্রাকে করে দেশের বড় বড় পাইকারি বাজারে পাঠানো হয়। সেখান থেকে অনলাইন ব্যাংকিয়ের মাধ্যমে টাকার লেনদেন হয়। এতে তার পাঁচ সদস্যের পরিবার চলে।

বাহুবল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল জানান, গত বছরের তুলনায় এবছর বাহুবলে সবজি চাষ হয়েছে ৫শ’ হেক্টর বেড়ে চাষ হয়েছে দেড় হাজার হেক্টর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও ভালো হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী জমি থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন সবজি উৎপাদন হবে।