• মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১০ ১৪৩১

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫

আলোকিত ভোলা
ব্রেকিং:
ঢাকা সফরে কাতারের আমির, হতে পারে ১১ চুক্তি-সমঝোতা জলবায়ু ইস্যুতে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি নিয়েছে বাংলাদেশ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশুপালন ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের তাগিদ জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বহু আগেই বাংলাদেশ আরও উন্নত হতো মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রতি নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আজ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন মন্ত্রী-এমপিদের প্রভাব না খাটানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দলের নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানায় শেখ হাসিনা মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে মুজিবনগর দিবস বাঙালির ইতিহাসে অবিস্মরণীয় দিন: প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ নতুন বছর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে দিতে, আর বিএনপি আসে নিতে: প্রধানমন্ত্রী

গল্প ফুরাল স্টেডিয়াম ৯৭৪ এর, এখন শুধুই ইতিহাস

আলোকিত ভোলা

প্রকাশিত: ৭ ডিসেম্বর ২০২২  

কাতার বিশ্বকাপের আর কোনো ম্যাচ হবে না স্টেডিয়াম ৯৭৪ এ। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচটিই ছিল এ মাঠের শেষ ম্যাচ। বিশ্বকাপ তো পরের বিষয়, এ স্টেডিয়ামেই আর কখনও হবে না কোনো ফুটবল ম্যাচ। অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে কাতার বিশ্বকাপের এ স্টেডিয়ামের, শুধু ইতিহাসে লেখা থাকবে কন্টেইনারে নির্মিত বিশ্বের একমাত্র অপসারণযোগ্য এ স্টেডিয়ামের নাম।

কাতার বিশ্বকাপের আর আর দশটা স্টেডিয়ামের চেয়ে আলাদা স্টেডিয়াম ৯৭৪। বিশ্বেরই বাকি সব স্টেডিয়ামের সঙ্গে এটার নেই কোনো মিল। লুসাইল বা আল বায়েত স্টেডিয়ামের মতো নেই স্থাপত্য শিল্পের কারুকার্যের ঝলক। তবে এক জায়গায় অনন্য এ স্টেডিয়াম। বিশ্বের একমাত্র স্টেডিয়াম এটি, যা নির্মিত হয়েছে কন্টেইনার দিয়ে। ৯৭৪টি কন্টেইনার একটির সঙ্গে একটি জোড়া দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এর অবয়ব।

মেক্সিকো-পোল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের খেলা মাঠে গড়ায় এ স্টেডিয়ামে। এরপর একে একে হয়েছে আরও ছয়টি ম্যাচ। সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ব্রাজিল-দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচ দিয়ে শেষ হয়েছে এ মাঠের বিশ্বকাপ জার্নি। এখন একে একে খুলে ফেলা হবে কন্টেইনারগুলো। যা জাহাজে চড়ে চলে যাবে উন্নয়নশীল কোনো দেশে। সেসব দেশের খেলাধুলার উন্নয়নে সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহৃত হবে স্টেডিয়াম ৯৭৪ এর দেহের অংশগুলো।

৪৪ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এই স্টেডিয়ামটায় খেলেছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা-পর্তুগাল। এ মাঠে বল পায়ে দৌড়েছেন লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, নেইমার, রবার্ট লেভানদোভস্কি। ক্যারিয়ারে অসংখ্য স্টেডিয়ামে খেললেও এই স্টেডিয়াম হয়ত তাদের মনে বিশেষ জায়গা নিয়ে থাকবে। ইতিহাসে এই মাঠে তাদের গড়া কীর্তির কথা উল্লেখ থাকবে, কিন্তু তাদের পায়ের চিহ্ন বিজড়িত স্টেডিয়ামটার কোনো অস্তিত্বই থাকবে না। চাইলেও এই মাঠে এসে দাঁড়িয়ে স্মৃতি রোমন্থন করতে পারবেন না।

এ স্টেডিয়াম একটু বেশিই মনে থাকবে ম্যাক অ্যালিস্টার, ভিনিসিউসদের কাছে। দুজনই বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম গোল পেয়েছেন এই মাঠে। ব্রাজিলের জন্য পয়া ভেন্যু হিসেবেই লেখা থাকবে স্টেডিয়াম ৯৭৪ এর নাম। দুই ম্যাচ খেলে যে দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছে ব্রাজিল। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে এই মাঠ ট্রাজেডির। এ মাঠ থেকেই যে বিদায় নিতে হয়েছে বিশ্বকাপ থেকে। রাশ আল আবদ বন্দরের কাছে এক শূন্যতায় হয়ত ঘুরে বেড়াবে কোরিয়ানদের দীর্ঘশ্বাস।