• শুক্রবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল হস্তান্তর ব্যাংক খাতের পরিস্থিতি জানানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১০ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসমাবেশ, পরিবহন ধর্মঘট না ডাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা সংঘাত-দুর্যোগে নারীদের দুর্দশা বহুগুণ বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী সচিবদের যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী জিয়া-খালেদা-তারেক খুনি: প্রধানমন্ত্রী জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল হবে: প্রধানমন্ত্রী সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন দুপুরে সচিবদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চার করে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র: রাষ্ট্রপতি মিছিল-মিটিংয়ে আপত্তি নেই, মানুষের ওপর হামলায় সহ্য করবো না ‘যারা গ্রেনেড দিয়ে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা?

দুর্নীতি হলে নতুন প্রধান নিয়োগ দেবে সরকার

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২  

অনিয়ম, দুর্নীতি বা কোনো ব্যর্থতার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ ক্ষুন্ন হয়েছে বলে প্রতীয়মান হলে সরকার নতুন করে প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা পরিচালনা কমিটি কিংবা উভয় নিয়োগ দিতে পারবে। এমন বিধান রাখা হয়েছে নয়া শিক্ষা আইনের খসড়ায়। এ ছাড়া সরকারি নির্দেশনা মানতে ব্যর্থ হলে এমপিওভুক্তি, পাঠদানের অনুমোদন, অধিভুক্তি ও একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিলের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত খসড়াটি সম্প্রতি পাঠানো হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। আইন কার্যকর হলেই বেসরকারি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ইতোমধ্যে নতুন প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বর্তমানে উচ্চ আদালতের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ আছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে। কিন্তু প্রস্তাবিত আইনে নতুন বিধান যুক্ত করায় পরিচালনা কমিটি বাদ, নতুন কমিটি গঠন বা প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে বাদ দিয়ে নতুন কাউকে নিয়োগ করলে উচ্চ আদালতে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না।

তখন সারাদেশের সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। আবার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্র ও আইনবিরোধী যে কোনো কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকলে অথবা সরকারের কোনো বৈধ আদেশ পালনে অস্বীকার করলে বা ব্যর্থ হলে সরকার সেটির বেতনভাতাদির সরকারি অংশ, পাঠদানের অনুমতি, অধিভুক্তি স্থাপনের অনুমতি, পরিচালনা সনদ এবং একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিল করতে পারবে। এ ছাড়া বিনা অনুমোদনে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে সরকার যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারবে সেগুলো।

বিদ্যমান ব্যবস্থায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে ম্যানেজিং কমিটি। উচ্চমাধ্যমিক ও ডিগ্রি পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে গভর্নিং বডি। নতুন আইনের খসড়ায় কমিটির এখতিয়ার অংশে বলা হয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য গঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটি বা ক্ষেত্রমতো পরিচালনা কমিটি বা কমিটির চেয়ারম্যান বা সভাপতি নির্ধারিত এখতিয়ার অথবা কার্যপরিধির বাইরে প্রশাসন বা পাঠদানে হস্তক্ষেপ করবে না। তাদের নির্ধারিত এখতিয়ার বা কার্যপরিধির বাইরে প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন প্রশাসনে কোনো অনিয়ম অথবা পাঠদান বাধাগ্রস্ত হলে কমিটি সার্বিকভাবে বা ক্ষেত্রমতো চেয়ারম্যান বা সভাপতি দায়ী থাকবেন এবং নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ কমিটি বাতিল বা ক্ষেত্রমতো এর চেয়ারম্যান বা সভাপতিকে অপসারণ করতে পারবে।

জানা গেছে, সচিব কমিটিতে খসড়াটি অনুমোদন হওয়ার পর মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপন করা হবে। বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন হলে সেটি ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে আইন মন্ত্রণালয়ে। আইনের চূড়ান্ত খসড়ার অগ্রগতি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে খসড়া পাঠানো হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে এটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উঠানো হবে।

নতুন আইন সম্পর্কে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম রনি বলেন, ‘কমিটির স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে ক্ষমতা খর্ব করতে হবে। আর্থিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির ওপর থাকায় অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ হচ্ছে না। বিধি-বিধানের বিদ্যমান দুর্বলতার কারণে কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানের যৌথ স্বাক্ষরে অর্থ ব্যয় করা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের চাপ দিয়ে কমিটিপ্রধান বা অন্য প্রভাবশালী সদস্যরা মিলে অর্থ ব্যয়ের ব্যবস্থা নেয়। এমন ঘটনা প্রমাণ হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের এমপিও বাতিল করা হয়। কিন্তু বিদ্যমান আইনের দুর্বলতার কারণে কমিটির সদস্য ও কমিটির সভাপতি বা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।’